আটকের প্রায় তিন ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বরিশাল মহানগর আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ দলটির ছয় নেতাকর্মী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন দলটির নেতাকর্মীরা। এ সময় হাবুলসহ কয়েকজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে নগরীর জেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করলে সেখান থেকে হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর হাবুলের সঙ্গে দেখা করতে থানায় গেলে জাতীয় পার্টির আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
আটকের সময় হাবুল অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে তাঁরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের বিক্ষোভ মিছিল করতে দেওয়া হয়নি।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ছয় নেতাকর্মীর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, হাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁকে কোনো মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৩৪
বরিশাল নগরীতে এক তরুণীর আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে একটি ভাড়া বাসা থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই তরুণীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শামিমা খাতুন (২২), গাইবান্ধা সদরের জান্নাত আক্তার (২২) এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার আব্দুল্লাহ আল ফারুক (৩১)।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় যায় পুলিশ। সেখানে একটি কক্ষে এক যুবক ও দুই তরুণীকে দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। এ সময় তাঁদের মধ্যে একজন তরুণী ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন।
পরে পুলিশ ওই তরুণীকে নিবৃত্ত করে। তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে দুই তরুণীর ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় ব্যাগ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুই তরুণী গত সোমবার নারায়ণগঞ্জ থেকে ইয়াবা নিয়ে বরিশালে আসেন। তাঁরা নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।
ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় থাকা মিজান মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত এবং নগরীর মাদকসেবীদের কাছে খুচরা পর্যায়ে ইয়াবা বিক্রি করেন।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীতে এক তরুণীর আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে একটি ভাড়া বাসা থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই তরুণীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শামিমা খাতুন (২২), গাইবান্ধা সদরের জান্নাত আক্তার (২২) এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার আব্দুল্লাহ আল ফারুক (৩১)।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় যায় পুলিশ। সেখানে একটি কক্ষে এক যুবক ও দুই তরুণীকে দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। এ সময় তাঁদের মধ্যে একজন তরুণী ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন।
পরে পুলিশ ওই তরুণীকে নিবৃত্ত করে। তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে দুই তরুণীর ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় ব্যাগ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুই তরুণী গত সোমবার নারায়ণগঞ্জ থেকে ইয়াবা নিয়ে বরিশালে আসেন। তাঁরা নগরীর কালুখান সড়কের একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।
ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় থাকা মিজান মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত এবং নগরীর মাদকসেবীদের কাছে খুচরা পর্যায়ে ইয়াবা বিক্রি করেন।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩০
জাতীয় পার্টি বরিশালের নেতা মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের আগমুহূর্তে তাকে সদর রোড থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মহশিন উল ইসলাম হাবুল তাদের হেফাজতে আছেন। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনার আলোকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে, জানান ওসি।’
জাতীয় পার্টি বরিশালের নেতা মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের আগমুহূর্তে তাকে সদর রোড থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মহশিন উল ইসলাম হাবুল তাদের হেফাজতে আছেন। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনার আলোকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে, জানান ওসি।’

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধভাবে আটক এবং তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক রাজমিস্ত্রি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক এ আদেশ দেন। মামলার বাদী বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি জালিছ মাহমুদ।
মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদকে সুনির্দিষ্ট আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জালিছ মাহমুদ তাঁর স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৪২৩/২০২৫ নম্বরে মামলা করেন পপি। ওই মামলায় বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সব টাকা পরিশোধের পর বিচার শেষে খালাস পান জালিছ।
জালিছ ও পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে হুমায়রা জান্নাত নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। তালাকের পর পপি অন্যত্র বিয়ে করলে শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ওসির নির্দেশে এসআই জাহিদ চার-পাঁচজন পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে জালিছকে আটক করতে যান। এ সময় বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁকে পেয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, সাবেক স্ত্রীর দায়ের করা মামলার কথা বলে জালিছকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওসির নির্দেশে কন্যাসন্তানকে সাবেক স্ত্রী পপির জিম্মায় দেওয়া হয়।
থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর জালিছ বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। মামলায় আইনগত অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, শিশুটির বয়স দুই বছর আট মাস এবং সে খুব অসুস্থ। মাতৃস্নেহে ও চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তাকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধভাবে আটক এবং তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক রাজমিস্ত্রি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক এ আদেশ দেন। মামলার বাদী বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি জালিছ মাহমুদ।
মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদকে সুনির্দিষ্ট আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জালিছ মাহমুদ তাঁর স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৪২৩/২০২৫ নম্বরে মামলা করেন পপি। ওই মামলায় বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সব টাকা পরিশোধের পর বিচার শেষে খালাস পান জালিছ।
জালিছ ও পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে হুমায়রা জান্নাত নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। তালাকের পর পপি অন্যত্র বিয়ে করলে শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ওসির নির্দেশে এসআই জাহিদ চার-পাঁচজন পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে জালিছকে আটক করতে যান। এ সময় বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁকে পেয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, সাবেক স্ত্রীর দায়ের করা মামলার কথা বলে জালিছকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওসির নির্দেশে কন্যাসন্তানকে সাবেক স্ত্রী পপির জিম্মায় দেওয়া হয়।
থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর জালিছ বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। মামলায় আইনগত অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, শিশুটির বয়স দুই বছর আট মাস এবং সে খুব অসুস্থ। মাতৃস্নেহে ও চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তাকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:২৫
আটকের প্রায় তিন ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বরিশাল মহানগর আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ দলটির ছয় নেতাকর্মী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন দলটির নেতাকর্মীরা। এ সময় হাবুলসহ কয়েকজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে নগরীর জেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করলে সেখান থেকে হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর হাবুলের সঙ্গে দেখা করতে থানায় গেলে জাতীয় পার্টির আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
আটকের সময় হাবুল অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে তাঁরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের বিক্ষোভ মিছিল করতে দেওয়া হয়নি।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ছয় নেতাকর্মীর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, হাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁকে কোনো মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:২৫
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:০৯
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৩