
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশের মানুষ যেখানে সমব্যথী, সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মন্তব্য গভীরভাবে নিন্দনীয়। তিনি বলেন, সিইসিকে তার বক্তব্য ও অবস্থান নিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একজন বিপ্লবী আহত হলে সরকার সর্তকভাবে পদক্ষেপ নেবে—এমন সরকার আমরা চাই। ৫৪ বছরের বেশি সময় ধরে জাতির ভাগ্য চোরাবালির মধ্যে আটকে ছিল। অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে ঐক্য গঠিত হয়েছে, সেটিকে ধরে রেখে দেশের সামনে এগিয়ে
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করবে এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নেবে। ফ্যাসিবাদে অনেকেই আপস করেছে, কিন্তু জামায়াত কখনও আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের সমালোচনা করা যায়, কিন্তু খণ্ডিত বা বিভ্রান্তিকরভাবে বক্তব্য প্রচার করে আমাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানো যাবে না। ন্যায্য ও সত্য সমালোচনা আমরা গ্রহণ করব, তবে জাতির ক্ষতি হবে এমন সাংবাদিকতা করা উচিত নয়।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এখনও পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। যারা ক্ষমতায় ছিল তারা নিজেদের ভাগ্য বদলাতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি জানান।
অন্য সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম বলেন, গত ৫৪ বছরেও দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। শাসকদের কারণে জাতি বারবার বিভক্ত হয়েছে এবং অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত ঐক্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় হাদির ওপর হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশের মানুষ যেখানে সমব্যথী, সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মন্তব্য গভীরভাবে নিন্দনীয়। তিনি বলেন, সিইসিকে তার বক্তব্য ও অবস্থান নিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একজন বিপ্লবী আহত হলে সরকার সর্তকভাবে পদক্ষেপ নেবে—এমন সরকার আমরা চাই। ৫৪ বছরের বেশি সময় ধরে জাতির ভাগ্য চোরাবালির মধ্যে আটকে ছিল। অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে ঐক্য গঠিত হয়েছে, সেটিকে ধরে রেখে দেশের সামনে এগিয়ে
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করবে এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নেবে। ফ্যাসিবাদে অনেকেই আপস করেছে, কিন্তু জামায়াত কখনও আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের সমালোচনা করা যায়, কিন্তু খণ্ডিত বা বিভ্রান্তিকরভাবে বক্তব্য প্রচার করে আমাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানো যাবে না। ন্যায্য ও সত্য সমালোচনা আমরা গ্রহণ করব, তবে জাতির ক্ষতি হবে এমন সাংবাদিকতা করা উচিত নয়।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এখনও পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। যারা ক্ষমতায় ছিল তারা নিজেদের ভাগ্য বদলাতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি জানান।
অন্য সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম বলেন, গত ৫৪ বছরেও দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। শাসকদের কারণে জাতি বারবার বিভক্ত হয়েছে এবং অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত ঐক্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় হাদির ওপর হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.