পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন (১৬) নামে এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মৃত্যুর আগে সে দেড় পৃষ্ঠার একটি হৃদয়বিদারক চিরকুট লিখে গেছে। যেখানে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজের ব্যর্থতার বর্ণনা দেওয়া।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। নিহত নাসরিন রঘুনাথপুর গ্রামের দিনমজুর এসকেন্দার মিয়া মেয়ে ও হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
নাসরিনের ভাগনে বলেন, নাসরিনের মৃত্যুর কারণ সে নিজেই চিরকুটে লিখে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এক ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ওই ছেলে। এজন্যই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন। যে ছেলেটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, সে স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পান্না শিকদার। তার বাবার নাম লতিফ শিকদার।
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে দোকান থেকে এসে দেখি নাসরিন মারা গেছে। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নিহতের ভাবি জানান, পান্না শিকদার দীর্ঘদিন ধরে নাসরিনকে ডিস্টার্ব করত। এজন্য নাসরিন অনেক দিন স্কুলেও যেতে পারেনি। পান্না তাকে নানা রকম খারাপ কথা বলত। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় নাসরিন আত্মহত্যা করেছে।
চিরকুটে নাসরিন লিখে গেছ, ‘আমি মরার কারণ হলো লতিফ শিকদারের একমাত্র ছেলে পান্না শিকদার। সে আমাকে বিয়ের কথা বলে আমার দেহ ভোগ করেছে। আমার শেষ ইচ্ছা, ওর এমন সাজা হোক যাতে আমার মতো আর কারও জীবন নষ্ট না হয়। বাবা এবং ভাই-বোনের কথা রাখতে পারলাম না। আমাকে মাফ করে দিও। আমি বিয়ে করলেও কোনোদিন সুখী হতাম না। আমি তো এমনিতেই জাহান্নামি।’
‘মা, আমি নাই, তাতে কী হয়েছে, আরও তো ভাই-বোন আছে। মা, আমাকে বিয়ে দিতা না? মনে করবা আমি শ্বশুরবাড়ি গেছি। একটুও কান্না করবা না। আমার বুকে অনেক কষ্ট, তাই আর সহ্য করতে পারলাম না। পান্নার জন্য কত কিছু করেছি, কিন্তু সে আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।
বলেছে, আমি নাকি অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথা বলি। তাই হলে ওর কাছে বারবার যেতাম না। বিদায়, সবাই ভালো থেকো। ওর জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি ওর উচিত শিক্ষা চাই। এ বিষয়ে নাজিরপুর থানার ওসি মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে আনা ১৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি ও পাঞ্জাবি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে উপজেলার আমান উল্লাহ কলেজের সামনে ভাণ্ডারিয়া-কাঁঠালিয়া সড়কে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন—গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার মো. বাকি বিল্লাহ সিকদার (৫৫), বরিশালের মুলাদী উপজেলার মো. শামীম বেপারী (৪৫) এবং শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার মো. সিয়াম সরদার (১৯)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমান উল্লাহ কলেজের সামনে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাক থেকে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও পাঞ্জাবি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, এসব পণ্য শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছিল।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জগলুল হাসান জানান, চোরাচালানের পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে আনা ১৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি ও পাঞ্জাবি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে উপজেলার আমান উল্লাহ কলেজের সামনে ভাণ্ডারিয়া-কাঁঠালিয়া সড়কে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন—গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার মো. বাকি বিল্লাহ সিকদার (৫৫), বরিশালের মুলাদী উপজেলার মো. শামীম বেপারী (৪৫) এবং শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার মো. সিয়াম সরদার (১৯)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমান উল্লাহ কলেজের সামনে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাক থেকে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও পাঞ্জাবি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, এসব পণ্য শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছিল।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জগলুল হাসান জানান, চোরাচালানের পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৩১
ভারপ্রাপ্তদের কাঁধে প্রশাসন, চাপে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান
পিরোজপুরে ৯৮৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। ফলে এসব বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় বাড়ছে সহকারী শিক্ষকদের ওপর কাজের চাপ; কোথাও কোথাও ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত পাঠদানও।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলার সাত উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯৮৯টি। এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদও সমানসংখ্যক। এর বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৪৫০ জন প্রধান শিক্ষক।
অন্যদিকে, জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৫১ জন। তাঁদের পাঠদানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলিয়ে কর্মরত আছেন ৫ হাজার ১৮৪ জন।
প্রধানের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন সহকারীরা
প্রধান শিক্ষক না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজও করতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক সময় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের তুলনায় অর্ধেকেরও কম শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
৬৩ নম্বর বাশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালমা সুলতানা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষা অফিসে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হয়।
