
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৪
বাঁশের লাঠি ও গাবের কচা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের বেতাগী উপজেলা শাখার সভাপতি ক্বারী বশির উদ্দিন জেহাদি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকায় বরগুনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের নির্বাচনি জনসভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
বশির উদ্দিন জেহাদি বলেন, সংগ্রামী দেশবাসী আপনারা এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আপনারা এমনভাবে অবস্থান করবেন, বাঁশের লাঠি আর গাবের কচা নিয়ে প্রত্যেকটা সেন্টারকে এমনভাবে পাহারা দেবেন, জাল ভোট হতে দেবেন না। প্রয়োজন বোধে আপনার-আমার রক্তের বিনিময়ে হলেও সত্য ভোট দেবো, সহিহ ভোট দিবো।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করুন, জাল ভোট চলবে না। এমন একটি নির্বাচন হবে- কখনো মানুষ তা চিন্তাও করেনি, আর করবেও না।
এদিকে জনসভায় ভোটকেন্দ্রে বাঁশের লাঠি নিয়ে অবস্থান করার বিষয়টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে কি না জানতে চাইলে বশির উদ্দিন জেহাদি বলেন, আমি মূলত বুঝাতে চেয়েছি, যাতে জাল ভোট কেউ দিতে না পারে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম না করতে পারে- এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য বলছি। এ ধরনের বক্তব্য যে নির্বাচনি আচরণ বিধিমালার লঙ্ঘন, তা আমি জানতাম না। এটা আমার ভুল হয়েছে। আগামীতে আর এরকম হবে না।
বাঁশের লাঠি ও গাবের কচা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের বেতাগী উপজেলা শাখার সভাপতি ক্বারী বশির উদ্দিন জেহাদি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকায় বরগুনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের নির্বাচনি জনসভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
বশির উদ্দিন জেহাদি বলেন, সংগ্রামী দেশবাসী আপনারা এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আপনারা এমনভাবে অবস্থান করবেন, বাঁশের লাঠি আর গাবের কচা নিয়ে প্রত্যেকটা সেন্টারকে এমনভাবে পাহারা দেবেন, জাল ভোট হতে দেবেন না। প্রয়োজন বোধে আপনার-আমার রক্তের বিনিময়ে হলেও সত্য ভোট দেবো, সহিহ ভোট দিবো।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করুন, জাল ভোট চলবে না। এমন একটি নির্বাচন হবে- কখনো মানুষ তা চিন্তাও করেনি, আর করবেও না।
এদিকে জনসভায় ভোটকেন্দ্রে বাঁশের লাঠি নিয়ে অবস্থান করার বিষয়টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে কি না জানতে চাইলে বশির উদ্দিন জেহাদি বলেন, আমি মূলত বুঝাতে চেয়েছি, যাতে জাল ভোট কেউ দিতে না পারে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম না করতে পারে- এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য বলছি। এ ধরনের বক্তব্য যে নির্বাচনি আচরণ বিধিমালার লঙ্ঘন, তা আমি জানতাম না। এটা আমার ভুল হয়েছে। আগামীতে আর এরকম হবে না।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
শুধু সৎ ও যোগ্য লোক দিয়ে সরকার চলে না বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ। তিনি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার পক্ষে। জামায়াতে ইসলামী কোনো হিন্দুর বাড়ি-জমি দখল করেনি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় একথা বলেন তিনি। নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, ‘মানুষের এবার চেতনা দুর্নীতিমুক্ত। দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে জামায়াতে ইসলামী দরকার। সৎ এবং যোগ্য লোক দরকার। এই জিনিসটি অন্যরাও করেছে, তবে জামায়াতে ইসলামী ব্যাপকভাবে করতে পেরেছে।
