
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০
উখিয়া উপজেলার এক মাদ্রাসার দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় ছৈয়দা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছৈয়দা বেগম ওই এলাকার ছব্বির আহমদের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে টাইপালং মাদ্রাসার দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৬ মে) দুই পক্ষের মধ্যে আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় ছৈয়দা বেগম গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উখিয়া হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবার দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল উখিয়া হাসপাতালে অবস্থান করে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
উখিয়া উপজেলার এক মাদ্রাসার দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় ছৈয়দা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছৈয়দা বেগম ওই এলাকার ছব্বির আহমদের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে টাইপালং মাদ্রাসার দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৬ মে) দুই পক্ষের মধ্যে আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় ছৈয়দা বেগম গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উখিয়া হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবার দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল উখিয়া হাসপাতালে অবস্থান করে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

১৭ মে, ২০২৬ ১৭:২৫
ডিসি হতে চান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এ জন্য তিনি ৮ কোটি টাকার একটি চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সরওয়ার কামাল বলেছেন, স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র। গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে।
গতকাল শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। এই নোটিশের একটি কপি আগামীর সময়ের কাছে সংরক্ষিত আছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তার ভাষ্য, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করেছে।’
এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার।
এদিকে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেছেন, ‘এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি।’

১৭ মে, ২০২৬ ১৫:১৪
ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সাব্বির বিন শামসকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থানের পর শনিবার পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ব্যবহৃত বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলাও চলমান। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার অন্যতম প্রভাবশালী এই কর্মকর্তা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ (সিআরআই)-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর বাইরেও তিনি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিনিস্টার পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বাথ-এ পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড প্র্যাকটিস বিষয়ে ডক্টরাল গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

১৭ মে, ২০২৬ ১২:২৩
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ডিসি হতে চান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এ জন্য তিনি ৮ কোটি টাকার একটি চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সরওয়ার কামাল বলেছেন, স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র। গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে।
গতকাল শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। এই নোটিশের একটি কপি আগামীর সময়ের কাছে সংরক্ষিত আছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তার ভাষ্য, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করেছে।’
এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার।
এদিকে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেছেন, ‘এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি।’
ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সাব্বির বিন শামসকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থানের পর শনিবার পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ব্যবহৃত বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলাও চলমান। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার অন্যতম প্রভাবশালী এই কর্মকর্তা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ (সিআরআই)-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর বাইরেও তিনি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিনিস্টার পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বাথ-এ পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড প্র্যাকটিস বিষয়ে ডক্টরাল গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
কুড়িগ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি সেখানে ধান সংরক্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শনিবার (১৬ মে) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের খামার হলোখানা মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সাবেক সভাপতির এমন কাণ্ড নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে এসে দেখে মেঝেতে ধান ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। সেই অবস্থায়ই তারা পাঠগ্রহণ শুরু করে। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামছুল হক তার লোকজন নিয়ে এসে শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেন। শিক্ষার্থীরা তখন প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানালেও তিনি আমলে নেননি।
একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বাইরে এসে এলাকাবাসীকে বিষয়টি অবহিত করে। এলাকার কেউ কেউ ঘটনা ভিডিও করতে গেলে সাবেক সভাপতি তাদের বাধা দেন এবং বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে ধান রাখার কারণে পাঠগ্রহণের পরিবেশ ছিল না এবং পরে তাদের বের করেও দেওয়া হয়।
স্থানীয় সবুজ মিয়া, শামীম আহমেদসহ অনেকে জানান, সাবেক সভাপতি শামছুল হক প্রভাবশালী হওয়ায় বিদ্যালয়টিতে মাঝেমধ্যেই বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেন। পুরো মৌসুমজুড়ে বিদ্যালয়ের মাঠে ধান মাড়াই, ধান-খড় শুকানো ও শ্রেণিকক্ষে ধান সংরক্ষণ তার নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে।
এমনকি তাঁর জমিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কর্মসূচির রুটি ও নাশতা জোর করে নিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকদের বাড়ি দূর-দূরান্তে হওয়ায় তারা এর প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম রসুল জানান, সাবেক সভাপতি গত বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে শ্রেণিকক্ষে ধান রাখার বিষয়টি জানান। সে কারণে তাঁকে ধান রাখতে দেওয়া হয়। শনিবার ক্লাস শুরুর আগেই ধান সরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
সাবেক সভাপতি শামছুল হক বলেন, বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও সাবেক সভাপতি হিসেবে শিক্ষকের অনুমতি নিয়েই ধান রেখেছি। তবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির রুটি বা নাশতা শ্রমিকদের খাওয়ানোর তথ্য সঠিক নয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) জাহেদুল ইসলাম বলেন, ক্লাস্টারের আওতাধীন বিদ্যালয়টিতে ধান রাখাসহ এ ধরনের কার্যক্রম মোটেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে কারণ দর্শাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, খামার হলোখানা মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার কোনো বিদ্যালয়েই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজের সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুড়িগ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি সেখানে ধান সংরক্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শনিবার (১৬ মে) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের খামার হলোখানা মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সাবেক সভাপতির এমন কাণ্ড নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে এসে দেখে মেঝেতে ধান ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। সেই অবস্থায়ই তারা পাঠগ্রহণ শুরু করে। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শামছুল হক তার লোকজন নিয়ে এসে শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেন। শিক্ষার্থীরা তখন প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানালেও তিনি আমলে নেননি।
একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বাইরে এসে এলাকাবাসীকে বিষয়টি অবহিত করে। এলাকার কেউ কেউ ঘটনা ভিডিও করতে গেলে সাবেক সভাপতি তাদের বাধা দেন এবং বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে ধান রাখার কারণে পাঠগ্রহণের পরিবেশ ছিল না এবং পরে তাদের বের করেও দেওয়া হয়।
স্থানীয় সবুজ মিয়া, শামীম আহমেদসহ অনেকে জানান, সাবেক সভাপতি শামছুল হক প্রভাবশালী হওয়ায় বিদ্যালয়টিতে মাঝেমধ্যেই বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেন। পুরো মৌসুমজুড়ে বিদ্যালয়ের মাঠে ধান মাড়াই, ধান-খড় শুকানো ও শ্রেণিকক্ষে ধান সংরক্ষণ তার নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে।
এমনকি তাঁর জমিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কর্মসূচির রুটি ও নাশতা জোর করে নিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকদের বাড়ি দূর-দূরান্তে হওয়ায় তারা এর প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম রসুল জানান, সাবেক সভাপতি গত বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে শ্রেণিকক্ষে ধান রাখার বিষয়টি জানান। সে কারণে তাঁকে ধান রাখতে দেওয়া হয়। শনিবার ক্লাস শুরুর আগেই ধান সরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
সাবেক সভাপতি শামছুল হক বলেন, বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও সাবেক সভাপতি হিসেবে শিক্ষকের অনুমতি নিয়েই ধান রেখেছি। তবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির রুটি বা নাশতা শ্রমিকদের খাওয়ানোর তথ্য সঠিক নয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) জাহেদুল ইসলাম বলেন, ক্লাস্টারের আওতাধীন বিদ্যালয়টিতে ধান রাখাসহ এ ধরনের কার্যক্রম মোটেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে কারণ দর্শাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, খামার হলোখানা মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার কোনো বিদ্যালয়েই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজের সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।