
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৫
আর্শদিপের লজ্জার রেকর্ড; এক ওভারে ১৩ বল, ৭টিই ওয়াইড
ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই ম্যাচে অস্বস্তিকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতের পেসার আর্শদিপ সিং। নিউ চান্ডিগাড়ে বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেন এক অবিশ্বাস্য ১৩ বলের ওভার, যেখানে দেন ৭টি ওয়াইড।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের একাদশ ওভারে প্রথম বলেই ছক্কা খান আর্শদিপ। স্লট পাওয়া বলটি লং অফের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান কুইন্টন ডি কক। এরপর যেন লাইন-লেন্থই হারিয়ে ফেলেন ২৬ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। ছক্কার পর টানা দুটি ওয়াইড, একটি লিগ্যাল ডেলিভারির পর আবার টানা চারটি ওয়াইড। মোট সাতটি ওয়াইডে জর্জরিত হতে থাকে ওভারটি।
এরপর পরের তিন বলে আসে চার রান। শেষ দুই বল—একটি ওয়াইড ও একটি সিঙ্গলে—শেষ হয় ১৩ বলে গড়া ওভার। এক ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরকার্ডে যোগ হয় ১৮ রান।
এই ওভার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ওভারে সর্বাধিক বল করার যৌথ রেকর্ড। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩ বলের ওভার করেছিলেন আফগানিস্তানের নাভিন উল হক। তাদের পরেই আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিসান্ডা মাগালা, যিনি ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ১২ বলের এক ওভার।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে এতদিন দীর্ঘ ওভারের রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে হার্দিক পান্ডিয়া ও খালিল আহমেদের (১১ বল)। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আর্শদিপের নাম। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১০ বলের ওভার—২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং ২০২৪ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পাওয়ার প্লেতে দুই ওভারে ২০ রান দেওয়া আর্শদিপ এই এক ওভারেই খরচ করেন ১৮ রান। শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ৫৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
ডি ককের ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, সঙ্গে ডনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০*) ও ডেভিড মিলারের (১২ বলে ২০*) সংক্ষিপ্ত ঝড়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বড় স্কোর তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা।
আর্শদিপের লজ্জার রেকর্ড; এক ওভারে ১৩ বল, ৭টিই ওয়াইড
ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই ম্যাচে অস্বস্তিকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতের পেসার আর্শদিপ সিং। নিউ চান্ডিগাড়ে বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেন এক অবিশ্বাস্য ১৩ বলের ওভার, যেখানে দেন ৭টি ওয়াইড।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের একাদশ ওভারে প্রথম বলেই ছক্কা খান আর্শদিপ। স্লট পাওয়া বলটি লং অফের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান কুইন্টন ডি কক। এরপর যেন লাইন-লেন্থই হারিয়ে ফেলেন ২৬ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। ছক্কার পর টানা দুটি ওয়াইড, একটি লিগ্যাল ডেলিভারির পর আবার টানা চারটি ওয়াইড। মোট সাতটি ওয়াইডে জর্জরিত হতে থাকে ওভারটি।
এরপর পরের তিন বলে আসে চার রান। শেষ দুই বল—একটি ওয়াইড ও একটি সিঙ্গলে—শেষ হয় ১৩ বলে গড়া ওভার। এক ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরকার্ডে যোগ হয় ১৮ রান।
এই ওভার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ওভারে সর্বাধিক বল করার যৌথ রেকর্ড। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩ বলের ওভার করেছিলেন আফগানিস্তানের নাভিন উল হক। তাদের পরেই আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিসান্ডা মাগালা, যিনি ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ১২ বলের এক ওভার।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে এতদিন দীর্ঘ ওভারের রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে হার্দিক পান্ডিয়া ও খালিল আহমেদের (১১ বল)। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আর্শদিপের নাম। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১০ বলের ওভার—২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং ২০২৪ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পাওয়ার প্লেতে দুই ওভারে ২০ রান দেওয়া আর্শদিপ এই এক ওভারেই খরচ করেন ১৮ রান। শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ৫৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
ডি ককের ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, সঙ্গে ডনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০*) ও ডেভিড মিলারের (১২ বলে ২০*) সংক্ষিপ্ত ঝড়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বড় স্কোর তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০১
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:১০
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.