ঝালকাঠির নলছিটিতে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ তিন বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেতুর মূল কাঠামোর কাজ শেষ হলেও দুই পাশের সংযোগ সড়ক (এপ্রোচ) না হওয়ায় জনসাধারণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত। এতে ওই সেতুতে উঠতে হয় মই ব্যবহার করে; ভোগান্তিতে পড়েছেন সেতু সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
বিকল্প পথ ব্যবহার করতে গিয়ে সময় ও অর্থ— দুইয়েরই অপচয় হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নলছিটি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইবিআরপি প্রকল্পের আওতায় ২০২২ সালের ২ মে পৌর শহরের থানার খালের ওপর ৩১ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৪৬ লাখ ৩ হাজার ৩১৯ টাকা। দরপত্র অনুযায়ী কাজটি পায় মেসার্স শান্তা এন্টারপ্রাইজ। এক বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ২০২৩ সালের ৬ মার্চ নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যায়। সেতুর মূল অংশ নির্মিত হলেও সংযোগ সড়কের কাজ এখনও শুরু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়রা কাঠের মই দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ছেন। সেতুর দুই পাশের ইউনি-ব্লকে নির্মিত সড়কও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। এলাকার লোকজনের অভিযোগ— কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। সেতুর গোড়ায় কোনো মাটি ভরাট না করায় এটি এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন নান্নু, কামরুল ইসলাম ও রিয়াজ হোসেন জানান, সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে মই বেয়ে পার হতে হয়। বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক শাওন খান বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে থাকায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।
নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, সেতুর পাশে জমির মালিকরা মাটি ভরাটে অসহযোগিতা করায় সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়নি। বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, দ্রুত সমাধান হবে।
তবে এই দাবি অস্বীকার করে স্থানীয় বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন নান্নু বলেন, শুরু থেকেই সেতুটির নকশাগত ত্রুটি ছিল। সোজা সড়কের ওপর আড়াআড়ি সেতু নির্মাণ করে স্থানীয়দের জমির ক্ষতি করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বাধা কয়েক মাস আগেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় মীমাংসা হয়েছে। এখন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে মাটি ভরাট করছে না।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ তিন বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেতুর মূল কাঠামোর কাজ শেষ হলেও দুই পাশের সংযোগ সড়ক (এপ্রোচ) না হওয়ায় জনসাধারণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত। এতে ওই সেতুতে উঠতে হয় মই ব্যবহার করে; ভোগান্তিতে পড়েছেন সেতু সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
বিকল্প পথ ব্যবহার করতে গিয়ে সময় ও অর্থ— দুইয়েরই অপচয় হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নলছিটি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইবিআরপি প্রকল্পের আওতায় ২০২২ সালের ২ মে পৌর শহরের থানার খালের ওপর ৩১ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৪৬ লাখ ৩ হাজার ৩১৯ টাকা। দরপত্র অনুযায়ী কাজটি পায় মেসার্স শান্তা এন্টারপ্রাইজ। এক বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ২০২৩ সালের ৬ মার্চ নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যায়। সেতুর মূল অংশ নির্মিত হলেও সংযোগ সড়কের কাজ এখনও শুরু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়রা কাঠের মই দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ছেন। সেতুর দুই পাশের ইউনি-ব্লকে নির্মিত সড়কও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। এলাকার লোকজনের অভিযোগ— কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। সেতুর গোড়ায় কোনো মাটি ভরাট না করায় এটি এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন নান্নু, কামরুল ইসলাম ও রিয়াজ হোসেন জানান, সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে মই বেয়ে পার হতে হয়। বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক শাওন খান বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে থাকায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।
নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, সেতুর পাশে জমির মালিকরা মাটি ভরাটে অসহযোগিতা করায় সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়নি। বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, দ্রুত সমাধান হবে।
তবে এই দাবি অস্বীকার করে স্থানীয় বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন নান্নু বলেন, শুরু থেকেই সেতুটির নকশাগত ত্রুটি ছিল। সোজা সড়কের ওপর আড়াআড়ি সেতু নির্মাণ করে স্থানীয়দের জমির ক্ষতি করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বাধা কয়েক মাস আগেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় মীমাংসা হয়েছে। এখন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে মাটি ভরাট করছে না।