তবে শুধু সৎ লোক দিয়ে সরকার চলে না, মিনিস্ট্রি চলে না, ইউনিভার্সিটি চলে না। শুধু যোগ্য লোক দিয়েও চলে না। বাংলাদেশে যোগ্য লোকের অভাব নেই। কিন্তু দুর্নীতিও দূর হয় না, দেশেরও উন্নয়ন হয় না। কেন হয় না? দুর্নীতি প্রতিটি জায়গায়।’
জনসভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সনাতন ধর্মীয় ভাইয়েরা, আগে আমাদের বিপক্ষে একটা কথা সবসময় ছড়ানো হতো যে আমরা হিন্দুবিদ্বেষী। আলহামদুলিল্লাহ, শুধু স্বাধীনের পর নয় ১৯৪৭ এর পর থেকে পরিসংখ্যান নিয়ে দেখা গেছে- এ দেশে জামায়াতে ইসলাম তো বটেই, কোনো আলেম-ওলামা কোনো হিন্দুর বাড়ি দখল করেনি, কোনো হিন্দু নারীর প্রতি কটাক্ষ করেনি, কোনো হিন্দুর জমি দখল করেনি। আমরা স্বাধীনতার পক্ষে, আমরা ন্যায়ের পক্ষে, আমরা মুক্তির পক্ষে। আসুন, আমরা আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গঠন করি।’
জনসভায় নিজের প্রসঙ্গে ডা. সুলতান বলেন, ‘সব লোকে বলে- ভালো মানুষ, সবাই বলে- লোকটা সৎ, নীতিবান, সাদা মনের মানুষ- এতে কেউ সন্দেহ করে না। এরকম একজন প্রার্থীকে পেয়েও যদি আপনারা কাজে লাগাতে না পারেন, তাহলে পাথরঘাটাকে দোষ দিয়ে লাভ কী? বামনাকে দোষ দিয়ে লাভ কী? বরগুনার মানুষকে দোষ দিয়ে লাভ কী? দোষী তো আমরা, আপনারা, নিজেরা।’
শুধু সৎ ও যোগ্য লোক দিয়ে সরকার চলে না বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ। তিনি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার পক্ষে। জামায়াতে ইসলামী কোনো হিন্দুর বাড়ি-জমি দখল করেনি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় একথা বলেন তিনি। নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, ‘মানুষের এবার চেতনা দুর্নীতিমুক্ত। দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে জামায়াতে ইসলামী দরকার। সৎ এবং যোগ্য লোক দরকার। এই জিনিসটি অন্যরাও করেছে, তবে জামায়াতে ইসলামী ব্যাপকভাবে করতে পেরেছে।
তবে শুধু সৎ লোক দিয়ে সরকার চলে না, মিনিস্ট্রি চলে না, ইউনিভার্সিটি চলে না। শুধু যোগ্য লোক দিয়েও চলে না। বাংলাদেশে যোগ্য লোকের অভাব নেই। কিন্তু দুর্নীতিও দূর হয় না, দেশেরও উন্নয়ন হয় না। কেন হয় না? দুর্নীতি প্রতিটি জায়গায়।’
জনসভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সনাতন ধর্মীয় ভাইয়েরা, আগে আমাদের বিপক্ষে একটা কথা সবসময় ছড়ানো হতো যে আমরা হিন্দুবিদ্বেষী। আলহামদুলিল্লাহ, শুধু স্বাধীনের পর নয় ১৯৪৭ এর পর থেকে পরিসংখ্যান নিয়ে দেখা গেছে- এ দেশে জামায়াতে ইসলাম তো বটেই, কোনো আলেম-ওলামা কোনো হিন্দুর বাড়ি দখল করেনি, কোনো হিন্দু নারীর প্রতি কটাক্ষ করেনি, কোনো হিন্দুর জমি দখল করেনি। আমরা স্বাধীনতার পক্ষে, আমরা ন্যায়ের পক্ষে, আমরা মুক্তির পক্ষে। আসুন, আমরা আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গঠন করি।’
জনসভায় নিজের প্রসঙ্গে ডা. সুলতান বলেন, ‘সব লোকে বলে- ভালো মানুষ, সবাই বলে- লোকটা সৎ, নীতিবান, সাদা মনের মানুষ- এতে কেউ সন্দেহ করে না। এরকম একজন প্রার্থীকে পেয়েও যদি আপনারা কাজে লাগাতে না পারেন, তাহলে পাথরঘাটাকে দোষ দিয়ে লাভ কী? বামনাকে দোষ দিয়ে লাভ কী? বরগুনার মানুষকে দোষ দিয়ে লাভ কী? দোষী তো আমরা, আপনারা, নিজেরা।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.