
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৮
ফরিদপুরের সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও বাজার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পৃথক সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলার খারদিয়া এলাকায় টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
শনিবার সকালে সেই বিরোধ চরমে রূপ নেয়। উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৬ জন আহত হন। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
অন্যদিকে, বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া এলাকায় আব্দুল মান্নান ও মজিবর সরদার গ্রুপের মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষের দুটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। নটখোলা গ্রামের কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বড়খারদিয়া, নটখোলা ও ময়েনদিয়া গ্রামে সংঘর্ষের চিহ্ন ছড়িয়ে আছে। পুড়ে যাওয়া ঘরের দেয়াল, ভাঙা দরজা-জানালা ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আসবাবপত্র এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষ্য দিচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, হামলাকারীরা হঠাৎ করেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘরের আসবাবপত্র, মূল্যবান মালামাল ও নগদ অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পূর্বেও একাধিকবার ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে শনিবারের হামলা ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় টহল জোরদার করেছে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘর্ষের পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে প্রশাসন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ফরিদপুরের সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও বাজার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পৃথক সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলার খারদিয়া এলাকায় টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
শনিবার সকালে সেই বিরোধ চরমে রূপ নেয়। উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৬ জন আহত হন। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
অন্যদিকে, বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া এলাকায় আব্দুল মান্নান ও মজিবর সরদার গ্রুপের মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষের দুটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। নটখোলা গ্রামের কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বড়খারদিয়া, নটখোলা ও ময়েনদিয়া গ্রামে সংঘর্ষের চিহ্ন ছড়িয়ে আছে। পুড়ে যাওয়া ঘরের দেয়াল, ভাঙা দরজা-জানালা ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আসবাবপত্র এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষ্য দিচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, হামলাকারীরা হঠাৎ করেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘরের আসবাবপত্র, মূল্যবান মালামাল ও নগদ অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পূর্বেও একাধিকবার ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে শনিবারের হামলা ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় টহল জোরদার করেছে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘর্ষের পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে প্রশাসন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৭
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মেঘারপটলে জামায়িাতে ইসলামীর অফিস আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে অফিসটিতে ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন জামায়াত নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের মেঘারপটল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি কাজলের নির্দেশে তার ছেলে নাসির ও সহযোগী সাখাওয়াত, রাসেল শিকদার, ইয়াসিন, শাহিন ও আজমান আলীসহ একদল লোক অফিসে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জামায়াত কর্মী ও ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। তারা দ্রুত দোষীদের শাস্তি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কেউ এমন কাজ করলে সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভূঞাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ-ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি এবং পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মেঘারপটলে জামায়িাতে ইসলামীর অফিস আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে অফিসটিতে ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন জামায়াত নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের মেঘারপটল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি কাজলের নির্দেশে তার ছেলে নাসির ও সহযোগী সাখাওয়াত, রাসেল শিকদার, ইয়াসিন, শাহিন ও আজমান আলীসহ একদল লোক অফিসে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জামায়াত কর্মী ও ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। তারা দ্রুত দোষীদের শাস্তি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কেউ এমন কাজ করলে সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভূঞাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ-ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি এবং পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০২
রাজশাহীতে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. মোস্তফা (৫০) নামের এক ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে নগরীর মতিহার থানার খোঁজাপুর গোরস্থান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা মোস্তফাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা ডাঁশমারী এলাকার তইমুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি একটি ময়দার মিলের কর্মচারী। তার রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাতে তিনি নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন। তখন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। কে বা কারা কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা কেউ বুঝতে পারছেন না। ঘটনাস্থলে একটি তাজা গুলি ও একটি খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম এ জলিল বলেন, ‘আমাদের এখানে আসার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে। মাথায়ও জখম দেখা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারণে হাসপাতালে আসার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।’
বরিশাল টাইমস
