
০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৫
ঝালকাঠির নলছিটিতে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন কমর্মস্থলে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
নলছিটিতে যোগদানের আগে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। নবাগত এই কর্মকর্তাকে বরণ করে নিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। তার যোগদান উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবু মোঃ ইফাদ ইশতিয়াক,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি রিজভী আহমেদ সবুজ,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার ওবায়দুল ইসলাম নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ।
তারা নবাগত ইউএনওকে স্বাগত জানান এবং তার কার্যকালে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন কমর্মস্থলে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
নলছিটিতে যোগদানের আগে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। নবাগত এই কর্মকর্তাকে বরণ করে নিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। তার যোগদান উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবু মোঃ ইফাদ ইশতিয়াক,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি রিজভী আহমেদ সবুজ,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার ওবায়দুল ইসলাম নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ।
তারা নবাগত ইউএনওকে স্বাগত জানান এবং তার কার্যকালে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪০
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৪
ঝালকাঠির উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অনলাইন নিবন্ধন ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১২৩ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে আদায় করছে।
বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন ফি ১২৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরদিন ২ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নির্দেশনায় ফি কমিয়ে ১২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধিত নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক পূর্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় অব্যাহত রাখেন। এতে অভিভাবকদের নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে শাহাদাত খান, লিটন হোসেন, আলমগীর, ইউসুফ ও মিরাজ ডাক্তারসহ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ড নির্ধারিত ফি ১২৩ টাকা হলেও আমাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং আমাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।’
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশ বলেন, ‘প্রথমে প্রাপ্ত নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি উল্লেখ ছিল। সেখানে আনুষঙ্গিক খরচসহ ৩০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যা ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়েও নেওয়া হয়েছে, আমি একা নিইনি।
সংশোধিত নির্দেশনাটি আমরা পাঁচ দিন পরে দেখতে পাই। বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেই সময় টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত বিদ্যালয় খোলার ৩১ মার্চ আমি নোটিশও লাগিয়ে দিয়েছি।
জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিষয়টি নিয়ে কালকে জানিয়েছেন এবং অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ফেরত দিতে বলেছেন। আমি রেজিস্ট্রার মেনটেইন করে টাকা ফেরত দিচ্ছি।’ তবে সংশোধিত নির্দেশনা বিলম্বে জানার কারণ সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা প্রশাসনিক দায়িত্ব। নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সভায় উপস্থাপন করে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অনলাইন নিবন্ধন ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১২৩ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে আদায় করছে।
বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন ফি ১২৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরদিন ২ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নির্দেশনায় ফি কমিয়ে ১২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধিত নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক পূর্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় অব্যাহত রাখেন। এতে অভিভাবকদের নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে শাহাদাত খান, লিটন হোসেন, আলমগীর, ইউসুফ ও মিরাজ ডাক্তারসহ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ড নির্ধারিত ফি ১২৩ টাকা হলেও আমাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং আমাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।’
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশ বলেন, ‘প্রথমে প্রাপ্ত নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি উল্লেখ ছিল। সেখানে আনুষঙ্গিক খরচসহ ৩০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যা ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়েও নেওয়া হয়েছে, আমি একা নিইনি।
সংশোধিত নির্দেশনাটি আমরা পাঁচ দিন পরে দেখতে পাই। বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেই সময় টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত বিদ্যালয় খোলার ৩১ মার্চ আমি নোটিশও লাগিয়ে দিয়েছি।
জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিষয়টি নিয়ে কালকে জানিয়েছেন এবং অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ফেরত দিতে বলেছেন। আমি রেজিস্ট্রার মেনটেইন করে টাকা ফেরত দিচ্ছি।’ তবে সংশোধিত নির্দেশনা বিলম্বে জানার কারণ সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা প্রশাসনিক দায়িত্ব। নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সভায় উপস্থাপন করে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.