
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:২৭
বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।
গত সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহে চার হাজার মানুষ এটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছেন। তারা ভালো ফল পেয়েছেন। বাংলা ভাষাকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে এর এপিআই উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করে সোর্স কোডও উন্মুক্ত করা হবে।
’ তিনি আরো বলেন, “বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি তৈরি, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহার নিশ্চিত করবে ‘কাগজ ডট এআই’।”
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘ভাষার স্থানীয় সাংস্কৃতিক ধারা অক্ষুণ্ন রাখতে অচিরেই প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর ভাষার ১০ হাজার ওরাল মিনিট সংগ্রহ করা হবে। তৈরি করা হবে বাংলা এলএমএল। ডেভেলপমেন্ট জার্নি এবং এই ইকো সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে ভাষাগুলোকে সাইবার স্পেসে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
বর্তমানে যে টুলগুলো নিয়ে কাজ করছি আপনারা আমাদের কাছে এপিআই চাইবেন। এই টুলগুলো ব্যবহার করতে শুরু করবেন।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
পাশাপাশি নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’ তৈরি করা হয়েছে দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে। কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখায় যে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে ছিল, তা কাটাতে এই ফন্ট সহায়ক হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘জুলাই ফন্ট কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতা দূর করতে সহায়ক হবে। বাংলা ভাষা অনলাইনে লিখতে যুক্তাক্ষরকেন্দ্রিক কিছু ত্রুটি দেখা যায়, নতুন ফন্টে সেই ত্রুটি নেই।’
বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।
গত সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহে চার হাজার মানুষ এটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছেন। তারা ভালো ফল পেয়েছেন। বাংলা ভাষাকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে এর এপিআই উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করে সোর্স কোডও উন্মুক্ত করা হবে।
’ তিনি আরো বলেন, “বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি তৈরি, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহার নিশ্চিত করবে ‘কাগজ ডট এআই’।”
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘ভাষার স্থানীয় সাংস্কৃতিক ধারা অক্ষুণ্ন রাখতে অচিরেই প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর ভাষার ১০ হাজার ওরাল মিনিট সংগ্রহ করা হবে। তৈরি করা হবে বাংলা এলএমএল। ডেভেলপমেন্ট জার্নি এবং এই ইকো সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে ভাষাগুলোকে সাইবার স্পেসে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
বর্তমানে যে টুলগুলো নিয়ে কাজ করছি আপনারা আমাদের কাছে এপিআই চাইবেন। এই টুলগুলো ব্যবহার করতে শুরু করবেন।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
পাশাপাশি নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’ তৈরি করা হয়েছে দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে। কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখায় যে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে ছিল, তা কাটাতে এই ফন্ট সহায়ক হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘জুলাই ফন্ট কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতা দূর করতে সহায়ক হবে। বাংলা ভাষা অনলাইনে লিখতে যুক্তাক্ষরকেন্দ্রিক কিছু ত্রুটি দেখা যায়, নতুন ফন্টে সেই ত্রুটি নেই।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একটি ফিলিং স্টেশনে বোতলে অকটেন সরবরাহকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে স্টেশনটিতে একদিকে মোটরসাইকেলে এবং অন্যদিকে বোতলে অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছিল। এতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছিল এবং অনেকেই সময়মতো তেল নিতে পারছিলেন না।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ বোতলে অকটেন সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা বোতল সরিয়ে রাখতে গেলে এক ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একাধিক ব্যক্তি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের তৎপরতায় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একটি ফিলিং স্টেশনে বোতলে অকটেন সরবরাহকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে স্টেশনটিতে একদিকে মোটরসাইকেলে এবং অন্যদিকে বোতলে অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছিল। এতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছিল এবং অনেকেই সময়মতো তেল নিতে পারছিলেন না।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ বোতলে অকটেন সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা বোতল সরিয়ে রাখতে গেলে এক ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একাধিক ব্যক্তি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের তৎপরতায় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৩
মাদারীপুরে সরকারি টিফিন খেয়ে অন্তত ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ৬ শিক্ষার্থী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে— পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকারি ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পাউরুটি ও ডিম বিতরণ করা হয়। ওই খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেহেরুন চৌধুরী বলেন, আমাদের স্কুলের ৬ শিক্ষার্থী পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রুটি খাওয়ার পর থেকেই এ সমস্যা শুরু হয়েছে। তবে এখন তারা কিছুটা সুস্থ আছে বলে জানতে পেরেছি।
মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরীফ মোহাম্মদ মারুফ হোসেন বলেন, বিকেল পর্যন্ত আমরা ৫টি বিদ্যালয়ের তথ্য পেয়েছি। সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি ও ডিম খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে। একটি বিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে খাবার সরবরাহকারী ডিলারদের সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা গুরুত্ব দেয়নি।
মাদারীপুরে সরকারি টিফিন খেয়ে অন্তত ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ৬ শিক্ষার্থী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে— পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সরকারি ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পাউরুটি ও ডিম বিতরণ করা হয়। ওই খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেহেরুন চৌধুরী বলেন, আমাদের স্কুলের ৬ শিক্ষার্থী পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রুটি খাওয়ার পর থেকেই এ সমস্যা শুরু হয়েছে। তবে এখন তারা কিছুটা সুস্থ আছে বলে জানতে পেরেছি।
মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরীফ মোহাম্মদ মারুফ হোসেন বলেন, বিকেল পর্যন্ত আমরা ৫টি বিদ্যালয়ের তথ্য পেয়েছি। সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি ও ডিম খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে। একটি বিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে খাবার সরবরাহকারী ডিলারদের সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা গুরুত্ব দেয়নি।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.