৯১ নম্বর মধ্য পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা মমতাজ বলেন, প্রতিদিন তাঁকে তিন থেকে চারটি ক্লাস নিতে হয়। এর পাশাপাশি পালন করতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক দায়িত্ব। একজন সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকায় তাঁর ক্লাসও নিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
৯০ নম্বর মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আকিকুন্নেছা জানান, ২০২৪ সাল থেকে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজও সামলাতে হচ্ছে।
২৪৫ জন নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে ২৪৫ জন শিক্ষক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, তাঁদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও এনএসআই রিপোর্টের কার্যক্রম চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারপ্রাপ্তদের কাঁধে প্রশাসন, চাপে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান
পিরোজপুরে ৯৮৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। ফলে এসব বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় বাড়ছে সহকারী শিক্ষকদের ওপর কাজের চাপ; কোথাও কোথাও ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত পাঠদানও।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলার সাত উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯৮৯টি। এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদও সমানসংখ্যক। এর বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৪৫০ জন প্রধান শিক্ষক।
অন্যদিকে, জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৫১ জন। তাঁদের পাঠদানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলিয়ে কর্মরত আছেন ৫ হাজার ১৮৪ জন।
প্রধানের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন সহকারীরা
প্রধান শিক্ষক না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজও করতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক সময় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের তুলনায় অর্ধেকেরও কম শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
৬৩ নম্বর বাশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালমা সুলতানা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষা অফিসে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হয়।
৯১ নম্বর মধ্য পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা মমতাজ বলেন, প্রতিদিন তাঁকে তিন থেকে চারটি ক্লাস নিতে হয়। এর পাশাপাশি পালন করতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক দায়িত্ব। একজন সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকায় তাঁর ক্লাসও নিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
৯০ নম্বর মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আকিকুন্নেছা জানান, ২০২৪ সাল থেকে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজও সামলাতে হচ্ছে।
২৪৫ জন নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে ২৪৫ জন শিক্ষক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, তাঁদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও এনএসআই রিপোর্টের কার্যক্রম চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ; ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রায় ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার একটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ ও দুর্নীতিসহ ২৪টি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা প্রায় ৭৯ লাখ ৪ হাজার ৩৩০ টাকা ব্যাংকে জমা না দেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন এবং সরকারের প্রায় ১২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। একই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান স্বাক্ষরিত স্মারক নং-০৫.১০.৭৯১৪.০০০.০৭.০০১.২৬-৯৪২-এর মাধ্যমে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ওই নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি ও বিভিন্ন খাত থেকে আদায় করা আনুমানিক ৭৯ লাখ ৪ হাজার ৩৩০ টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা না দেওয়ার বিষয়টি। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে ব্যাংক হিসাব একক স্বাক্ষরে পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
এ ছাড়া ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৭৫৪ টাকা উত্তোলন এবং নির্ধারিত সময়ে ২৪ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ টাকার হিসাব দিতে না পারার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি পিবিজিএসআই (PBGSI) প্রকল্পের ৫ লাখ টাকা বিধিবহির্ভূতভাবে ব্যয় না করে ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে ২০ জন সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রী, ছয়জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রী, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাশাপাশি গত আড়াই বছরে উৎসে ভ্যাট ও আয়কর কর্তন না করে সরকারের প্রায় ১২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। স্ট্যাম্প আইন অমান্য করে নগদ ভাউচারে স্ট্যাম্প ব্যবহার না করেও লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অর্থের বিনিময়ে নির্ধারিত রোল নম্বর অতিক্রম করে বেআইনিভাবে ছাত্রী ভর্তি, শিক্ষকদের মধ্যে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমতি ছাড়া স্কুলের বেঞ্চ-টেবিল বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের বেঞ্চ ও টেবিল বাইরে নিয়ে গিয়ে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকায় একটি হোটেল মালিকের কাছে বিক্রি করা হয়।
