
১০ জুন, ২০২৫ ১৫:৪৪
আগামী ২৫ বছর তীব্র গ্রীষ্মের গরমে নয়, বরং শীতল ও সহনীয় আবহাওয়ায় হজ পালন করবেন বিশ্বের লাখ লাখ মুসল্লি। এমন তথ্যই জানিয়েছে সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ হজ পঞ্জিকায় ২০২৬ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত হজের সময় ও সম্ভাব্য আবহাওয়ার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
সৌদি আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকেই হজ মৌসুম পড়বে অপেক্ষাকৃত শীতল ঋতুগুলোতে। হজের সময় ধাপে ধাপে বসন্ত, শীত ও শরৎকালের মধ্যে আবর্তিত হবে। ফলে চরম গরমে শারীরিক কষ্ট, হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা বা প্রাণহানির ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের মুখপাত্র হুসেইন আল কাহতানি বলেন, “২০২৪ ও ২০২৫ সালই গ্রীষ্মকালের শেষ হজ। এরপর আমরা প্রবেশ করব অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও আরামদায়ক আবহাওয়ার এক নতুন চক্রে।”
প্রতি বছর হজ ১১ দিন করে এগিয়ে আসে হিজরি চান্দ্র ক্যালেন্ডার অনুসারে, কারণ এটি সৌর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে ছোট। এর ফলে হজ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋতুতে পড়ে।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুসারে, এই বৈশ্বিক ধর্মীয় আয়োজনের আবহাওয়াগত পরিবর্তন আসন্ন বছরগুলোতে হজ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
২০২৬–২০৩৩: বসন্তকাল (মার্চ–মে)
২০৩৪–২০৪১: শীতকাল (জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি, ডিসেম্বরে আংশিক)
২০৪২–২০৪৯: শরৎকাল (সেপ্টেম্বর–নভেম্বর)
২০৫০: গ্রীষ্মকাল (আগস্ট) – আবারও গরমের হজে ফেরা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মুসল্লিদের শুধু শারীরিক স্বস্তিই দেবে না, বরং সৌদি সরকারের পক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা সহজতর ও দক্ষ করে তুলবে। তাপদাহজনিত অসুস্থতা, ভিড় ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যে সংকট প্রতি বছর দেখা দেয়, তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে সৌদি সরকারের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে মুসলিম বিশ্ব। অনেকেই এটিকে হজ ব্যবস্থাপনায় সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
আগামী ২৫ বছর তীব্র গ্রীষ্মের গরমে নয়, বরং শীতল ও সহনীয় আবহাওয়ায় হজ পালন করবেন বিশ্বের লাখ লাখ মুসল্লি। এমন তথ্যই জানিয়েছে সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ হজ পঞ্জিকায় ২০২৬ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত হজের সময় ও সম্ভাব্য আবহাওয়ার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
সৌদি আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকেই হজ মৌসুম পড়বে অপেক্ষাকৃত শীতল ঋতুগুলোতে। হজের সময় ধাপে ধাপে বসন্ত, শীত ও শরৎকালের মধ্যে আবর্তিত হবে। ফলে চরম গরমে শারীরিক কষ্ট, হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা বা প্রাণহানির ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের মুখপাত্র হুসেইন আল কাহতানি বলেন, “২০২৪ ও ২০২৫ সালই গ্রীষ্মকালের শেষ হজ। এরপর আমরা প্রবেশ করব অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও আরামদায়ক আবহাওয়ার এক নতুন চক্রে।”
প্রতি বছর হজ ১১ দিন করে এগিয়ে আসে হিজরি চান্দ্র ক্যালেন্ডার অনুসারে, কারণ এটি সৌর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে ছোট। এর ফলে হজ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋতুতে পড়ে।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুসারে, এই বৈশ্বিক ধর্মীয় আয়োজনের আবহাওয়াগত পরিবর্তন আসন্ন বছরগুলোতে হজ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
