কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। এ কারণে মামলা–মোকদ্দমার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করতেও মামলা করা হয়। অনেকে আবার মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়ে থাকেন। মিথ্যা মামলা করা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া—দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
মিথ্যা অভিযোগকারী কিংবা মামলা দায়েরকারী বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো, ওই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে হবে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের যদি মনে হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন, তুচ্ছ, বিরক্তিকর বা হয়রানিমূলক এবং আসামির প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে মামলাটি করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের মামলা মিথ্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। মামলা মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীকে দণ্ড দিতে পারেন। এ ছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে পারেন।
মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি আদালত মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারেন। আমলযোগ্য নয় এ রকম কোনো মামলায় কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার সাজা হলো—দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় ধরনের দণ্ড। যদি মিথ্যা মামলা কোনো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয়, তাহলে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী বা বাদী সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়দের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এর সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা যাবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।’
আমাদের দেশে সাধারণত হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সবার পক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। আদালতগুলো যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে এ কাজটি করতেন, তাহলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতেন, আরেক দিকে মামলাজটও কমত।
যদি কেউ আদালতে শপথ করার পরেও মিথ্যা সাক্ষ? দেন তবে তিনি শাস্তি পেতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে, ওই ব্যক্তি সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারী তিন বছরের কারদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে বা সাক্ষ্য বিকৃত করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধে কাউকে দণ্ডিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখলে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করার ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ৵দানকারীকে আদালত মৃতুদণ্ড এবং ইতিপূর্বে বর্ণিত অন্যান্য দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন।’

৩০ জুলাই, ২০২৬ ২২:১২
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:০৯

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৮

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪০
কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। এ কারণে মামলা–মোকদ্দমার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করতেও মামলা করা হয়। অনেকে আবার মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়ে থাকেন। মিথ্যা মামলা করা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া—দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
মিথ্যা অভিযোগকারী কিংবা মামলা দায়েরকারী বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো, ওই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে হবে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের যদি মনে হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন, তুচ্ছ, বিরক্তিকর বা হয়রানিমূলক এবং আসামির প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে মামলাটি করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের মামলা মিথ্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। মামলা মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীকে দণ্ড দিতে পারেন। এ ছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে পারেন।
মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি আদালত মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারেন। আমলযোগ্য নয় এ রকম কোনো মামলায় কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার সাজা হলো—দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় ধরনের দণ্ড। যদি মিথ্যা মামলা কোনো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয়, তাহলে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী বা বাদী সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়দের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এর সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা যাবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।’
আমাদের দেশে সাধারণত হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সবার পক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। আদালতগুলো যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে এ কাজটি করতেন, তাহলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতেন, আরেক দিকে মামলাজটও কমত।
যদি কেউ আদালতে শপথ করার পরেও মিথ্যা সাক্ষ? দেন তবে তিনি শাস্তি পেতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে, ওই ব্যক্তি সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারী তিন বছরের কারদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে বা সাক্ষ্য বিকৃত করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধে কাউকে দণ্ডিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখলে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করার ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ৵দানকারীকে আদালত মৃতুদণ্ড এবং ইতিপূর্বে বর্ণিত অন্যান্য দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন।’
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ছত্তিশগড়ে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ থেকে আগামী ৫ দিন বরিশালসহ সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ছত্তিশগড়ে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ থেকে আগামী ৫ দিন বরিশালসহ সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’