
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
কাজ বন্ধ করে দেওয়াসহ ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। গত ১ মার্চ সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে ঠিকাদারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন মনুর (৫৮) ওপর সাবেক ছাত্রদল নেতা আজমান সাকিবের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এই হামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অন্তত ২০ জন অংশ নেন। চাঁদাবাজি এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে মারধরের এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশে একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
আলোচিত এ অভিযোগে ববি ছাত্রদল সম্পাদক শান্ত ছাড়াও সাবেক সভাপতি রেজা শরীফ এবং কর্মী আজনান সাকিবসহ (২৩) অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে উল্লেখ আছে, মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজ এবং বিল্ডার্স কন্ট্রাক্টর্স এন্ড সাপ্লায়ারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সম্মুখে আরসিস সড়ক নির্মাণ কাজ করছিলেন। কাজ শুরুর পর থেকে তার কাছে ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন শান্ত এবং আজনান সাকিবসহ তাদের কর্মীরা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু ঠিকদার শুরু থেকে তাদের কোনো অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আসছিলেন, যা নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সংক্ষুব্ধ ছিলেন।
ঠিকাদারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন মনু অভিযোগ করেন, বেশ কিছু দিন ধরে আজনান সাবিক এবং শান্তদের নেতৃত্বে চাঁদা দাবি করা হয় এবং কাজ বন্ধ করার হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ১ মার্চ বেলা ১০টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখে ফের চাঁদা দাবি করেন। তখন টাকা দিতে অস্বীকার করলে আজনান সাকিব এবং শান্তদের নেতৃত্বে মনুকে মারধর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতাদের এই চাঁদাবাজির ঘটনাটি একাধিকবার উপাচার্য এবং প্রক্টর, প্রকৌশল দপ্তরকে অবহিত করেও কোনো সুফল মেলেনি। পরিশেষে উপায়ান্ত না পেয়ে তিনি থানা পুলিশের কাছে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তবে চাঁদাবাজির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা আজনান সাকিব। উল্টো তিনি অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করছিল, যার প্রতিবাদ করেছে শিক্ষার্থীরা। এখানে ছাত্রদল বা কোনো শিক্ষার্থী চাঁদা দাবি করেননি।
এই বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলম এবং প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সালকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলছেন, ঠিকাদারের প্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন, এতে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মারধর করাসহ চাঁদাবাজির অভিযোগটি পরবর্তীতে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
কাজ বন্ধ করে দেওয়াসহ ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। গত ১ মার্চ সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে ঠিকাদারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন মনুর (৫৮) ওপর সাবেক ছাত্রদল নেতা আজমান সাকিবের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এই হামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অন্তত ২০ জন অংশ নেন। চাঁদাবাজি এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে মারধরের এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশে একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
আলোচিত এ অভিযোগে ববি ছাত্রদল সম্পাদক শান্ত ছাড়াও সাবেক সভাপতি রেজা শরীফ এবং কর্মী আজনান সাকিবসহ (২৩) অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে উল্লেখ আছে, মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজ এবং বিল্ডার্স কন্ট্রাক্টর্স এন্ড সাপ্লায়ারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সম্মুখে আরসিস সড়ক নির্মাণ কাজ করছিলেন। কাজ শুরুর পর থেকে তার কাছে ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন শান্ত এবং আজনান সাকিবসহ তাদের কর্মীরা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু ঠিকদার শুরু থেকে তাদের কোনো অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আসছিলেন, যা নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সংক্ষুব্ধ ছিলেন।
ঠিকাদারের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন মনু অভিযোগ করেন, বেশ কিছু দিন ধরে আজনান সাবিক এবং শান্তদের নেতৃত্বে চাঁদা দাবি করা হয় এবং কাজ বন্ধ করার হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ১ মার্চ বেলা ১০টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখে ফের চাঁদা দাবি করেন। তখন টাকা দিতে অস্বীকার করলে আজনান সাকিব এবং শান্তদের নেতৃত্বে মনুকে মারধর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতাদের এই চাঁদাবাজির ঘটনাটি একাধিকবার উপাচার্য এবং প্রক্টর, প্রকৌশল দপ্তরকে অবহিত করেও কোনো সুফল মেলেনি। পরিশেষে উপায়ান্ত না পেয়ে তিনি থানা পুলিশের কাছে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তবে চাঁদাবাজির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা আজনান সাকিব। উল্টো তিনি অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করছিল, যার প্রতিবাদ করেছে শিক্ষার্থীরা। এখানে ছাত্রদল বা কোনো শিক্ষার্থী চাঁদা দাবি করেননি।
এই বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলম এবং প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সালকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলছেন, ঠিকাদারের প্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন, এতে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মারধর করাসহ চাঁদাবাজির অভিযোগটি পরবর্তীতে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’