২০২৬–২০৩৩: বসন্তকাল (মার্চ–মে)
২০৩৪–২০৪১: শীতকাল (জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি, ডিসেম্বরে আংশিক)
২০৪২–২০৪৯: শরৎকাল (সেপ্টেম্বর–নভেম্বর)
২০৫০: গ্রীষ্মকাল (আগস্ট) – আবারও গরমের হজে ফেরা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মুসল্লিদের শুধু শারীরিক স্বস্তিই দেবে না, বরং সৌদি সরকারের পক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা সহজতর ও দক্ষ করে তুলবে। তাপদাহজনিত অসুস্থতা, ভিড় ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যে সংকট প্রতি বছর দেখা দেয়, তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে সৌদি সরকারের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে মুসলিম বিশ্ব। অনেকেই এটিকে হজ ব্যবস্থাপনায় সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৩
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’র দেওয়া এই খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দ অনুযায়ী বরিশালে ২৩৪, পটুয়াখালীতে ২০২, ভোলায় ১৮৭, পিরোজপুরে ১৩৯, বরগুনায় ১১০, ঝালকাঠিতে ৮২, সিলেটে ২৯০, হবিগঞ্জে ২০৬, মৌলভীবাজারে ১৭৮ এবং সুনামগঞ্জে ২৩৪ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলায় ২৯৭ কার্টুন, নারায়ণগঞ্জে ১০১, গাজীপুরে ১০৩, মুন্সিগঞ্জে ১৮০, মানিকগঞ্জে ১৭১, নরসিংদীতে ১৮৮, টাঙ্গাইলে ৩১৮, কিশোরগঞ্জে ২৮৭, ফরিদপুরে ২১৪, গোপালগঞ্জে ১৭৫, মাদারীপুরে ১৫৭, শরীয়তপুরে ১৭৩ এবং রাজবাড়ীতে ১১০ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহে ৩৮৪, নেত্রকোনায় ২২৬, জামালপুরে ১৭৭, শেরপুরে ১৩৭, চট্টগ্রামে ৫১৮, কক্সবাজারে ১৮৭, রাঙ্গামাটিতে ১৩০, খাগড়াছড়িতে ৯৭, বান্দরবানে ৯০, কুমিল্লায় ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬৭, চাঁদপুরে ২৩৫, নোয়াখালীতে ২৪৩, লক্ষ্মীপুরে ১৫৪ এবং ফেনীতে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহীতে ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১৬, নওগাঁয় ২৫৯, নাটোরে ১৩৫, পাবনায় ১৯৬, সিরাজগঞ্জে ২২১, বগুড়ায় ২৯১ এবং জয়পুরহাটে ৮১ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে। রংপুরে ২০১, কুড়িগ্রামে ১৯২, নীলফামারীতে ১৬১, গাইবান্ধায় ২১৪, লালমনিরহাটে ১১৬, দিনাজপুরে ২৭৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪১ এবং পঞ্চগড়ে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
খুলনায় ১৮২, বাগেরহাটে ২০৩, সাতক্ষীরায় ২০৭, যশোরে ২৪৭, ঝিনাইদহে ১৭৫, মাগুরায় ৯২, নড়াইলে ১০১, কুষ্টিয়ায় ১৭৪, মেহেরপুরে ৫১ এবং চুয়াডাঙ্গায় ১০৫ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।'
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’র দেওয়া এই খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দ অনুযায়ী বরিশালে ২৩৪, পটুয়াখালীতে ২০২, ভোলায় ১৮৭, পিরোজপুরে ১৩৯, বরগুনায় ১১০, ঝালকাঠিতে ৮২, সিলেটে ২৯০, হবিগঞ্জে ২০৬, মৌলভীবাজারে ১৭৮ এবং সুনামগঞ্জে ২৩৪ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলায় ২৯৭ কার্টুন, নারায়ণগঞ্জে ১০১, গাজীপুরে ১০৩, মুন্সিগঞ্জে ১৮০, মানিকগঞ্জে ১৭১, নরসিংদীতে ১৮৮, টাঙ্গাইলে ৩১৮, কিশোরগঞ্জে ২৮৭, ফরিদপুরে ২১৪, গোপালগঞ্জে ১৭৫, মাদারীপুরে ১৫৭, শরীয়তপুরে ১৭৩ এবং রাজবাড়ীতে ১১০ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহে ৩৮৪, নেত্রকোনায় ২২৬, জামালপুরে ১৭৭, শেরপুরে ১৩৭, চট্টগ্রামে ৫১৮, কক্সবাজারে ১৮৭, রাঙ্গামাটিতে ১৩০, খাগড়াছড়িতে ৯৭, বান্দরবানে ৯০, কুমিল্লায় ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬৭, চাঁদপুরে ২৩৫, নোয়াখালীতে ২৪৩, লক্ষ্মীপুরে ১৫৪ এবং ফেনীতে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহীতে ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১৬, নওগাঁয় ২৫৯, নাটোরে ১৩৫, পাবনায় ১৯৬, সিরাজগঞ্জে ২২১, বগুড়ায় ২৯১ এবং জয়পুরহাটে ৮১ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে। রংপুরে ২০১, কুড়িগ্রামে ১৯২, নীলফামারীতে ১৬১, গাইবান্ধায় ২১৪, লালমনিরহাটে ১১৬, দিনাজপুরে ২৭৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪১ এবং পঞ্চগড়ে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
