
০২ জুন, ২০২৫ ১২:২৮
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এইচআইভি (এইডস) পজেটিভ রোগীকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করে এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. জেসমিন সুলতানা।
রোববার ১জুন দুপুর ১২ টার দিকে সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। তিনি ছেলে সন্তান প্রসব করেছেন। মা ও নবজাতক সুস্থ আছে বলে চিকিৎসকরা জানান। অপারেশন কার্যক্রম শেষে গাইনী ওটি (অস্ত্রোপচার কক্ষ) ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট এইডস আক্রান্ত নারীকে সিজার করেছিলেন গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিলুফার ইসলাম এমিলি।
জানা গেছে, ৩ মাস আগে প্রসূতি এক নারী বর্হিবিভাগে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য আসেন। তখন তার গর্ভের সন্তানের বয়স ছিল ৬ মাস। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় টেস্ট রিপোর্টে ওই রোগীর শরীরে এইচআইভি পজেটিভ শনাক্ত হয়। পরে গাইনী বিভাগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে তিনি ওই রোগীর চিকিৎসাসেবা শুরু করেন।
পরীক্ষা নিরীক্ষায় ওই নারীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। রোববার (১ জুন) গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. জেসমিন সুলতানা তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।
অস্ত্রোপচার টিমে থাকা একজন চিকিৎসক জানান, এইচআইভি পজেটিভ কোনো রোগীকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার সময় তার থাকাটা ছিল প্রথম। এর আগে এমন সিজারের টিমে তিনি অংশ নেয়ার সুযোগ পাননি। তার চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হলো নতুন এক অভিজ্ঞতা। নিজে ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও মানবিক কাজটি করতে তিনি মানসিকভাবে শান্তি পাচ্ছেন।
যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ড. নাজমুস সাদিক রাসেল জানান, এইচআইভি পজেটিভ রোগীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার ঝুঁকির কাজ। এরপরেও চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করেছেন। এটা খুবই ভালো খবর।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই রোগীর অস্ত্রোপচার পরবর্তী চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। ডেপুটি সিভিল সার্জন আরও জানান, ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট দক্ষিণবঙ্গে প্রথমবারের মত এইডস রোগীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছিলো যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। তখন সিজার করার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগীর জীবন রক্ষা করা।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, এইচআইভি পজেটিভ ওই রোগীর বাড়ি যশোরে। জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারে তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন করে হাসপাতালের গাইনী বিভাগের চিকিৎসকরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, চিকিৎসকদের দায়িত্ব রোগীর সেবা করা। গাইনী কনসালটেন্ট ডা, জেসমিন সুলতানার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের মেডিকেল টিম এইডস আক্রান্ত নারীর সিজার করেছেন।
সংক্রমণ এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থায় তারা অস্ত্রোপচারটি শেষ করেন। দীর্ঘ সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পর প্রসূতি ও নবজাতককে একটি কেবিনে রেখে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা সুস্থ আছে।
ডা. হুসাইন শাফায়াত আরও জানান, মায়ের থেকে সন্তানের শরীরে ভাইরাসটি সংক্রমণের (ভার্টিকাল ট্রান্সমিশন) সম্ভাবনা থাকে। ফলে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মাকে প্রতিষেধক চিকিৎসা দেয়া হয়েছিলো। তারপরও সন্তানের শরীরে ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে কিনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে পরীক্ষাটির জন্য কিছু দিন সময় লাগবে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এইচআইভি (এইডস) পজেটিভ রোগীকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করে এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. জেসমিন সুলতানা।
রোববার ১জুন দুপুর ১২ টার দিকে সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। তিনি ছেলে সন্তান প্রসব করেছেন। মা ও নবজাতক সুস্থ আছে বলে চিকিৎসকরা জানান। অপারেশন কার্যক্রম শেষে গাইনী ওটি (অস্ত্রোপচার কক্ষ) ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট এইডস আক্রান্ত নারীকে সিজার করেছিলেন গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিলুফার ইসলাম এমিলি।
জানা গেছে, ৩ মাস আগে প্রসূতি এক নারী বর্হিবিভাগে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য আসেন। তখন তার গর্ভের সন্তানের বয়স ছিল ৬ মাস। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় টেস্ট রিপোর্টে ওই রোগীর শরীরে এইচআইভি পজেটিভ শনাক্ত হয়। পরে গাইনী বিভাগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে তিনি ওই রোগীর চিকিৎসাসেবা শুরু করেন।
পরীক্ষা নিরীক্ষায় ওই নারীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। রোববার (১ জুন) গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. জেসমিন সুলতানা তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।
অস্ত্রোপচার টিমে থাকা একজন চিকিৎসক জানান, এইচআইভি পজেটিভ কোনো রোগীকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার সময় তার থাকাটা ছিল প্রথম। এর আগে এমন সিজারের টিমে তিনি অংশ নেয়ার সুযোগ পাননি। তার চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হলো নতুন এক অভিজ্ঞতা। নিজে ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও মানবিক কাজটি করতে তিনি মানসিকভাবে শান্তি পাচ্ছেন।
যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ড. নাজমুস সাদিক রাসেল জানান, এইচআইভি পজেটিভ রোগীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার ঝুঁকির কাজ। এরপরেও চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করেছেন। এটা খুবই ভালো খবর।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই রোগীর অস্ত্রোপচার পরবর্তী চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। ডেপুটি সিভিল সার্জন আরও জানান, ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট দক্ষিণবঙ্গে প্রথমবারের মত এইডস রোগীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছিলো যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। তখন সিজার করার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগীর জীবন রক্ষা করা।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, এইচআইভি পজেটিভ ওই রোগীর বাড়ি যশোরে। জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারে তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন করে হাসপাতালের গাইনী বিভাগের চিকিৎসকরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, চিকিৎসকদের দায়িত্ব রোগীর সেবা করা। গাইনী কনসালটেন্ট ডা, জেসমিন সুলতানার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের মেডিকেল টিম এইডস আক্রান্ত নারীর সিজার করেছেন।
সংক্রমণ এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থায় তারা অস্ত্রোপচারটি শেষ করেন। দীর্ঘ সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পর প্রসূতি ও নবজাতককে একটি কেবিনে রেখে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা সুস্থ আছে।
ডা. হুসাইন শাফায়াত আরও জানান, মায়ের থেকে সন্তানের শরীরে ভাইরাসটি সংক্রমণের (ভার্টিকাল ট্রান্সমিশন) সম্ভাবনা থাকে। ফলে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মাকে প্রতিষেধক চিকিৎসা দেয়া হয়েছিলো। তারপরও সন্তানের শরীরে ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে কিনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে পরীক্ষাটির জন্য কিছু দিন সময় লাগবে।

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ১৮:০১
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস
হামের উপসর্গে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২ শিশু।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯১৫ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৭৯১ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬২০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ শিশুর। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯১ শিশু।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৪
নোয়াখালী সদরে বড় ধরনের মিছিল দিয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতি দেখে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে ওই মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। এতে হাজারের বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। এসময় পুলিশ সদস্যরা গা-ঢাকা দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, ‘আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি।
আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়ববো না।’
কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি।’
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের দল সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আমরা মিছিলের শুরুতে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পরে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়েন।’
নোয়াখালী সদরে বড় ধরনের মিছিল দিয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতি দেখে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে ওই মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। এতে হাজারের বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। এসময় পুলিশ সদস্যরা গা-ঢাকা দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, ‘আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি।
আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়ববো না।’
কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি।’
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের দল সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আমরা মিছিলের শুরুতে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পরে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়েন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.