
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৮
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৪৩
ভোলায় সরকারি আইন অমান্য করে ইট তৈরি করায় দুটি ভাটায় জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে পৃথক অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে ভোলার ইলিশা ইউনিয়নের পশ্চিম পাঙ্গাসিয়া এলাকার মেসার্স রিয়াদ ব্রিকস ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ভেলুমিয়ার বাঘমারার মেসার্স ভোলা ব্রিকসকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়া জানান, দুপুরের পরিবেশ অধিদপ্তর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুটি ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অনুমতি বিহীন কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে ইট তৈরি করায় মেসার্স রিয়াদ ব্রিকস ও লাইসেন্স বিহীন ও কৃষি জমি থেকে মাটি কাটায় দুই ইট ভাটার দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু রায়হান এবং মো. জুলফিকার রহমান।
ভোলায় সরকারি আইন অমান্য করে ইট তৈরি করায় দুটি ভাটায় জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে পৃথক অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে ভোলার ইলিশা ইউনিয়নের পশ্চিম পাঙ্গাসিয়া এলাকার মেসার্স রিয়াদ ব্রিকস ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ভেলুমিয়ার বাঘমারার মেসার্স ভোলা ব্রিকসকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়া জানান, দুপুরের পরিবেশ অধিদপ্তর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুটি ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অনুমতি বিহীন কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে ইট তৈরি করায় মেসার্স রিয়াদ ব্রিকস ও লাইসেন্স বিহীন ও কৃষি জমি থেকে মাটি কাটায় দুই ইট ভাটার দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু রায়হান এবং মো. জুলফিকার রহমান।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ ছয়টি উপজেলার হাসপাতালগুলোতে নেই জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন। বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও রয়েছে এর তীব্র সংকট। এতে দুশ্চিন্তায় জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে ভিড় করছেন রোগীরা। কেউ এসেছেন কুকুরের কামড়ে শিকার হয়ে, আবার কেউ এসেছেন বিড়ালের আঁচড়ে শিকার হয়ে।
রোগীদের মধ্যে শিশুসহ নানা বয়সী নারী ও পুরুষ রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে মিলছে না ভ্যাকসিন। এমনকি বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও সচরাচর মিলছে না ভ্যাকসিন। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ রোগী ও স্বজনদের।
দৌলতখান উপজেলা থেকে আসা রোগী মাইনুর আক্তার জানান, আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি কুকুর কামড় দেয়। পরে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন দিতে গেলে সেখানে ভ্যাকসিন পাননি।
এরপর ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও এসে পাননি ভ্যাকসিন। এখানকার নার্স ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। তাই বাইরে থেকে কিনে আনলে তারা ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারবেন। বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে পারলে তো এখানে আসার দরকার ছিল না।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আসা রোগীর স্বজন মো. ফিরোজ আলম জানান, তার শিশু সন্তানকে বিড়াল আঁচড় দিয়েছে।
তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা ভ্যাকসিন না থাকায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। তিনি সদর হাসপাতালে আসলেও এখানেও ভ্যাকসিন পাননি।
তিনি জানান, এত দূর থেকে এসেও ভ্যাকসিন পাননি। সরকারি হাসপাতালে যদি ভ্যাকসিন না থাকে, তাহলে গরিবের চিকিৎসা হয় কীভাবে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে।
ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের শান্তিরহাট থেকে আসা রোগীর স্বজন জানান, সন্তানকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পর ভ্যাকসিন দেওয়াতে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু ভ্যাকসিন নেই। পরে বাধ্য হয়ে চারজন মিলে টাকা তুলে একটি ভ্যাকসিন কিনেছি। ওই ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়ি ফিরছি।
আরেক রোগীর স্বজন লিমা আক্তার জানান, ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে ভোলার শহরের বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে খোঁজ করে তারপর ভ্যাকসিন পেয়েছেন। ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিন সচরাচর পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
ভোলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. হারুন অর রশিদ জানান, ভোলার শহর থেকে গ্রাম—সব রাস্তা ও বাড়ির আশপাশে বর্তমানে কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে।
সঙ্গে কুকুরের আক্রমণও বেড়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ভোলা সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। এমনকি ভোলার ফার্মেসিগুলোতেও ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রুত যেন এ সমস্যার সমাধান করেন।
