
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

২৩ জুন, ২০২৬ ১৮:০৩
টুয়াখালীর বাউফলে একটি লুঙ্গি চুরির অভিযোগে আরিফ হোসনে খান নামের এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরিফ হোসেন কালাইয়ার কর্পূরকাঠি গ্রামের আব্দূর রশিদ খানের ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামের রুস্তুম আলীর বাড়িতে সোমবার ভোর রাতে হানা দেয় একদল চোর। চোর ঘরে ঢোকার সময় আরিফ হোসেন নামের একজনকে ঝাপটে ধরে রুস্তুম আলীর লোকজন। এসময় আরিফের সাথে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে রুস্তুমের লোকজন আরিফকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেয়। পরে মৌষাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে পটুয়াখালী জেলহাজতে পাঠায়।
এ বিষয়ে মৌষাদির সাবেক মেম্বর হারুন এবং রুস্তুম আলী জানান, দুদিন আগে তার ঘর থেকে লুঙ্গি চুরি হয়। আরিফকে ধরার পরে পরনে রুস্তুমের চুরি হওয়া লুঙ্গি তার বলে জানান।
বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌষাদি এলাকার রুস্তুম আলীর বাড়িতে চরি করতে গেলে স্থানীয় লোকজন আটক করে মারধর করে। থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে কোর্টে চালান দেয়া হয়।
টুয়াখালীর বাউফলে একটি লুঙ্গি চুরির অভিযোগে আরিফ হোসনে খান নামের এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরিফ হোসেন কালাইয়ার কর্পূরকাঠি গ্রামের আব্দূর রশিদ খানের ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামের রুস্তুম আলীর বাড়িতে সোমবার ভোর রাতে হানা দেয় একদল চোর। চোর ঘরে ঢোকার সময় আরিফ হোসেন নামের একজনকে ঝাপটে ধরে রুস্তুম আলীর লোকজন। এসময় আরিফের সাথে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে রুস্তুমের লোকজন আরিফকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেয়। পরে মৌষাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে পটুয়াখালী জেলহাজতে পাঠায়।
এ বিষয়ে মৌষাদির সাবেক মেম্বর হারুন এবং রুস্তুম আলী জানান, দুদিন আগে তার ঘর থেকে লুঙ্গি চুরি হয়। আরিফকে ধরার পরে পরনে রুস্তুমের চুরি হওয়া লুঙ্গি তার বলে জানান।
বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌষাদি এলাকার রুস্তুম আলীর বাড়িতে চরি করতে গেলে স্থানীয় লোকজন আটক করে মারধর করে। থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে কোর্টে চালান দেয়া হয়।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.