পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মৌসুমের শুরুতেই পল্লি নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন শুটকি তৈরি শ্রমিকরা। শুঁটকি পল্লীতে এখন যেন দম ফেলারও সময় নেই। শীতের বাজার ধরতে পল্লীতে, বাসা, চাং ও দোকান নির্মাণে দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। চার মাসের মৌসুমে প্রায় কোটি কোটি টাকার কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি উৎপাদন করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছেন। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতের প্রথম বাজার ধরতে পল্লীতে চাং, বাসা ও দোকান নির্মাণে দিনরাত কাজ করছে শ্রমিকরা। তারই ধারাবাহিকতায় একদিন পরে পুরোদমে শুরু হবে শুঁটকি করার কাজ যা প্রায় সাড়ে চারমাস ধরে চলবে।
স্থানীয় এক শ্রমিক বলেন, প্রতি বছর নভেম্বরের শুরু থেকেই শুটকি মৌসুম শুরু হয়। তাই এখন দিনরাত পরিশ্রম করে পল্লি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। শিগগিরই এখানকার মাছ ধরার নৌযানগুলো সমুদ্র থেকে মাছ নিয়ে ফিরলে শুরু হবে শুটকি তৈরির ব্যস্ততা।
তিনি আরও বলেন, একটি পল্লী নির্মাণে প্রায় ১৮ দিন সময় প্রয়োজন হয় তাদের। কেমিক্যাল মুক্ত ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে শুঁটকি তৈরি করায় এখানে অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত মাছ ধরা পড়লে এবার শুটকি উৎপাদনে ভালো মৌসুম হবে বলে আশা করছেন তারা।
শুটকি মৌসুম ঘিরে কুয়াকাটার এই পল্লিগুলোতে তৈরি হচ্ছে মৌসুমি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ। তাই আশায় বুক বেঁধেছেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে শুঁটকি প্রস্তুতকারী ইউসুফ মৃধা বলেন, এ পল্লীতে লইট্ট্যা, ফাইস্যা, ছুরি, ছোট চিংড়ি, ছোট পোয়া, রূপচাঁদা, লাক্ষাসহ প্রায় ৩০ জাতের মাছ শুঁটকি করা হয়। প্রতিবছর কয়েক কোটি টাকার শুঁটকি বিক্রি হয় বলেও জানান তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক বলেন, কুয়াকাটায় সকল কিছু পরিকল্পিতভাবে করা হবে। কুয়াকাটায় যারা মাছ শুঁটকি করে থাকে তারা বেশ ভালো অভিজ্ঞ। শুঁটকি প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতাদের একই ছাতার নিচে আনা হবে। প্রস্তুতকারীদের একটি স্থায়ী জায়গায় দেওয়া হবে। যাতে বিশৃঙ্খল ভাবে কেহ শুটকি শুকাতে না পারে। ইতোমধ্যে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০
একসময় ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ আর নদী-খালের সৌন্দর্যে ‘বাংলার ভেনিস’ নামে পরিচিত ছিল বরিশাল। বন্দরে দূর-দূরান্তের বণিকদের আনাগোনা ছিল। সেই বরিশাল এখন দেশের সবচেয়ে দরিদ্র বিভাগ। কৃষি উৎপাদন কমেছে, গড়ে ওঠেনি শিল্প-কারখানা, তৈরি হয়নি পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান। গ্যাসের বড় মজুদ থাকার পরও কাজে লাগানো যায়নি সেই সম্পদ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ১৯ দশমিক ২ শতাংশ।
বরিশাল বিভাগে এ হার ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। দেশের আট বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ। একসময় দেশের দরিদ্রতম বিভাগ রংপুর হলেও এখন সেই অবস্থানে বরিশাল। কর্মসংস্থানের অভাবে এ অঞ্চলের মানুষ ঢাকামুখী হচ্ছে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বরিশালের স্থানীয় বাসিন্দাদের ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এখন ঢাকায় বসবাস করছে। স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বস্তিবাসীর প্রায় ১৩ শতাংশ বরিশালের।
বরিশালকে একসময় শস্যভাণ্ডার বলা হলেও ধান উৎপাদনে এখন পিছিয়ে পড়ছে বিভাগটি। বিবিএসের ইয়ারবুক অব অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৫ অনুযায়ী, আউশ উৎপাদনে বরিশাল চতুর্থ, আমনে পঞ্চম এবং বোরো উৎপাদনে অষ্টম।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভাগটিতে আউশ উৎপাদন হয়েছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ২০ টন।
পরের অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯৯ টনে। আমন উৎপাদনও ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৯ টন থেকে কমে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ টনে নেমেছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরিশাল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততা বাড়ায় অনেক জমিতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে কৃষক বিকল্প হিসেবে চিংড়ি চাষসহ অন্য কাজে যাচ্ছেন।
আরো পড়ুন
মৎস্যসম্পদেও একই চিত্র। বিভাগীয় মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরিশালে ৩ লাখ ৭২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার টন। তিন বছরে উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