ভোলা সদর রোডের ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো. আরিফ ও মো. ইকবাল হোসেন জানান, বিগত দুই মাস ধরে কোম্পানিগুলো আমাদের ভ্যাকসিন চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছে না। আমাদের দৈনিক প্রয়োজন ৫০টি, সেখানে আমাদের সপ্তাহে দেয় ১০-২০টি। তাই আমরাও ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারছি না।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, দুই মাস ধরে ভ্যাকসিন নেই। এতে রোগীদের সেবা দিতে পারছেন না। তবে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এছাড়াও বাজারেও ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। তাই সবাইকে কুকুর ও বিড়াল থেকে সাবধানে থাকার পাশাপাশি আঁচড় বা কামড় দিলে অন্তত ৩০ মিনিট সাবান-পানিতে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ ছয়টি উপজেলার হাসপাতালগুলোতে নেই জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন। বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও রয়েছে এর তীব্র সংকট। এতে দুশ্চিন্তায় জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে ভিড় করছেন রোগীরা। কেউ এসেছেন কুকুরের কামড়ে শিকার হয়ে, আবার কেউ এসেছেন বিড়ালের আঁচড়ে শিকার হয়ে।
রোগীদের মধ্যে শিশুসহ নানা বয়সী নারী ও পুরুষ রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে মিলছে না ভ্যাকসিন। এমনকি বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও সচরাচর মিলছে না ভ্যাকসিন। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ রোগী ও স্বজনদের।
দৌলতখান উপজেলা থেকে আসা রোগী মাইনুর আক্তার জানান, আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি কুকুর কামড় দেয়। পরে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন দিতে গেলে সেখানে ভ্যাকসিন পাননি।
এরপর ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও এসে পাননি ভ্যাকসিন। এখানকার নার্স ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। তাই বাইরে থেকে কিনে আনলে তারা ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারবেন। বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে পারলে তো এখানে আসার দরকার ছিল না।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আসা রোগীর স্বজন মো. ফিরোজ আলম জানান, তার শিশু সন্তানকে বিড়াল আঁচড় দিয়েছে।
তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা ভ্যাকসিন না থাকায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। তিনি সদর হাসপাতালে আসলেও এখানেও ভ্যাকসিন পাননি।
তিনি জানান, এত দূর থেকে এসেও ভ্যাকসিন পাননি। সরকারি হাসপাতালে যদি ভ্যাকসিন না থাকে, তাহলে গরিবের চিকিৎসা হয় কীভাবে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে।
ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের শান্তিরহাট থেকে আসা রোগীর স্বজন জানান, সন্তানকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পর ভ্যাকসিন দেওয়াতে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু ভ্যাকসিন নেই। পরে বাধ্য হয়ে চারজন মিলে টাকা তুলে একটি ভ্যাকসিন কিনেছি। ওই ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়ি ফিরছি।
আরেক রোগীর স্বজন লিমা আক্তার জানান, ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে ভোলার শহরের বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে খোঁজ করে তারপর ভ্যাকসিন পেয়েছেন। ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিন সচরাচর পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
ভোলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. হারুন অর রশিদ জানান, ভোলার শহর থেকে গ্রাম—সব রাস্তা ও বাড়ির আশপাশে বর্তমানে কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে।
সঙ্গে কুকুরের আক্রমণও বেড়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ভোলা সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। এমনকি ভোলার ফার্মেসিগুলোতেও ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রুত যেন এ সমস্যার সমাধান করেন।
ভোলা সদর রোডের ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো. আরিফ ও মো. ইকবাল হোসেন জানান, বিগত দুই মাস ধরে কোম্পানিগুলো আমাদের ভ্যাকসিন চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছে না। আমাদের দৈনিক প্রয়োজন ৫০টি, সেখানে আমাদের সপ্তাহে দেয় ১০-২০টি। তাই আমরাও ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারছি না।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, দুই মাস ধরে ভ্যাকসিন নেই। এতে রোগীদের সেবা দিতে পারছেন না। তবে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এছাড়াও বাজারেও ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। তাই সবাইকে কুকুর ও বিড়াল থেকে সাবধানে থাকার পাশাপাশি আঁচড় বা কামড় দিলে অন্তত ৩০ মিনিট সাবান-পানিতে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.