
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.