বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের কথিত স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজুল ইসলামের বাসায় মাদকের আসরে হানা দেয় ডিএনসির কর্মীরা। বৃহস্পতিবার শেষ রাতে স্থানীয় পাঁচগাও গ্রামে মিরাজের টিনশেড বাসাটিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মীরা চতুর দিক থেকে ঘিরে রাখে। এবং বাসাটিতে অবস্থানরত সকলকে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ডিএনসি কর্মীদের আহ্বানে কেউ সাড়া না দিয়ে সকলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। সকাল নাগাদ সেখান থেকে বরিশাল বিমানবন্দর থানা পুলিশের উপ-সহকারি পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন (৩৮) এবং জনৈক নারীসহ অন্তত ৪ জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মিরাজুল ইসলামের দলীয় কোনো পদপদবি না থাকলেও তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন শ্রমিকদলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নানান ধরনের অপকর্মে জড়িত ছিলেন এবং মাদক সরবরাহ করতেন। কথিত এই নেতার সাথে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের এএসআই দেলোয়ার হোসেনের গভীর যোগাযোগ ছিল এবং তিনি প্রায় দিনই মিরাজের বাসায় রাত কাটাতেন। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করার বহু অভিযোগ আছে।
ডিএনসি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাচগাঁও গ্রামের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরাজুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য দেলোয়ার হোসেন, নাহিদ হাসান (২৬) এবং ফাতেমা আক্তার নুরতাজ (৩০) নামের নারীসহ মোট ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছে মাদকের বড় কোনো চালান না পাওয়া গেলেও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ডিএনসির পরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম বৃহস্পতিবার ভোর রাতে পাচগাঁও গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজের বাসাটিকে ঘিরে রাখেন এবং ভেতরের সকলকে আত্মসমর্পণে আহ্বান রাখেন। তখন তারা ডিএনসির কর্মীদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে যে যার মতো পালানোর চেষ্টা করেন। সূর্যের আলো ফুটতেই পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বাসার টিন ভেঙে লাফিয়ে কাঁদামাটিতে পড়েন। তখন তাকে মাদকদ্রব্যের কর্মীরা ধরতে গেলে উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকেসহ ৪জনকে আটকে সফলতা পায় এবং পরক্ষণে তাদের নিয়ে আসে ডিএনসি।
সূত্রে জানা গেছে, আটক ৪ জনের মধ্যে এসআই দেলোয়ার হোসেনকে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এবং কথিত স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজুল ইসলামসহ বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি নেয়।
ডিএনসির এমন দ্বিমুখী আচারণ কেনো জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক (গোয়েন্দা) তানভির হোসেন খান বলেন, বিমানবন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক নিজে এসে ছিলেন এবং তিনি পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১০
বরিশালের বাকেরগঞ্জে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে বিয়ে ছাড়াই প্রায় সাত মাস ধরে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজন ও ওই নারীর স্বামীর স্বজনরা ইমাম ও নারীকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। পরে কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ তুহিন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামের আব্দুল কাশেমের ছেলে। তিনি দাড়িয়াল ইউনিয়নের বাংলাবাজার জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে তুহিনের সঙ্গে পাশের গ্রামের এক নারীর বিয়ে হয়। পরে পটুয়াখালীর মজিদপুর গ্রামের একটি মসজিদে ইমামতি করার সময় ওই মসজিদের পাশের বাড়ির এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে ওই নারী স্বামী-সংসার ছেড়ে তুহিনের সঙ্গে চলে আসেন।
সূত্রের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে তারা বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়নে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাংলাবাজার জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মসজিদের পাশেই একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে বসবাস করছিলেন তুহিন।
বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে বুধবার ওই ইমাম ও নারীকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ তুহিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে বিয়ে ছাড়াই প্রায় সাত মাস ধরে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজন ও ওই নারীর স্বামীর স্বজনরা ইমাম ও নারীকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। পরে কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ তুহিন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামের আব্দুল কাশেমের ছেলে। তিনি দাড়িয়াল ইউনিয়নের বাংলাবাজার জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে তুহিনের সঙ্গে পাশের গ্রামের এক নারীর বিয়ে হয়। পরে পটুয়াখালীর মজিদপুর গ্রামের একটি মসজিদে ইমামতি করার সময় ওই মসজিদের পাশের বাড়ির এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে ওই নারী স্বামী-সংসার ছেড়ে তুহিনের সঙ্গে চলে আসেন।
সূত্রের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে তারা বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়নে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাংলাবাজার জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মসজিদের পাশেই একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে বসবাস করছিলেন তুহিন।
বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে বুধবার ওই ইমাম ও নারীকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ তুহিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৫
