
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:০০
বাউফলে মাদকের টাকা নিয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরোধ; একজনের মাথা থেতলে দেওয়ার অভিযোগ মোঃ জসীম উদ্দিন, বাউফল (পটুয়াখালী) পটুয়াখালীর বাউফলে মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রেশাদ সরদার (২২) নামে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা থেতলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই চাচাতো ভাই শাহিন সরদারের (২৬) বিরুদ্ধে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অচেতন অবস্থায় সড়কের পাশে পেয়ে স্থানীয়রা আহত রেশাদকে উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শাহিন ও আহত রেশাদ দুজনেই ইয়াবা কারবারে জড়িত ছিলেন। মাদক সংক্রান্ত লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরোধ চলছিল। কয়েকদিন আগে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন তাদের চাচা ও স্থানীয় দফাদার ইউনুস সরদার, তবে কোনো মীমাংসা হয়নি। বুধবার রাতে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শাহিন লোহার রড দিয়ে রেশাদের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
এ বিষয়ে দফাদার ইউনুস সরদার বলেন, “মীমাংসা করতে বাড়ির আরও কয়েকজন নিয়ে বসেছিলাম। কিন্তু ওদের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। সত্য ঘটনাও কেউ বলেনি তখন। আজকের ঘটনার বিষয়ে শুনেছি, বিস্তারিত জানি না।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. গোলাম মুস্তাহিদ তাশরিফ বলেন, “আহতের মাথার পেছনের একটি অংশ থেতলে গেছে এবং ওপরের অংশে গভীর কাটা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমাট আঘাত ছিলো।
মাথার বিভিন্ন স্থানে কাটা জখম থাকায় সেলাই করা সম্ভব হয়নি। রক্ত বন্ধ করার ব্যবস্থা করে, দ্রুত তাকে বরিশাল পাঠানো হয়েছে। সিটি স্ক্যানের পর তার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।”
এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।”
বাউফলে মাদকের টাকা নিয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরোধ; একজনের মাথা থেতলে দেওয়ার অভিযোগ মোঃ জসীম উদ্দিন, বাউফল (পটুয়াখালী) পটুয়াখালীর বাউফলে মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রেশাদ সরদার (২২) নামে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা থেতলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই চাচাতো ভাই শাহিন সরদারের (২৬) বিরুদ্ধে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অচেতন অবস্থায় সড়কের পাশে পেয়ে স্থানীয়রা আহত রেশাদকে উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শাহিন ও আহত রেশাদ দুজনেই ইয়াবা কারবারে জড়িত ছিলেন। মাদক সংক্রান্ত লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরোধ চলছিল। কয়েকদিন আগে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন তাদের চাচা ও স্থানীয় দফাদার ইউনুস সরদার, তবে কোনো মীমাংসা হয়নি। বুধবার রাতে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শাহিন লোহার রড দিয়ে রেশাদের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
এ বিষয়ে দফাদার ইউনুস সরদার বলেন, “মীমাংসা করতে বাড়ির আরও কয়েকজন নিয়ে বসেছিলাম। কিন্তু ওদের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। সত্য ঘটনাও কেউ বলেনি তখন। আজকের ঘটনার বিষয়ে শুনেছি, বিস্তারিত জানি না।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. গোলাম মুস্তাহিদ তাশরিফ বলেন, “আহতের মাথার পেছনের একটি অংশ থেতলে গেছে এবং ওপরের অংশে গভীর কাটা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমাট আঘাত ছিলো।
মাথার বিভিন্ন স্থানে কাটা জখম থাকায় সেলাই করা সম্ভব হয়নি। রক্ত বন্ধ করার ব্যবস্থা করে, দ্রুত তাকে বরিশাল পাঠানো হয়েছে। সিটি স্ক্যানের পর তার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।”
এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।”
৩০ জুন, ২০২৬ ২৩:২৭
৩০ জুন, ২০২৬ ২২:৪৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
৩০ জুন, ২০২৬ ১৯:০৯

৩০ জুন, ২০২৬ ২২:৪৩
বাউফল উপজেলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান উপজেলা ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রথমে কালাইয়া মোল্লা মাকের্ট এলাকায় পরে দাসপাড়া বাসস্টান্ড এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় আল মামুন নামে এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এএনএম জাহাঙ্গির হোসেনকে প্রধান করে ৪০জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জন আসামি করা হয়। একই মামলায় ছাত্রশিবির নেতা মো. ইমরান হোসেনকেও আসামি করা হয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বাউফল উপজেলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের কাপুরিয়াপট্টি এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমরান উপজেলা ছাত্রশিবিরের কালাইয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রথমে কালাইয়া মোল্লা মাকের্ট এলাকায় পরে দাসপাড়া বাসস্টান্ড এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় আল মামুন নামে এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এএনএম জাহাঙ্গির হোসেনকে প্রধান করে ৪০জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জন আসামি করা হয়। একই মামলায় ছাত্রশিবির নেতা মো. ইমরান হোসেনকেও আসামি করা হয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.