Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৩
প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু করা হচ্ছে বরিশাল নগরীর বেলতলা ও রূপাতলী এলাকার দুটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্লান্টের বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি হয়ে পড়েছে অচল। ফলে নষ্ট হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামাদি অনেক যন্ত্রাংশও হয়েছে চুরি। সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, নতুন করে প্লান্টার বসানোর কাজ চলছে, খুব শিগগিরই পানি সরবরাহ করা হবে।
সুপেয় পানি সংকট দেখা দেয়ায় দীর্ঘ এক দশক পর আবারও বরিশাল নগরীর বেলতলা ও রূপাতলী এলাকার দুটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। এর আগে ২০১২ সালে বেলতলা এবং ২০১৩ সালে রূপাতলী এলাকায় প্লান্ট দুটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালে শেষ হলেও নানা জটিলতায় চালু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাওয়ায় নগরীতে তীব্র পানি সংকট দেখা দেয়। ফলে নতুন করে বসানো হচ্ছে প্যানেল বোর্ড, মোটর, পাম্প, ক্যাবল ও ফিল্টারসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি।
এবিষয়ে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলেন, ‘নতুন করে প্লান্টার বসানোর জন্য মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারপর আমরা টেন্ডার দেই এরপর বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্মাণকাজ শেষ হলে বরিশাল শহরের আন্ডার গ্রাউন্ডের পানির ওপর যে চাপ তা কমে যাবে, এবং বরিশাল নগরী তলিয়ে যাওয়ার যে প্রবণতা তা কমবে। এ প্লান্টের মাধ্যমে আমরা আন্ডারগ্রাউন্ড ঠিক রেখে নদীর পানিকে সুপেয় পানি করে নগরীতে সরবরাহ করা হবে।’
বরিশাল নগরীতে যেখানে ২০ ফুট নিচে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পাওয়া যেত, বর্তমানে তা নেমে গেছে ৪০ থেকে ৫২ ফুটে। ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সুপেয় পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় প্লান্ট দুটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
পরিবেশ ফোরামে বরিশাল বিভাগের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র দাস বলেন, ‘যতটুকু পানি প্রাপ্তি হবে আমরা ভূগর্ভস্থ থেকে পানি পাবো। এই আশাটি আমরা করতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো রকমের যেন তালবাহানা না হয় এবং খুব তাড়াতাড়ি যেন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টি চালু করা হয়।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ লিটার। কিন্তু সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে মাত্র ৩ কোটি ২০ লাখ লিটার। প্লান্ট দুটি চালু হলে প্রতিটি প্লান্ট থেকে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ লিটার পানি সরবরাহ সম্ভব হবে। ফলে এই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে, চাপ কমবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপরও।
প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু করা হচ্ছে বরিশাল নগরীর বেলতলা ও রূপাতলী এলাকার দুটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্লান্টের বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি হয়ে পড়েছে অচল। ফলে নষ্ট হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামাদি অনেক যন্ত্রাংশও হয়েছে চুরি। সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, নতুন করে প্লান্টার বসানোর কাজ চলছে, খুব শিগগিরই পানি সরবরাহ করা হবে।
সুপেয় পানি সংকট দেখা দেয়ায় দীর্ঘ এক দশক পর আবারও বরিশাল নগরীর বেলতলা ও রূপাতলী এলাকার দুটি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। এর আগে ২০১২ সালে বেলতলা এবং ২০১৩ সালে রূপাতলী এলাকায় প্লান্ট দুটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালে শেষ হলেও নানা জটিলতায় চালু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে যাওয়ায় নগরীতে তীব্র পানি সংকট দেখা দেয়। ফলে নতুন করে বসানো হচ্ছে প্যানেল বোর্ড, মোটর, পাম্প, ক্যাবল ও ফিল্টারসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি।
এবিষয়ে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলেন, ‘নতুন করে প্লান্টার বসানোর জন্য মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারপর আমরা টেন্ডার দেই এরপর বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্মাণকাজ শেষ হলে বরিশাল শহরের আন্ডার গ্রাউন্ডের পানির ওপর যে চাপ তা কমে যাবে, এবং বরিশাল নগরী তলিয়ে যাওয়ার যে প্রবণতা তা কমবে। এ প্লান্টের মাধ্যমে আমরা আন্ডারগ্রাউন্ড ঠিক রেখে নদীর পানিকে সুপেয় পানি করে নগরীতে সরবরাহ করা হবে।’
বরিশাল নগরীতে যেখানে ২০ ফুট নিচে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পাওয়া যেত, বর্তমানে তা নেমে গেছে ৪০ থেকে ৫২ ফুটে। ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সুপেয় পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় প্লান্ট দুটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
পরিবেশ ফোরামে বরিশাল বিভাগের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র দাস বলেন, ‘যতটুকু পানি প্রাপ্তি হবে আমরা ভূগর্ভস্থ থেকে পানি পাবো। এই আশাটি আমরা করতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো রকমের যেন তালবাহানা না হয় এবং খুব তাড়াতাড়ি যেন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টি চালু করা হয়।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ লিটার। কিন্তু সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে মাত্র ৩ কোটি ২০ লাখ লিটার। প্লান্ট দুটি চালু হলে প্রতিটি প্লান্ট থেকে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ লিটার পানি সরবরাহ সম্ভব হবে। ফলে এই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে, চাপ কমবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপরও।

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
০৯ জুন, ২০২৬ ২১:৪৭