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি সুলতান হাওলাদার (৬৪) মারা গেছেন। বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সুলতান হাওলাদার বাবুগঞ্জ উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু ইউসুফ জানান, ২০০৪ সালের একটি হত্যা মামলায় আদালত সুলতান হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় বুধবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে দ্রুত শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত শেষে সুলতান হাওলাদারের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক সুব্রত কুমার বালা জানান, বন্দিদের মামলার বিস্তারিত তথ্য কারাগারে সংরক্ষিত থাকে না। আদালত থেকে পাঠানো ওয়ারেন্টই কারা কর্তৃপক্ষের কাছে থাকে। তাই সুলতান হাওলাদার কোন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, সে বিষয়ে কারাগারে বিস্তারিত তথ্য নেই।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি সুলতান হাওলাদার (৬৪) মারা গেছেন। বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সুলতান হাওলাদার বাবুগঞ্জ উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু ইউসুফ জানান, ২০০৪ সালের একটি হত্যা মামলায় আদালত সুলতান হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় বুধবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে দ্রুত শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত শেষে সুলতান হাওলাদারের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক সুব্রত কুমার বালা জানান, বন্দিদের মামলার বিস্তারিত তথ্য কারাগারে সংরক্ষিত থাকে না। আদালত থেকে পাঠানো ওয়ারেন্টই কারা কর্তৃপক্ষের কাছে থাকে। তাই সুলতান হাওলাদার কোন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, সে বিষয়ে কারাগারে বিস্তারিত তথ্য নেই।

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৫
বরিশালের গৌরনদীতে ঋণের চাপে পুলিন তালুকদার (৪৫) নামে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিন তালুকদার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকার মৃত উপেন্দ্রনাথ তালুকদারের ছেলে। মৃত্যুর আগে তিনি তিন কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে প্রায় আট বছর মরিশাসে ছিলেন পুলিন। বছরখানেক আগে দেশে ফিরে বাড়ির অদূরে একটি চায়ের দোকান চালু করেন। ওই দোকানের আয় দিয়েই চলছিল তার সংসার।
স্বজনদের ভাষ্য, মরিশাসে থাকাকালে বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নেন পুলিন। দেশে ফেরার পর সেই ঋণের বোঝা আরও চাপে পরিণত হয়। সম্প্রতি স্থানীয় পাওনাদার ও এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য তার ওপর চাপ বাড়ছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি বাগানে পুলিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে ঋণের চাপে পুলিন তালুকদার (৪৫) নামে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিন তালুকদার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকার মৃত উপেন্দ্রনাথ তালুকদারের ছেলে। মৃত্যুর আগে তিনি তিন কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে প্রায় আট বছর মরিশাসে ছিলেন পুলিন। বছরখানেক আগে দেশে ফিরে বাড়ির অদূরে একটি চায়ের দোকান চালু করেন। ওই দোকানের আয় দিয়েই চলছিল তার সংসার।
স্বজনদের ভাষ্য, মরিশাসে থাকাকালে বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নেন পুলিন। দেশে ফেরার পর সেই ঋণের বোঝা আরও চাপে পরিণত হয়। সম্প্রতি স্থানীয় পাওনাদার ও এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য তার ওপর চাপ বাড়ছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি বাগানে পুলিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৯
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের কথিত স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজুল ইসলামের বাসায় মাদকের আসরে হানা দেয় ডিএনসির কর্মীরা। বৃহস্পতিবার শেষ রাতে স্থানীয় পাঁচগাও গ্রামে মিরাজের টিনশেড বাসাটিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মীরা চতুর দিক থেকে ঘিরে রাখে। এবং বাসাটিতে অবস্থানরত সকলকে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ডিএনসি কর্মীদের আহ্বানে কেউ সাড়া না দিয়ে সকলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। সকাল নাগাদ সেখান থেকে বরিশাল বিমানবন্দর থানা পুলিশের উপ-সহকারি পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন (৩৮) এবং জনৈক নারীসহ অন্তত ৪ জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মিরাজুল ইসলামের দলীয় কোনো পদপদবি না থাকলেও তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন শ্রমিকদলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নানান ধরনের অপকর্মে জড়িত ছিলেন এবং মাদক সরবরাহ করতেন। কথিত এই নেতার সাথে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের এএসআই দেলোয়ার হোসেনের গভীর যোগাযোগ ছিল এবং তিনি প্রায় দিনই মিরাজের বাসায় রাত কাটাতেন। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করার বহু অভিযোগ আছে।
ডিএনসি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাচগাঁও গ্রামের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরাজুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য দেলোয়ার হোসেন, নাহিদ হাসান (২৬) এবং ফাতেমা আক্তার নুরতাজ (৩০) নামের নারীসহ মোট ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছে মাদকের বড় কোনো চালান না পাওয়া গেলেও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ডিএনসির পরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম বৃহস্পতিবার ভোর রাতে পাচগাঁও গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজের বাসাটিকে ঘিরে রাখেন এবং ভেতরের সকলকে আত্মসমর্পণে আহ্বান রাখেন। তখন তারা ডিএনসির কর্মীদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে যে যার মতো পালানোর চেষ্টা করেন। সূর্যের আলো ফুটতেই পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বাসার টিন ভেঙে লাফিয়ে কাঁদামাটিতে পড়েন। তখন তাকে মাদকদ্রব্যের কর্মীরা ধরতে গেলে উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকেসহ ৪জনকে আটকে সফলতা পায় এবং পরক্ষণে তাদের নিয়ে আসে ডিএনসি।
সূত্রে জানা গেছে, আটক ৪ জনের মধ্যে এসআই দেলোয়ার হোসেনকে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এবং কথিত স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজুল ইসলামসহ বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি নেয়।
ডিএনসির এমন দ্বিমুখী আচারণ কেনো জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক (গোয়েন্দা) তানভির হোসেন খান বলেন, বিমানবন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক নিজে এসে ছিলেন এবং তিনি পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১০
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৫
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