রাজশাহীতে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. মোস্তফা (৫০) নামের এক ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে নগরীর মতিহার থানার খোঁজাপুর গোরস্থান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা মোস্তফাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা ডাঁশমারী এলাকার তইমুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি একটি ময়দার মিলের কর্মচারী। তার রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাতে তিনি নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন। তখন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। কে বা কারা কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা কেউ বুঝতে পারছেন না। ঘটনাস্থলে একটি তাজা গুলি ও একটি খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম এ জলিল বলেন, ‘আমাদের এখানে আসার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে। মাথায়ও জখম দেখা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারণে হাসপাতালে আসার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।’
বরিশাল টাইমস

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-০৪ (দেবিদ্বার) আসনে ব্যাপক ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান।
বিএনপি সমর্থিত এই প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের ‘ট্রাক’ প্রতীকে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিন নানা অনিয়ম, ভয়ভীতি ও কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।’
জসিম উদ্দিন দাবি করেন, ‘তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ’র সমর্থকরা ভোটের আগের দিন সুবিল ও মোহনপুর ইউনিয়নে অবৈধ অর্থ বিতরণের সময় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অনুসারীরা বিভিন্ন ইউনিয়নে জামায়াতের ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রের মহড়া দেয়। গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের পদ্মকোট গ্রামে অস্ত্রসহ সোহেল রানা ও আলমগীরসহ আটজন আটক হওয়ার ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনার পরও তিনি নির্বাচন চালিয়ে যান বলে জানান।’
ভোটের দিন তার এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে প্রতি কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক ব্যালটে আগেই সিল মেরে রাখা হয় এবং ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগে সেগুলো ব্যালট বাক্সে ঢোকানো হয়।
তিনি বলেন, এসব অনিয়মের প্রতিবাদে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও তার নিজ কেন্দ্রে তাকে পরাজিত দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেন। এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নিজ কেন্দ্র গোপালনগরে তার কোনও ভোটই দেখানো হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন, যা ‘হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য’ বলে মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অনেক কেন্দ্রে তার সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করা হয়েছে। নগদ অর্থ বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে অভিযোগ তোলেন তিনি। অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক, অবৈধ অর্থ বিতরণের ভিডিও ভাইরাল, এজেন্ট বহিষ্কার ও ব্যালট কারচুপিসহ নানা অভিযোগ নির্বাচনের দিন প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে দাবি করেন জসিম উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই প্রহসনের নির্বাচন, সূক্ষ্ম ভোট ডাকাতির নির্বাচন ও সন্ত্রাস-কালোটাকায় প্রভাবিত নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভয়ভীতিহীন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান লিটন, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব অধিকার পরিষদের ১নং সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেল হোসেন বেগ, দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আবু তাহের মজুমদার, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মোল্লাসহ অন্যরা।
প্রসঙ্গত, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়েছেন।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-০৪ (দেবিদ্বার) আসনে ব্যাপক ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান।
বিএনপি সমর্থিত এই প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের ‘ট্রাক’ প্রতীকে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিন নানা অনিয়ম, ভয়ভীতি ও কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।’
জসিম উদ্দিন দাবি করেন, ‘তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ’র সমর্থকরা ভোটের আগের দিন সুবিল ও মোহনপুর ইউনিয়নে অবৈধ অর্থ বিতরণের সময় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অনুসারীরা বিভিন্ন ইউনিয়নে জামায়াতের ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রের মহড়া দেয়। গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের পদ্মকোট গ্রামে অস্ত্রসহ সোহেল রানা ও আলমগীরসহ আটজন আটক হওয়ার ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনার পরও তিনি নির্বাচন চালিয়ে যান বলে জানান।’
ভোটের দিন তার এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে প্রতি কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক ব্যালটে আগেই সিল মেরে রাখা হয় এবং ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগে সেগুলো ব্যালট বাক্সে ঢোকানো হয়।
তিনি বলেন, এসব অনিয়মের প্রতিবাদে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও তার নিজ কেন্দ্রে তাকে পরাজিত দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেন। এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নিজ কেন্দ্র গোপালনগরে তার কোনও ভোটই দেখানো হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন, যা ‘হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য’ বলে মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অনেক কেন্দ্রে তার সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করা হয়েছে। নগদ অর্থ বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে অভিযোগ তোলেন তিনি। অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক, অবৈধ অর্থ বিতরণের ভিডিও ভাইরাল, এজেন্ট বহিষ্কার ও ব্যালট কারচুপিসহ নানা অভিযোগ নির্বাচনের দিন প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে দাবি করেন জসিম উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই প্রহসনের নির্বাচন, সূক্ষ্ম ভোট ডাকাতির নির্বাচন ও সন্ত্রাস-কালোটাকায় প্রভাবিত নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভয়ভীতিহীন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান লিটন, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব অধিকার পরিষদের ১নং সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেল হোসেন বেগ, দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আবু তাহের মজুমদার, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মোল্লাসহ অন্যরা।
প্রসঙ্গত, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়েছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.