বিবিএসের ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা যায়, ধান, গম ও শস্য উৎপাদনে বরিশালের কৃষকদের বার্ষিক নিট আয় মাত্র ৬ হাজার ৮১ টাকা আট বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ভোলায় রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে বর্তমানে ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। ১৯৯৫ সালে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ সম্পদকে ঘিরে বড় শিল্পায়ন হয়নি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে শিল্প-কারখানা কার্যত সীমিত। বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে বরিশাল ছাড়া বাকি পাঁচ জেলায় উল্লেখযোগ্য কলকারখানা নেই। বরিশাল জেলায় কারখানা রয়েছে ৪০৯টি, যেখানে কাজ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন, যে ধরনের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। কৃষি ও মৎস্যকে ঘিরে আগের অর্থনৈতিক তৎপরতাও কমেছে। ফলে কর্মসংস্থানের সংকট রয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, নদীনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পায়নের অভাব বরিশালের অর্থনৈতিক বিকাশে বড় বাধা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাবও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারেনি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের বড় রাজনৈতিক নেতারা জাতীয় রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন। পুরো অঞ্চলের জন্য পরিকল্পিত ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।
তবে পরিস্থিতি বদলাতে বর্তমান সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে শিল্পকারখানা, সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপ্রতুলতা এবং দুর্গম যোগাযোগের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে শিল্প গড়ে ওঠেনি। ভোলার গ্যাসের সঠিক ব্যবহার, পায়রা বন্দর সচল, কুয়াকাটায় পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক যোগাযোগ বাড়ানো গেলে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক কাঠামো দ্রুত বদলে যেতে পারে।
একসময় ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ আর নদী-খালের সৌন্দর্যে ‘বাংলার ভেনিস’ নামে পরিচিত ছিল বরিশাল। বন্দরে দূর-দূরান্তের বণিকদের আনাগোনা ছিল। সেই বরিশাল এখন দেশের সবচেয়ে দরিদ্র বিভাগ। কৃষি উৎপাদন কমেছে, গড়ে ওঠেনি শিল্প-কারখানা, তৈরি হয়নি পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান। গ্যাসের বড় মজুদ থাকার পরও কাজে লাগানো যায়নি সেই সম্পদ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ১৯ দশমিক ২ শতাংশ।
বরিশাল বিভাগে এ হার ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। দেশের আট বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ। একসময় দেশের দরিদ্রতম বিভাগ রংপুর হলেও এখন সেই অবস্থানে বরিশাল। কর্মসংস্থানের অভাবে এ অঞ্চলের মানুষ ঢাকামুখী হচ্ছে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বরিশালের স্থানীয় বাসিন্দাদের ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এখন ঢাকায় বসবাস করছে। স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বস্তিবাসীর প্রায় ১৩ শতাংশ বরিশালের।
বরিশালকে একসময় শস্যভাণ্ডার বলা হলেও ধান উৎপাদনে এখন পিছিয়ে পড়ছে বিভাগটি। বিবিএসের ইয়ারবুক অব অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৫ অনুযায়ী, আউশ উৎপাদনে বরিশাল চতুর্থ, আমনে পঞ্চম এবং বোরো উৎপাদনে অষ্টম।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভাগটিতে আউশ উৎপাদন হয়েছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ২০ টন।
পরের অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯৯ টনে। আমন উৎপাদনও ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৯ টন থেকে কমে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ টনে নেমেছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরিশাল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততা বাড়ায় অনেক জমিতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে কৃষক বিকল্প হিসেবে চিংড়ি চাষসহ অন্য কাজে যাচ্ছেন।
আরো পড়ুন
মৎস্যসম্পদেও একই চিত্র। বিভাগীয় মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরিশালে ৩ লাখ ৭২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার টন। তিন বছরে উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