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুমা সুলতানা আক্তারের ব্যক্তিগত বিষয়—বিয়ে, বয়স, গায়ের রং ও পোশাক নিয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ছাড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতির অনুমোদন ছাড়া একক সিদ্ধান্তে সহকারী প্রধান শিক্ষককে বহিষ্কার এবং শিক্ষকদের বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতা বেআইনিভাবে বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৫৩(২) বিধি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না কেন অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে না কেন, তার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে চান কি না, সেটিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে বিধি অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ; ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রায় ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার একটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ ও দুর্নীতিসহ ২৪টি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা প্রায় ৭৯ লাখ ৪ হাজার ৩৩০ টাকা ব্যাংকে জমা না দেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন এবং সরকারের প্রায় ১২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। একই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান স্বাক্ষরিত স্মারক নং-০৫.১০.৭৯১৪.০০০.০৭.০০১.২৬-৯৪২-এর মাধ্যমে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ওই নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি ও বিভিন্ন খাত থেকে আদায় করা আনুমানিক ৭৯ লাখ ৪ হাজার ৩৩০ টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা না দেওয়ার বিষয়টি। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে ব্যাংক হিসাব একক স্বাক্ষরে পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
এ ছাড়া ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৭৫৪ টাকা উত্তোলন এবং নির্ধারিত সময়ে ২৪ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ টাকার হিসাব দিতে না পারার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি পিবিজিএসআই (PBGSI) প্রকল্পের ৫ লাখ টাকা বিধিবহির্ভূতভাবে ব্যয় না করে ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে ২০ জন সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রী, ছয়জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রী, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাশাপাশি গত আড়াই বছরে উৎসে ভ্যাট ও আয়কর কর্তন না করে সরকারের প্রায় ১২ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। স্ট্যাম্প আইন অমান্য করে নগদ ভাউচারে স্ট্যাম্প ব্যবহার না করেও লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অর্থের বিনিময়ে নির্ধারিত রোল নম্বর অতিক্রম করে বেআইনিভাবে ছাত্রী ভর্তি, শিক্ষকদের মধ্যে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমতি ছাড়া স্কুলের বেঞ্চ-টেবিল বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের বেঞ্চ ও টেবিল বাইরে নিয়ে গিয়ে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকায় একটি হোটেল মালিকের কাছে বিক্রি করা হয়।
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুমা সুলতানা আক্তারের ব্যক্তিগত বিষয়—বিয়ে, বয়স, গায়ের রং ও পোশাক নিয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ছাড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতির অনুমোদন ছাড়া একক সিদ্ধান্তে সহকারী প্রধান শিক্ষককে বহিষ্কার এবং শিক্ষকদের বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতা বেআইনিভাবে বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৫৩(২) বিধি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না কেন অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে না কেন, তার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে চান কি না, সেটিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে বিধি অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:০০
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন (১৬) নামে এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মৃত্যুর আগে সে দেড় পৃষ্ঠার একটি হৃদয়বিদারক চিরকুট লিখে গেছে। যেখানে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজের ব্যর্থতার বর্ণনা দেওয়া।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। নিহত নাসরিন রঘুনাথপুর গ্রামের দিনমজুর এসকেন্দার মিয়া মেয়ে ও হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
নাসরিনের ভাগনে বলেন, নাসরিনের মৃত্যুর কারণ সে নিজেই চিরকুটে লিখে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এক ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ওই ছেলে। এজন্যই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নাসরিন। যে ছেলেটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, সে স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পান্না শিকদার। তার বাবার নাম লতিফ শিকদার।
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে দোকান থেকে এসে দেখি নাসরিন মারা গেছে। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নিহতের ভাবি জানান, পান্না শিকদার দীর্ঘদিন ধরে নাসরিনকে ডিস্টার্ব করত। এজন্য নাসরিন অনেক দিন স্কুলেও যেতে পারেনি। পান্না তাকে নানা রকম খারাপ কথা বলত। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় নাসরিন আত্মহত্যা করেছে।
চিরকুটে নাসরিন লিখে গেছ, ‘আমি মরার কারণ হলো লতিফ শিকদারের একমাত্র ছেলে পান্না শিকদার। সে আমাকে বিয়ের কথা বলে আমার দেহ ভোগ করেছে। আমার শেষ ইচ্ছা, ওর এমন সাজা হোক যাতে আমার মতো আর কারও জীবন নষ্ট না হয়। বাবা এবং ভাই-বোনের কথা রাখতে পারলাম না। আমাকে মাফ করে দিও। আমি বিয়ে করলেও কোনোদিন সুখী হতাম না। আমি তো এমনিতেই জাহান্নামি।’
‘মা, আমি নাই, তাতে কী হয়েছে, আরও তো ভাই-বোন আছে। মা, আমাকে বিয়ে দিতা না? মনে করবা আমি শ্বশুরবাড়ি গেছি। একটুও কান্না করবা না। আমার বুকে অনেক কষ্ট, তাই আর সহ্য করতে পারলাম না। পান্নার জন্য কত কিছু করেছি, কিন্তু সে আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।
বলেছে, আমি নাকি অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথা বলি। তাই হলে ওর কাছে বারবার যেতাম না। বিদায়, সবাই ভালো থেকো। ওর জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি ওর উচিত শিক্ষা চাই। এ বিষয়ে নাজিরপুর থানার ওসি মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