
০৫ মে, ২০২৬ ১৬:১৩
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস

০৫ মে, ২০২৬ ১৪:৪৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সোমবার (০৪ মে) রাতে উপজেলার উত্তর সুবিদখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মো. শাখাওয়াত হোসেন, শুভেন্দু দাশ এবং এএসআই আরিফ ও জাহিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদ পান যে, উত্তর সুবিদখালীস্থ শাহজাহান ক্লিনিকের পশ্চিম পাশে জনৈক শহীদুল ইসলাম মেকারের দোকানে মাদক কেনাবেচা চলছে।
সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে রাত ১০:১০ মিনিটে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫) নামক এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ধৃত আসামি উত্তর সুবিদখালী গ্রামের মো. আলতাফ হোসেনের ছেলে।
আটকের পর উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আসামির দেহ ও দোকান তল্লাশি করে ৫০ (পঞ্চাশ) গ্রাম গাঁজা,মাদক বিক্রলব্ধ নগদ ১,০৫০/- (এক হাজার পঞ্চাশ) টাকা জব্দ করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সোমবার (০৪ মে) রাতে উপজেলার উত্তর সুবিদখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মো. শাখাওয়াত হোসেন, শুভেন্দু দাশ এবং এএসআই আরিফ ও জাহিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদ পান যে, উত্তর সুবিদখালীস্থ শাহজাহান ক্লিনিকের পশ্চিম পাশে জনৈক শহীদুল ইসলাম মেকারের দোকানে মাদক কেনাবেচা চলছে।
সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে রাত ১০:১০ মিনিটে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫) নামক এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ধৃত আসামি উত্তর সুবিদখালী গ্রামের মো. আলতাফ হোসেনের ছেলে।
আটকের পর উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আসামির দেহ ও দোকান তল্লাশি করে ৫০ (পঞ্চাশ) গ্রাম গাঁজা,মাদক বিক্রলব্ধ নগদ ১,০৫০/- (এক হাজার পঞ্চাশ) টাকা জব্দ করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাংবাদিক ও পরিবেশ, পর্যটনকর্মী আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষারের সভাপতিত্বে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদ, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু, টোয়াকের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ, শুটকি মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহমুদ, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহিন, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজুসহ স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, পরিবেশকর্মীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আরিফুল রহমান দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেই নয় বরং পুরো পর্যটন খাতের জন্যই ক্ষতিকর।
টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আরিফুল রহমান একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও নিবেদিতপ্রাণ। কুয়াকাটার উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং আরিফ রহমানের পাশে থাকবো।
বক্তারা অবিলম্বে এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয় এবং আরিফুর রহমানের সম্মান রক্ষায় সচেতন থাকার অনুরোধ করা হয়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাংবাদিক ও পরিবেশ, পর্যটনকর্মী আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষারের সভাপতিত্বে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদ, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু, টোয়াকের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ, শুটকি মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহমুদ, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহিন, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজুসহ স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, পরিবেশকর্মীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আরিফুল রহমান দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেই নয় বরং পুরো পর্যটন খাতের জন্যই ক্ষতিকর।
টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আরিফুল রহমান একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও নিবেদিতপ্রাণ। কুয়াকাটার উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং আরিফ রহমানের পাশে থাকবো।
বক্তারা অবিলম্বে এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয় এবং আরিফুর রহমানের সম্মান রক্ষায় সচেতন থাকার অনুরোধ করা হয়।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।