বিবিএসের ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা যায়, ধান, গম ও শস্য উৎপাদনে বরিশালের কৃষকদের বার্ষিক নিট আয় মাত্র ৬ হাজার ৮১ টাকা আট বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ভোলায় রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে বর্তমানে ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। ১৯৯৫ সালে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ সম্পদকে ঘিরে বড় শিল্পায়ন হয়নি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে শিল্প-কারখানা কার্যত সীমিত। বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে বরিশাল ছাড়া বাকি পাঁচ জেলায় উল্লেখযোগ্য কলকারখানা নেই। বরিশাল জেলায় কারখানা রয়েছে ৪০৯টি, যেখানে কাজ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন, যে ধরনের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। কৃষি ও মৎস্যকে ঘিরে আগের অর্থনৈতিক তৎপরতাও কমেছে। ফলে কর্মসংস্থানের সংকট রয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, নদীনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পায়নের অভাব বরিশালের অর্থনৈতিক বিকাশে বড় বাধা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাবও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারেনি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের বড় রাজনৈতিক নেতারা জাতীয় রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন। পুরো অঞ্চলের জন্য পরিকল্পিত ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।
তবে পরিস্থিতি বদলাতে বর্তমান সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে শিল্পকারখানা, সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপ্রতুলতা এবং দুর্গম যোগাযোগের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে শিল্প গড়ে ওঠেনি। ভোলার গ্যাসের সঠিক ব্যবহার, পায়রা বন্দর সচল, কুয়াকাটায় পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক যোগাযোগ বাড়ানো গেলে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক কাঠামো দ্রুত বদলে যেতে পারে।

২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৮
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মৌসুমের শুরুতেই পল্লি নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন শুটকি তৈরি শ্রমিকরা। শুঁটকি পল্লীতে এখন যেন দম ফেলারও সময় নেই। শীতের বাজার ধরতে পল্লীতে, বাসা, চাং ও দোকান নির্মাণে দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। চার মাসের মৌসুমে প্রায় কোটি কোটি টাকার কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি উৎপাদন করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছেন। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতের প্রথম বাজার ধরতে পল্লীতে চাং, বাসা ও দোকান নির্মাণে দিনরাত কাজ করছে শ্রমিকরা। তারই ধারাবাহিকতায় একদিন পরে পুরোদমে শুরু হবে শুঁটকি করার কাজ যা প্রায় সাড়ে চারমাস ধরে চলবে।
স্থানীয় এক শ্রমিক বলেন, প্রতি বছর নভেম্বরের শুরু থেকেই শুটকি মৌসুম শুরু হয়। তাই এখন দিনরাত পরিশ্রম করে পল্লি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। শিগগিরই এখানকার মাছ ধরার নৌযানগুলো সমুদ্র থেকে মাছ নিয়ে ফিরলে শুরু হবে শুটকি তৈরির ব্যস্ততা।
তিনি আরও বলেন, একটি পল্লী নির্মাণে প্রায় ১৮ দিন সময় প্রয়োজন হয় তাদের। কেমিক্যাল মুক্ত ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে শুঁটকি তৈরি করায় এখানে অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত মাছ ধরা পড়লে এবার শুটকি উৎপাদনে ভালো মৌসুম হবে বলে আশা করছেন তারা।
শুটকি মৌসুম ঘিরে কুয়াকাটার এই পল্লিগুলোতে তৈরি হচ্ছে মৌসুমি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ। তাই আশায় বুক বেঁধেছেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে শুঁটকি প্রস্তুতকারী ইউসুফ মৃধা বলেন, এ পল্লীতে লইট্ট্যা, ফাইস্যা, ছুরি, ছোট চিংড়ি, ছোট পোয়া, রূপচাঁদা, লাক্ষাসহ প্রায় ৩০ জাতের মাছ শুঁটকি করা হয়। প্রতিবছর কয়েক কোটি টাকার শুঁটকি বিক্রি হয় বলেও জানান তিনি।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক বলেন, কুয়াকাটায় সকল কিছু পরিকল্পিতভাবে করা হবে। কুয়াকাটায় যারা মাছ শুঁটকি করে থাকে তারা বেশ ভালো অভিজ্ঞ। শুঁটকি প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতাদের একই ছাতার নিচে আনা হবে। প্রস্তুতকারীদের একটি স্থায়ী জায়গায় দেওয়া হবে। যাতে বিশৃঙ্খল ভাবে কেহ শুটকি শুকাতে না পারে। ইতোমধ্যে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