
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২২
নিয়মিত অফিস না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ফাইল ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারের ডাকবাংলায় দিনের পর দিন পরে থাকায় চরম ভোগান্তি পহাচ্ছে সেবা গৃহীতারা।
তার উপরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পরার পর সিটি কর্পোরেশনের দিকে আরো বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন বিসিসির প্রশাসক।
এর সাথে যোগ হয়েছে বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং ঠিকাদারদের উৎপাত। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে একটি বিশৃংখল পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা, বিদ্যুৎ শাখা, ট্রেড লাইসেন্স শাখা, হাট বাজার শাখা, কর আদায় শাখা, একাউন্টস শাখা সহ বিভিন্ন শাখার ফাইল প্রশাসকের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় ১০/১৫ দিন ধরে পড়ে আছে। তার স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে ফাইল গুলো নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারায় গ্রাহকরা কোন সন্তোষজনক সমাধান পাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শাখা প্রধান জানিয়েছেন, প্রশাসক স্যারের ডাকবাংলায় ফাইল জমা দিয়ে আসছি।
সিও, সচিব স্যারের স্বাক্ষর হয়েছে কিন্তু প্রশাসক স্যার স্বাক্ষর না করায় সেবা গৃহীতারা অফিসে আসছে আর কাজ না হওয়ায় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। এর আগের প্রশাসক স্যার ছুটির দিনেও কাজ করতেন। সাহস নিয়ে যে কোন সমস্যা নিজে প্রয়োজনে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করতেন। কিন্তু বর্তমান স্যার সিটি কর্পোরেশনের দিকে অমনোযোগী।
এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই বিএনপিপন্থী সাবেক কমিশনার এবং বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার সৈয়দ আকবর ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমান টিপু কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর প্রায়ই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও প্রকৌশলীদের রুমে গিয়ে তাদের বিরক্ত করেন। ঠিকাদারী কাজ দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
এমনকি এই সুযোগে গেল ১৫/২০ বছর আগের ঠিকাদারি বিল উত্তোলনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের সিইও এবং বিভাগীয় কমিশনারকেও নানাভাবে প্রেসার করছেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বৈঠক করতে বাধ্য করেন। পিওনকে কাউকে ভেতরে ঢুকতে নিষেধও করে দেয়া হয় সে সময়।
বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান সরোয়ারের লোক পরিচয় দিয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর হোসেন সহ কয়েকজন একাউন্টস শাখাতে গিয়েও ঘুরঘুর করেন।
এমন কি মজিবর রহমান সারোয়ারকে দিয়ে সুপারিশ করানোরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। হঠাৎ সিটি কর্পোরেশনে তাদের এই আনাগোনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা শাখা প্রধানদের কাছে কেউ স্টল নেওয়ার তদবির, কেউ প্লান ছাড়ানোর তদবির, কেউ টিউবওয়েল এর তদবির, কেউ ট্যাক্স কমানোর তদবির, কেউ কবে টেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা তার খবর নিতে ছুটে যাচ্ছেন। শাখা প্রধানরা বলছেন, বিরক্ত হওয়ার উপায়ও নাই। তাদের দল ক্ষমতায়। কিছু বললে উল্টো চাকরি যাওয়ার হুমকি।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি জানান, কোন ফাইল পরে থাকে না। স্যার তার সময় সুযোগ মতো সবগুলোই স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন। বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং নেতাকর্মীদের উৎপাতের বিষয়ে জানান, একেকজন একেকটা কাজে আসেন। আমি তো আর কাউকে চলে যেতে বলতে পারিনা। প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে বিসিসির ফাইল পরে থাকার বিষয়ে জানতে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নিয়মিত অফিস না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ফাইল ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারের ডাকবাংলায় দিনের পর দিন পরে থাকায় চরম ভোগান্তি পহাচ্ছে সেবা গৃহীতারা।
তার উপরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পরার পর সিটি কর্পোরেশনের দিকে আরো বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন বিসিসির প্রশাসক।
এর সাথে যোগ হয়েছে বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং ঠিকাদারদের উৎপাত। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে একটি বিশৃংখল পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা, বিদ্যুৎ শাখা, ট্রেড লাইসেন্স শাখা, হাট বাজার শাখা, কর আদায় শাখা, একাউন্টস শাখা সহ বিভিন্ন শাখার ফাইল প্রশাসকের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় ১০/১৫ দিন ধরে পড়ে আছে। তার স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে ফাইল গুলো নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারায় গ্রাহকরা কোন সন্তোষজনক সমাধান পাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শাখা প্রধান জানিয়েছেন, প্রশাসক স্যারের ডাকবাংলায় ফাইল জমা দিয়ে আসছি।
সিও, সচিব স্যারের স্বাক্ষর হয়েছে কিন্তু প্রশাসক স্যার স্বাক্ষর না করায় সেবা গৃহীতারা অফিসে আসছে আর কাজ না হওয়ায় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। এর আগের প্রশাসক স্যার ছুটির দিনেও কাজ করতেন। সাহস নিয়ে যে কোন সমস্যা নিজে প্রয়োজনে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করতেন। কিন্তু বর্তমান স্যার সিটি কর্পোরেশনের দিকে অমনোযোগী।
এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই বিএনপিপন্থী সাবেক কমিশনার এবং বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার সৈয়দ আকবর ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমান টিপু কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর প্রায়ই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও প্রকৌশলীদের রুমে গিয়ে তাদের বিরক্ত করেন। ঠিকাদারী কাজ দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
এমনকি এই সুযোগে গেল ১৫/২০ বছর আগের ঠিকাদারি বিল উত্তোলনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের সিইও এবং বিভাগীয় কমিশনারকেও নানাভাবে প্রেসার করছেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বৈঠক করতে বাধ্য করেন। পিওনকে কাউকে ভেতরে ঢুকতে নিষেধও করে দেয়া হয় সে সময়।
বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান সরোয়ারের লোক পরিচয় দিয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর হোসেন সহ কয়েকজন একাউন্টস শাখাতে গিয়েও ঘুরঘুর করেন।
এমন কি মজিবর রহমান সারোয়ারকে দিয়ে সুপারিশ করানোরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। হঠাৎ সিটি কর্পোরেশনে তাদের এই আনাগোনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা শাখা প্রধানদের কাছে কেউ স্টল নেওয়ার তদবির, কেউ প্লান ছাড়ানোর তদবির, কেউ টিউবওয়েল এর তদবির, কেউ ট্যাক্স কমানোর তদবির, কেউ কবে টেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা তার খবর নিতে ছুটে যাচ্ছেন। শাখা প্রধানরা বলছেন, বিরক্ত হওয়ার উপায়ও নাই। তাদের দল ক্ষমতায়। কিছু বললে উল্টো চাকরি যাওয়ার হুমকি।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি জানান, কোন ফাইল পরে থাকে না। স্যার তার সময় সুযোগ মতো সবগুলোই স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন। বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং নেতাকর্মীদের উৎপাতের বিষয়ে জানান, একেকজন একেকটা কাজে আসেন। আমি তো আর কাউকে চলে যেতে বলতে পারিনা। প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে বিসিসির ফাইল পরে থাকার বিষয়ে জানতে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।