Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪
শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দাবি আদায়ের আন্দোলনে পাঁচ দিনের বিরতীর পর সর্বশেষ টানা দুই দিনের আন্দোলনে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকেও ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত ছিল। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
এর আগে, আন্দোলনরত শিক্ষকরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে সব দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। যদিও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন, তবে কোনো বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ছয় মাস আগে পদোন্নতি বোর্ড গঠন করা হলেও একাধিক সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম। এর প্রতিবাদে সোমবার তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষকরা।
ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ধীমান কুমার রায় বলেন, আমরা উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত প্রক্টরসহ তিনজন পদত্যাগ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পদোন্নতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলনে নেমেছি। বর্তমানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও পরে সেশনজট পুষিয়ে দেওয়া হবে।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ৬০ জন শিক্ষক পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও তার এখনো কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের নয়জন শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া, আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানতে পেরেছি।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্যের দীর্ঘসূত্রতায় তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
প্রশাসনিক দপ্তরে তালা থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কার্যত কর্মহীন সময় পার করছেন। অর্থ দপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা কক্ষ ছেড়েছি। উপাচার্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই অবস্থান করব।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
সেখানে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা পাঁচ দিনের জন্য শুধু পাঠদানে ফেরেন। তবে গত ৮ মে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হলেও সেখানে সংকট সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, বরং অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম আন্দোলনকে আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা চাইলে কর্মবিরতি পালন করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। প্রশাসনিক দপ্তরে তালা দেওয়া সরাসরি আইনবিরোধী।
তিনি আরও বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দিতে আন্তরিক।
পদত্যাগের বিষয়ে উপাচার্য মুঠোফোনে বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র আসেনি। কয়েকজন মৌখিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শুরুতে ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দিলে প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই নীতিমালা কার্যকর হলেও বরিশালসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে নতুন সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ধাপে ধাপে কর্মবিরতি, শাটডাউন ও সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বর্তমানে চলমান অচলাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক সেবা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দাবি আদায়ের আন্দোলনে পাঁচ দিনের বিরতীর পর সর্বশেষ টানা দুই দিনের আন্দোলনে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকেও ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত ছিল। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
এর আগে, আন্দোলনরত শিক্ষকরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে সব দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। যদিও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন, তবে কোনো বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ছয় মাস আগে পদোন্নতি বোর্ড গঠন করা হলেও একাধিক সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম। এর প্রতিবাদে সোমবার তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষকরা।
ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ধীমান কুমার রায় বলেন, আমরা উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত প্রক্টরসহ তিনজন পদত্যাগ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পদোন্নতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলনে নেমেছি। বর্তমানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও পরে সেশনজট পুষিয়ে দেওয়া হবে।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ৬০ জন শিক্ষক পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও তার এখনো কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের নয়জন শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া, আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানতে পেরেছি।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্যের দীর্ঘসূত্রতায় তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
প্রশাসনিক দপ্তরে তালা থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কার্যত কর্মহীন সময় পার করছেন। অর্থ দপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা কক্ষ ছেড়েছি। উপাচার্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই অবস্থান করব।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
সেখানে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা পাঁচ দিনের জন্য শুধু পাঠদানে ফেরেন। তবে গত ৮ মে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হলেও সেখানে সংকট সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, বরং অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম আন্দোলনকে আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা চাইলে কর্মবিরতি পালন করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। প্রশাসনিক দপ্তরে তালা দেওয়া সরাসরি আইনবিরোধী।
তিনি আরও বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দিতে আন্তরিক।
পদত্যাগের বিষয়ে উপাচার্য মুঠোফোনে বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র আসেনি। কয়েকজন মৌখিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শুরুতে ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দিলে প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই নীতিমালা কার্যকর হলেও বরিশালসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে নতুন সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ধাপে ধাপে কর্মবিরতি, শাটডাউন ও সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বর্তমানে চলমান অচলাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক সেবা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’

০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
০৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২১