প্রতীকী ছবি।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশের ১টি ট্রলারসহ ২৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশি ফিশিং ট্রলারটি আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
আটক ট্রলারটির নাম এফবি সাফওয়ান।
এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমান্তরেখা এলাকা থেকে বাংলাদেশি ট্রলারসহ জেলেদের আটক করে ভারতের কোস্টগার্ড। এ সময় বাংলাদেশের ট্রলারটি ভারতের জলসীমায় মাছ ধরছিল বলে দাবি করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ২৪ জেলেসহ আটক ট্রলারটি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, আটক জেলেদের বিরুদ্ধে ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
বরিশাল টাইমস

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের চারটি গুদাম সিলগালা—পরপর এসব ঘটনায় আলোচনায় এসেছে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্প ও টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ মানিকদীর নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার ঘটনা দিয়ে। ওই ঘটনায় জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে রাজনৈতিক মহলের চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
এর পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে তাঁর শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের মালিকানাধীন টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং এসআরবি-১-এর যৌথ দল।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির নথিতে অনুমোদিত ওয়্যারহাউসের সংখ্যা দুটি থাকলেও অভিযানে চারটি গুদামে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায়। শুল্কমুক্ত পণ্য সরিয়ে নেওয়া বা খোলাবাজারে বিক্রির আশঙ্কায় চারটি গুদামই সিলগালা করা হয়।
এর পাশাপাশি নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির মালিকানা এবং আর্থিক লেনদেন নিয়েও অনুসন্ধানের তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, টস বন্ডে অভিযান সালমানের সাম্প্রতিক বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাঁদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা ও সম্ভাব্য কর ফাঁকির বিষয়ে আগে থেকেই অনুসন্ধান চলছিল।
সব মিলিয়ে নিউ গিনি প্রকল্পে হামলার মামলা, সালমানের ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের গুদাম সিলগালার ঘটনা একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফলের অপেক্ষা করতে হবে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের চারটি গুদাম সিলগালা—পরপর এসব ঘটনায় আলোচনায় এসেছে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্প ও টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ মানিকদীর নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার ঘটনা দিয়ে। ওই ঘটনায় জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে রাজনৈতিক মহলের চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
এর পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে তাঁর শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের মালিকানাধীন টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং এসআরবি-১-এর যৌথ দল।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির নথিতে অনুমোদিত ওয়্যারহাউসের সংখ্যা দুটি থাকলেও অভিযানে চারটি গুদামে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায়। শুল্কমুক্ত পণ্য সরিয়ে নেওয়া বা খোলাবাজারে বিক্রির আশঙ্কায় চারটি গুদামই সিলগালা করা হয়।
এর পাশাপাশি নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির মালিকানা এবং আর্থিক লেনদেন নিয়েও অনুসন্ধানের তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, টস বন্ডে অভিযান সালমানের সাম্প্রতিক বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাঁদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা ও সম্ভাব্য কর ফাঁকির বিষয়ে আগে থেকেই অনুসন্ধান চলছিল।
সব মিলিয়ে নিউ গিনি প্রকল্পে হামলার মামলা, সালমানের ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের গুদাম সিলগালার ঘটনা একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফলের অপেক্ষা করতে হবে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশের ১টি ট্রলারসহ ২৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশি ফিশিং ট্রলারটি আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
আটক ট্রলারটির নাম এফবি সাফওয়ান।
এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমান্তরেখা এলাকা থেকে বাংলাদেশি ট্রলারসহ জেলেদের আটক করে ভারতের কোস্টগার্ড। এ সময় বাংলাদেশের ট্রলারটি ভারতের জলসীমায় মাছ ধরছিল বলে দাবি করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ২৪ জেলেসহ আটক ট্রলারটি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, আটক জেলেদের বিরুদ্ধে ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
বরিশাল টাইমস
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১