
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২২
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অবস্থা খুবই ক্রিটিকাল। এ অবস্থায় মাকে দেখতে কবে দেশে আসবেন তারেক রহমান? মানুষের মধ্যে সেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
এরইমধ্যে গুঞ্জন উঠেছে দুই একদিনের মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে এসে তিনি কোথায় উঠবেন সেটাও চূড়ান্ত।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন। তবে ঠিক কবে ফিরবেন তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরায় কোনো বাধা দেখছি না।’
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলও বলেছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আইনি বাধা আছে বলে আমার জানা নেই, তিনি উপযুক্ত সময়ে দেশে ফিরে আসবেন। তিনি দেশে ফিরলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন এ উপদেষ্টা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের জন্য গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি মাসেই যে কোনো দিন দেশে ফিরতে পারেন তিনি। শুধুমাত্র কৌশলগত কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ফেরার সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ দলের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিয়োগও দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালের মূল ফটকের দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া কাউকে সেখানে ভিড় করতে দিচ্ছেন না পুলিশের সদস্যরা।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
অপরদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। তারপর থেকে সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। বিদেশে থেকেই দল পরিচালনা করে আসছেন।
গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হওয়ার পর তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। ডিসেম্বর মাসে ফিরলে ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখবেন তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অবস্থা খুবই ক্রিটিকাল। এ অবস্থায় মাকে দেখতে কবে দেশে আসবেন তারেক রহমান? মানুষের মধ্যে সেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
এরইমধ্যে গুঞ্জন উঠেছে দুই একদিনের মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে এসে তিনি কোথায় উঠবেন সেটাও চূড়ান্ত।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন। তবে ঠিক কবে ফিরবেন তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরায় কোনো বাধা দেখছি না।’
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলও বলেছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আইনি বাধা আছে বলে আমার জানা নেই, তিনি উপযুক্ত সময়ে দেশে ফিরে আসবেন। তিনি দেশে ফিরলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন এ উপদেষ্টা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের জন্য গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি মাসেই যে কোনো দিন দেশে ফিরতে পারেন তিনি। শুধুমাত্র কৌশলগত কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ফেরার সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ দলের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিয়োগও দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালের মূল ফটকের দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া কাউকে সেখানে ভিড় করতে দিচ্ছেন না পুলিশের সদস্যরা।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
অপরদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। তারপর থেকে সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। বিদেশে থেকেই দল পরিচালনা করে আসছেন।
গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হওয়ার পর তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। ডিসেম্বর মাসে ফিরলে ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখবেন তারেক রহমান।

১৯ মে, ২০২৬ ১৫:৩৫
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”
বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন ইনিংস শুরু করেছে মোদী সরকার। তবে গত মাসে নয়াদিল্লিতে এসে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নেই।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর নিজের এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের দেশে ফেরা নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, ছ'বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। তার ঠিক ৪৫ বছর পর ভারতে চলে আসা হাসিনার বক্তব্য, "আমাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমার দলকে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু থামানো যায়নি। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমি দ্রুতই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরব। মাথা উঁচু করে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর গর্ব নিয়েই ফিরব।"
কিন্তু আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে কী ভাবে প্রত্যাবর্তন সম্ভব? শেখ হাসিনার কথায়, “বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করার পরেও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার সব চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েই ফিরে এসেছে। যাঁরা এই নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী মনে করছেন তাঁদের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখতে বলব। আমাদের কোটি কোটি সমর্থক এবং লাখো নেতা কর্মী দেশেই রয়েছেন। এখনও আমার ছাত্র লীগের ছেলেরাই অসহায় কৃষকদের পাশে রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার এবং সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতা-কর্মীরা সরব। আওয়ামী লীগ মানুষের আবেগে রয়েছে। ফলে আমাদের ফিরে আসা অনিবার্য, শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার। আরও সংগঠিত হয়ে, শক্তিশালী হয়ে ফিরব। নীরবে তার প্রস্তুতি চলছে।"
কিন্তু এটা তো ঘটনা যে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে দেশের বাইরে। কলকাতাতেও রয়েছেন দলের অনেক প্রাক্তন সাংসদ-মন্ত্রী। হাসিনা বলছেন, "কেউ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেননি। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। ছ'শোর বেশি নেতাকর্মীকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দেড় লাখ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ন্যূনতম আইনি অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় যাঁরা বাইরে রয়েছেন তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও আইনের শাসন তৈরি হলেই তাঁরা ফিরবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যাঁরা দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন, দল তাঁদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।"
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যায়ন কী ভাবে করছেন শেখ হাসিনা? বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের বরাবরই অভিযোগ ভারত-তোষণের। হাসিনার কথায়, "আমাদের বিরোধী শক্তিরা সর্বদাই এই অভিযোগ করেছে। আওয়ামী লীগ নাকি ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে, দেশবিরোধী চুক্তি করেছে। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অথবা বর্তমান বিএনপি সরকার এখনও পর্যন্ত একটিও দেশবিরোধী চুক্তি সামনে হাজির করতে পারেনি। তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই আমরা গঙ্গা পানি চুক্তি করেছিলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভারতের থেকে প্রায় ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের মানচিত্রে যোগ করেছিলাম। ২০১৫ সালে স্থলসীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা গিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনটি এই জ্বালানি সঙ্কটের সময় বাংলাদেশের 'লাইফ লাইন'। এর মধ্যে কোনটা অন্য দেশের তাঁবেদারি বিএনপি বলুক? এটা ঘটনা যে বিদেশনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।”

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’

০১ মে, ২০২৬ ১৭:২৬
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১