পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪
বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ। বুধবার সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে মাছটির দাম ওঠে ৭ হাজার ২০০ টাকা। প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা হিসেবে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটা মা-মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান।
মাছটি নিয়ে আসা জেলে সোহরাফ গাজী জানান, মঙ্গলবার পায়রা বন্দর সংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীর সমুদ্রে জাল ফেলেছিলেন তিনি। জাল তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় ইলিশটি উঠে আসে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন সোহরাফ গাজী। পরে প্রকাশ্য নিলামে প্রতি কেজি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মণ দরে মাছটির দাম নির্ধারণ হয়।
জেলে সোহরাফ গাজী বলেন, প্রায় এক দশক ধরে বঙ্গোপসাগরের গভীরে গিয়ে মাছ ধরছেন তিনি। তার ভাষ্য, সাধারণত এত বড় ইলিশ জালে পাওয়া যায় না। প্রায় সাত বছর পর এবার আবার বড় আকৃতির একটি ইলিশ পেয়েছেন তিনি।
মাছটির ক্রেতা কুয়াকাটা মা-মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান বলেন, বাজারে বর্তমানে এ আকারের ইলিশ খুব বেশি পাওয়া যায় না। এ কারণে নিলামে মাছটি কিনেছেন। মাছটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসীর ভাইয়ের বাড়িতে পাঠানো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বড় ইলিশ বাজারে উঠলেও এর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। জামাল ঘরামি বলেন, প্রতি কেজি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দিয়ে ইলিশ কেনা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কঠিন। আগে বছরে অন্তত একবার ইলিশ কেনা সম্ভব হলেও এখন সেটি অনেকের কাছে স্বপ্নের মতো।
মৎস্যবিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার জানান, ছোট ইলিশ নির্বিচারে আহরণ, নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইসগেটের কারণে অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং সহ-ব্যবস্থাপনার ঘাটতি বড় ইলিশের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ ছাড়া পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের স্বল্পতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার পরিবর্তনের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলোও ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের বড় ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক বিষয়। তার মতে, এটি ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার সুফলের একটি দিক হতে পারে। বড় ইলিশে তুলনামূলক বেশি ফ্যাট থাকায় এতে ওমেগা-৩ ও বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। জালের প্রশস্ততা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ। বুধবার সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে মাছটির দাম ওঠে ৭ হাজার ২০০ টাকা। প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা হিসেবে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটা মা-মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান।
মাছটি নিয়ে আসা জেলে সোহরাফ গাজী জানান, মঙ্গলবার পায়রা বন্দর সংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীর সমুদ্রে জাল ফেলেছিলেন তিনি। জাল তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় ইলিশটি উঠে আসে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন সোহরাফ গাজী। পরে প্রকাশ্য নিলামে প্রতি কেজি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মণ দরে মাছটির দাম নির্ধারণ হয়।
জেলে সোহরাফ গাজী বলেন, প্রায় এক দশক ধরে বঙ্গোপসাগরের গভীরে গিয়ে মাছ ধরছেন তিনি। তার ভাষ্য, সাধারণত এত বড় ইলিশ জালে পাওয়া যায় না। প্রায় সাত বছর পর এবার আবার বড় আকৃতির একটি ইলিশ পেয়েছেন তিনি।
মাছটির ক্রেতা কুয়াকাটা মা-মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান বলেন, বাজারে বর্তমানে এ আকারের ইলিশ খুব বেশি পাওয়া যায় না। এ কারণে নিলামে মাছটি কিনেছেন। মাছটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসীর ভাইয়ের বাড়িতে পাঠানো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বড় ইলিশ বাজারে উঠলেও এর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। জামাল ঘরামি বলেন, প্রতি কেজি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দিয়ে ইলিশ কেনা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কঠিন। আগে বছরে অন্তত একবার ইলিশ কেনা সম্ভব হলেও এখন সেটি অনেকের কাছে স্বপ্নের মতো।
মৎস্যবিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার জানান, ছোট ইলিশ নির্বিচারে আহরণ, নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইসগেটের কারণে অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং সহ-ব্যবস্থাপনার ঘাটতি বড় ইলিশের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ ছাড়া পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের স্বল্পতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার পরিবর্তনের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলোও ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের বড় ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক বিষয়। তার মতে, এটি ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার সুফলের একটি দিক হতে পারে। বড় ইলিশে তুলনামূলক বেশি ফ্যাট থাকায় এতে ওমেগা-৩ ও বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। জালের প্রশস্ততা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
কুয়াকাটার অদূরে পর্যটনপল্লী গঙ্গামতি লেকের পাশেই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটের পশ্চিম দিকে এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। গত চারদিন ধরে নির্বিঘ্নে স্থাপনাটি তোলার কাজ চললেও বনবিভাগ ও ভূমি অফিসের কেউ বিষয়টি নজরে নেয়নি। ফলে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলসহ প্রাকৃতিক জলাশয় লেক সব ধ্বংসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরিবেশ প্রকৃতি ও পর্যটন এলাকা রক্ষায় কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুরবন খাজুরা থেকে গঙ্গামতি হয়ে কাউয়ার চর পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরে কোন ধরনের স্থাপনা তুলতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা উপেক্ষা করে চলছে এই স্থাপনা তোলার কাজ।
দেখা গেছে, জলাশয় ও লেকের পাশে কাঠের এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে খুটি বসানো হয়েছে। কাঠের পাটাতনের কাজ চলছে। সবুজ ম্যানগ্রোভ বনঘেঁষা এমন স্থাপনা তোলার কাজ চললেও ওখানকার কোন সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। কে তুলছে, কেন তুলছে, কী হচ্ছে-এমনটি পর্যন্ত কেউ বলেননি। তবে জনশ্রুতি রয়েছে তিন প্রভাবশালী ব্যক্তি মিলে এই স্থাপনা তোলার কাজ চলমান রেখেছেন। এটি যাতে বন্ধ না হয় এজন্য আবার তাঁদের ভিন্ন প্রস্তুতি রয়েছে!
পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, “ গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল” পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকা। এখানে সংরক্ষিত কিংবা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মধ্যে প্রাকৃতিক জলাশয়, লেকের আশাপাশে কোন ধরনের স্থাপনা তোলা হলে তা পরিবেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে। বনাঞ্চল ধ্বংসের শঙ্কা তৈরি হবে। এছাড়া কুয়াকাটা সৈকত এরিয়া রক্ষায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। যা অনুসরণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে এই পরিবেশ কর্মী মনে করছেন।
বনবিভাগ গঙ্গামতির বিট কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, প্রথমদিন তিনি ওই স্থাপনা তুলতে বাধা দিয়েছেন। কিন্তু তারা নিজের জমি দাবি করে কাজ করছেন। তারপরও তিনি উপজেলা ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান। তবে পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় স্থাপনা তুলতে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কি না তা তিনি জানাতে পারেননি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সচেতনমহলের প্রশ্ন পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় কোন স্থাপনা তুলতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন রয়েছে। এসব ছাড়াই মূলত পরিবেশবিনাশি এ কর্মকান্ড চলছে। যাতে কুয়াকাটার প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে।
কুয়াকাটার অদূরে পর্যটনপল্লী গঙ্গামতি লেকের পাশেই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটের পশ্চিম দিকে এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। গত চারদিন ধরে নির্বিঘ্নে স্থাপনাটি তোলার কাজ চললেও বনবিভাগ ও ভূমি অফিসের কেউ বিষয়টি নজরে নেয়নি। ফলে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলসহ প্রাকৃতিক জলাশয় লেক সব ধ্বংসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরিবেশ প্রকৃতি ও পর্যটন এলাকা রক্ষায় কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুরবন খাজুরা থেকে গঙ্গামতি হয়ে কাউয়ার চর পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরে কোন ধরনের স্থাপনা তুলতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা উপেক্ষা করে চলছে এই স্থাপনা তোলার কাজ।
দেখা গেছে, জলাশয় ও লেকের পাশে কাঠের এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে খুটি বসানো হয়েছে। কাঠের পাটাতনের কাজ চলছে। সবুজ ম্যানগ্রোভ বনঘেঁষা এমন স্থাপনা তোলার কাজ চললেও ওখানকার কোন সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। কে তুলছে, কেন তুলছে, কী হচ্ছে-এমনটি পর্যন্ত কেউ বলেননি। তবে জনশ্রুতি রয়েছে তিন প্রভাবশালী ব্যক্তি মিলে এই স্থাপনা তোলার কাজ চলমান রেখেছেন। এটি যাতে বন্ধ না হয় এজন্য আবার তাঁদের ভিন্ন প্রস্তুতি রয়েছে!
পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, “ গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল” পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকা। এখানে সংরক্ষিত কিংবা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মধ্যে প্রাকৃতিক জলাশয়, লেকের আশাপাশে কোন ধরনের স্থাপনা তোলা হলে তা পরিবেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে। বনাঞ্চল ধ্বংসের শঙ্কা তৈরি হবে। এছাড়া কুয়াকাটা সৈকত এরিয়া রক্ষায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। যা অনুসরণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে এই পরিবেশ কর্মী মনে করছেন।
বনবিভাগ গঙ্গামতির বিট কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, প্রথমদিন তিনি ওই স্থাপনা তুলতে বাধা দিয়েছেন। কিন্তু তারা নিজের জমি দাবি করে কাজ করছেন। তারপরও তিনি উপজেলা ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান। তবে পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় স্থাপনা তুলতে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কি না তা তিনি জানাতে পারেননি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সচেতনমহলের প্রশ্ন পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় কোন স্থাপনা তুলতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন রয়েছে। এসব ছাড়াই মূলত পরিবেশবিনাশি এ কর্মকান্ড চলছে। যাতে কুয়াকাটার প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