Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরিশালে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে। সকাল ৮টায় অনুষ্ঠেয় এ জামাতে অংশ নেবেন বিভাগীয় এবং জেলা প্রশাসনের প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ জনসাধারণ।
এই ঈদ জামাতে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এখানে মহিলাদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন জানিয়েছেন।
বরিশাল কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়। জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, সদর রোড বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।
চরমোনাই মাদরাসা মাঠে সকাল ৮টায়, গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, নেছারাবাদ ছারছীনা দরবার শরীফে সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নগরীর শতাধিক মসজিদে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
বরিশালে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে। সকাল ৮টায় অনুষ্ঠেয় এ জামাতে অংশ নেবেন বিভাগীয় এবং জেলা প্রশাসনের প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ জনসাধারণ।
এই ঈদ জামাতে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এখানে মহিলাদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন জানিয়েছেন।
বরিশাল কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়। জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, সদর রোড বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।
চরমোনাই মাদরাসা মাঠে সকাল ৮টায়, গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, নেছারাবাদ ছারছীনা দরবার শরীফে সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নগরীর শতাধিক মসজিদে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৩
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়াগতির যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক তাজ আনন্দ পরিবহনের বাসটি ভাঙচুর করেছেন। তবে চালক-হেলপার কৌশলে পালিয়ে গেছে।
এসময় দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং সড়কের দুপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলযোগে উজিরপুরের বাসিন্দা ফিরোজ মাহমুদ (৩৭) তার স্ত্রী মনিয়া বেগম এবং শিশু সন্তান জান্নাতকে নিয়ে উজিরপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে রাখা হয়। এসময় তাজ আনন্দ পরিবহনের বরিশালগামী একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী ফিরোজ মাহমুদ, স্ত্রী মনিরা বেগম ও শিশু মেয়ে জান্নাত নিহত হন। নিহত ফিরোজ মাহমুদ উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস জব্দ করা হয়েছে। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে। ঘাতক বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসছিল। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক হেলপারকে আটকে অভিযান চলছে।'

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:১৮
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনার শাখা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবিতে ৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
সোমবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার মেঘনা নদীর ধুলখোলা ইউনিয়ন অংশে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা যায় ট্রলারে থাকা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় । বাকি ৩ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ হওয়ার ব্যক্তিরা হলেন ধূলখোলা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত জাফর জমাদারের ছেলে নূর ইসলাম জমাদার(৪৫) ও নাতি ইব্রাহিম (৯) এছাড়াও নিখোঁজ একই গ্রামের রয়েছেন হামিদ বিশ্বাসের ছেলে হারুন বিশ্বাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ধূলখোলা ইউনিয়ন থেকে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে ট্রলার যোগে বাড়িতে ফেরার পথে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয় তাঁরা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও থানা পুলিশ একযোগে প্রায় তিন ঘন্টা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এখন পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো জানান, আগামীকাল সকাল থেকে উদ্ধারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়াগতির যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক তাজ আনন্দ পরিবহনের বাসটি ভাঙচুর করেছেন। তবে চালক-হেলপার কৌশলে পালিয়ে গেছে।
এসময় দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং সড়কের দুপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলযোগে উজিরপুরের বাসিন্দা ফিরোজ মাহমুদ (৩৭) তার স্ত্রী মনিয়া বেগম এবং শিশু সন্তান জান্নাতকে নিয়ে উজিরপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে রাখা হয়। এসময় তাজ আনন্দ পরিবহনের বরিশালগামী একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী ফিরোজ মাহমুদ, স্ত্রী মনিরা বেগম ও শিশু মেয়ে জান্নাত নিহত হন। নিহত ফিরোজ মাহমুদ উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস জব্দ করা হয়েছে। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে। ঘাতক বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসছিল। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক হেলপারকে আটকে অভিযান চলছে।'
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনার শাখা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবিতে ৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
সোমবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার মেঘনা নদীর ধুলখোলা ইউনিয়ন অংশে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা যায় ট্রলারে থাকা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় । বাকি ৩ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ হওয়ার ব্যক্তিরা হলেন ধূলখোলা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত জাফর জমাদারের ছেলে নূর ইসলাম জমাদার(৪৫) ও নাতি ইব্রাহিম (৯) এছাড়াও নিখোঁজ একই গ্রামের রয়েছেন হামিদ বিশ্বাসের ছেলে হারুন বিশ্বাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ধূলখোলা ইউনিয়ন থেকে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে ট্রলার যোগে বাড়িতে ফেরার পথে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয় তাঁরা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও থানা পুলিশ একযোগে প্রায় তিন ঘন্টা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এখন পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো জানান, আগামীকাল সকাল থেকে উদ্ধারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’