খুলনায় ১৮২, বাগেরহাটে ২০৩, সাতক্ষীরায় ২০৭, যশোরে ২৪৭, ঝিনাইদহে ১৭৫, মাগুরায় ৯২, নড়াইলে ১০১, কুষ্টিয়ায় ১৭৪, মেহেরপুরে ৫১ এবং চুয়াডাঙ্গায় ১০৫ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।'

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪২
আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।
সম্প্রতি ঈদ উদযাপন নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তাৎক্ষণিকভাবে বায়তুল মোকাররম মসজিদে স্থানান্তর করা হবে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি প্রধান জামাতের স্থান পরিবর্তন সিদ্ধান্ত নিতে দায়িত্বে থাকবে।
এছাড়া প্রধান জামাতের ইমাম, ক্বারী ও উপস্থাপক মনোনয়ন করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন তিনজন বিশিষ্ট আলেম, তিনজন ক্বারী ও তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্মমন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। ধর্মমন্ত্রণালয় সেই তালিকা থেকে একজন ইমাম ও বিকল্প ইমাম, একজন ক্বারী ও বিকল্প ক্বারী এবং একজন উপস্থাপক ও বিকল্প উপস্থাপক মনোনয়ন দেবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মূলত প্রধান জামাতের আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। ঈদের দিন রাজধানীতে ঈদগাহ ও বিভিন্ন মসজিদে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।
সম্প্রতি ঈদ উদযাপন নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তাৎক্ষণিকভাবে বায়তুল মোকাররম মসজিদে স্থানান্তর করা হবে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি প্রধান জামাতের স্থান পরিবর্তন সিদ্ধান্ত নিতে দায়িত্বে থাকবে।
এছাড়া প্রধান জামাতের ইমাম, ক্বারী ও উপস্থাপক মনোনয়ন করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন তিনজন বিশিষ্ট আলেম, তিনজন ক্বারী ও তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্মমন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। ধর্মমন্ত্রণালয় সেই তালিকা থেকে একজন ইমাম ও বিকল্প ইমাম, একজন ক্বারী ও বিকল্প ক্বারী এবং একজন উপস্থাপক ও বিকল্প উপস্থাপক মনোনয়ন দেবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মূলত প্রধান জামাতের আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। ঈদের দিন রাজধানীতে ঈদগাহ ও বিভিন্ন মসজিদে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩২
দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
আদালতে এ বি এম খাইরুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। আপাতত কারা মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ৫টির মধ্যে দুদকের করা মামলাটি ছাড়া অপর চার মামলায় খায়রুল হকের করা জামিন আদেশের জন্য নির্ধারিত ছিল আজ।
খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
আদালতে এ বি এম খাইরুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। আপাতত কারা মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ৫টির মধ্যে দুদকের করা মামলাটি ছাড়া অপর চার মামলায় খায়রুল হকের করা জামিন আদেশের জন্য নির্ধারিত ছিল আজ।
খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.