Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:০০
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন (১৬) নামে এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মৃত্যুর আগে সে দেড় পৃষ্ঠার একটি হৃদয়বিদারক চিরকুট লিখে গেছে। যেখানে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজের ব্যর্থতার বর্ণনা দেওয়া।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। নিহত নাসরিন রঘুনাথপুর গ্রামের দিনমজুর এসকেন্দার মিয়া মেয়ে ও হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
নাসরিনের ভাগনে বলেন, নাসরিনের মৃত্যুর কারণ সে নিজেই চিরকুটে লিখে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এক ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ওই ছেলে। এজন্যই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন। যে ছেলেটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, সে স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পান্না শিকদার। তার বাবার নাম লতিফ শিকদার।
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে দোকান থেকে এসে দেখি নাসরিন মারা গেছে। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নিহতের ভাবি জানান, পান্না শিকদার দীর্ঘদিন ধরে নাসরিনকে ডিস্টার্ব করত। এজন্য নাসরিন অনেক দিন স্কুলেও যেতে পারেনি। পান্না তাকে নানা রকম খারাপ কথা বলত। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় নাসরিন আত্মহত্যা করেছে।
চিরকুটে নাসরিন লিখে গেছ, ‘আমি মরার কারণ হলো লতিফ শিকদারের একমাত্র ছেলে পান্না শিকদার। সে আমাকে বিয়ের কথা বলে আমার দেহ ভোগ করেছে। আমার শেষ ইচ্ছা, ওর এমন সাজা হোক যাতে আমার মতো আর কারও জীবন নষ্ট না হয়। বাবা এবং ভাই-বোনের কথা রাখতে পারলাম না। আমাকে মাফ করে দিও। আমি বিয়ে করলেও কোনোদিন সুখী হতাম না। আমি তো এমনিতেই জাহান্নামি।’
‘মা, আমি নাই, তাতে কী হয়েছে, আরও তো ভাই-বোন আছে। মা, আমাকে বিয়ে দিতা না? মনে করবা আমি শ্বশুরবাড়ি গেছি। একটুও কান্না করবা না। আমার বুকে অনেক কষ্ট, তাই আর সহ্য করতে পারলাম না। পান্নার জন্য কত কিছু করেছি, কিন্তু সে আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।
বলেছে, আমি নাকি অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথা বলি। তাই হলে ওর কাছে বারবার যেতাম না। বিদায়, সবাই ভালো থেকো। ওর জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি ওর উচিত শিক্ষা চাই। এ বিষয়ে নাজিরপুর থানার ওসি মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন (১৬) নামে এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মৃত্যুর আগে সে দেড় পৃষ্ঠার একটি হৃদয়বিদারক চিরকুট লিখে গেছে। যেখানে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজের ব্যর্থতার বর্ণনা দেওয়া।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। নিহত নাসরিন রঘুনাথপুর গ্রামের দিনমজুর এসকেন্দার মিয়া মেয়ে ও হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
নাসরিনের ভাগনে বলেন, নাসরিনের মৃত্যুর কারণ সে নিজেই চিরকুটে লিখে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এক ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ওই ছেলে। এজন্যই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন। যে ছেলেটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, সে স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পান্না শিকদার। তার বাবার নাম লতিফ শিকদার।
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে দোকান থেকে এসে দেখি নাসরিন মারা গেছে। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নিহতের ভাবি জানান, পান্না শিকদার দীর্ঘদিন ধরে নাসরিনকে ডিস্টার্ব করত। এজন্য নাসরিন অনেক দিন স্কুলেও যেতে পারেনি। পান্না তাকে নানা রকম খারাপ কথা বলত। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় নাসরিন আত্মহত্যা করেছে।
চিরকুটে নাসরিন লিখে গেছ, ‘আমি মরার কারণ হলো লতিফ শিকদারের একমাত্র ছেলে পান্না শিকদার। সে আমাকে বিয়ের কথা বলে আমার দেহ ভোগ করেছে। আমার শেষ ইচ্ছা, ওর এমন সাজা হোক যাতে আমার মতো আর কারও জীবন নষ্ট না হয়। বাবা এবং ভাই-বোনের কথা রাখতে পারলাম না। আমাকে মাফ করে দিও। আমি বিয়ে করলেও কোনোদিন সুখী হতাম না। আমি তো এমনিতেই জাহান্নামি।’
‘মা, আমি নাই, তাতে কী হয়েছে, আরও তো ভাই-বোন আছে। মা, আমাকে বিয়ে দিতা না? মনে করবা আমি শ্বশুরবাড়ি গেছি। একটুও কান্না করবা না। আমার বুকে অনেক কষ্ট, তাই আর সহ্য করতে পারলাম না। পান্নার জন্য কত কিছু করেছি, কিন্তু সে আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।
বলেছে, আমি নাকি অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথা বলি। তাই হলে ওর কাছে বারবার যেতাম না। বিদায়, সবাই ভালো থেকো। ওর জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি ওর উচিত শিক্ষা চাই। এ বিষয়ে নাজিরপুর থানার ওসি মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২১:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