Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
সাত সকালের রোদ তখনও উত্তাপ ছড়ায়নি। সেই কাঁচা রোদ মেখেই ঘর থেকে নেমে পড়েন মনীষা চক্রবর্ত্তী। বরিশাল শহরের এক প্রান্তে হাঁটা শুরু করেন। সঙ্গে নেই গাড়ি; নেই দলীয় বহর কিংবা হ্যান্ড মাইকের চিৎকার। পাঁচ-সাতজন মানুষ পাশে থাকলেও নেই স্লোগান, এমনকি শোরগোলও নেই।
মনীষা পেশায় চিকিৎসক। পরিচিত ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাই তাঁর পরিচয়ের বড় অংশ। ৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুযোগ পেয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। বেছে নিয়েছেন রাজনীতিকেই। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)’র বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বাসদ মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী।
পথে হাঁটার সময় একজনের হাতে থাকে শুধু একটি ব্যাগ। ভেতরে কিছু লিফলেট। তাও নিজে বাড়িয়ে দেন না মনীষা। কেউ চাইলে দেন, না চাইলে নয়। তাঁর রাজনীতি কেবল বক্তৃতা আর পোস্টারে আটকে নেই।
আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে প্রায়ই দেখা যায় সামনের সারিতে। মাসের এক তৃতীয়াংশ সময় তাঁর সকাল শুরু হয় শহরের প্রাণকেন্দ্র অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে কোনো না কোনো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে জেলেও যেতে হয়েছে। তবু রাজপথ ছাড়েননি।
নির্বাচনী প্রচারণায়ও মনীষার কৌশল আলাদা। সকালে টানা তিন ঘণ্টা হাঁটা। দোকানে ঢোকেন, বেঞ্চিতে বসেন, চা খান। ভোট চান না। বরং প্রশ্ন করেন-গত কয়েক বছরে কী বদলেছে, কী বদলায়নি। মানুষের সমস্যা কী, তারা দিন কাটাচ্ছে কীভাবে, সেটাই জানতে চান।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে গিয়েছিলেন পূজো দেখতে। সেখানেও প্রচারণার কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ভিড় ছিল। কারণ তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে পাশে পেয়েছেন তারা।
এই কথোপকথনের ছবি তোলা হয় না। ভিডিও হয় না। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয় না। মনীষার যুক্তি, প্রচার যত কম, সম্পর্ক তত গভীর। তাঁর কথায়, ‘ভোট চাইতে সবাই আসে। কথা শুনতে আসে কয়জন?’
দুপুরের পর আবার হাঁটা। পথে পথে ছোট ছোট উঠান বৈঠক। বক্তৃতা দীর্ঘ হয় না। দুই-তিনজন মানুষ থাকলেও তিনি কম বলেন, বেশি শোনেন। ভোটারদের প্রশ্ন করেন, তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানতে চান।
সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তাঁর অজানা নয়। তবু নিজেকে তিনি শ্রোতার জায়গায় রাখেন। তাঁর ধারণা, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতির পাহাড় গড়া হয়, ভোটের পর সেই পাহাড়ে আর কেউ ওঠে না। পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোয় প্রার্থীদের দেখা মেলে শুধু নির্বাচন এলেই।
অন্য প্রার্থীরা যখন মিছিল আর শোডাউনে ব্যস্ত, এলাকায় ঢোকার আগেই বহরের শব্দে জানান দেন কোনো মান্যগণ্য ব্যক্তি এসেছেন, মনীষাদের পথ সেখানে আলাদা। সাধারণ মানুষের সংকট নিয়ে আন্দোলনই তাঁদের রাজনীতির কেন্দ্র। প্রচারণায় সেই কথাই সামনে আসে।
মানুষের কথা শোনা, সেই কথাকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া- এটাই তাঁদের কৌশল। ভোটারদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা হয়, নির্বাচিত হলেও আন্দোলনে থাকবেন। নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন। কারণ তাঁরা অতিথি পাখির মতো শোডাউন দিয়ে এলাকায় ঢোকেন না। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে শিকড় গড়ে উঠেছে, সেটাকেই ভরসা করেন। তাই হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়েই মানুষের কাছে যান, যেন কেউ বিরক্ত না হন।
দিনের বেলায় গ্রামের মানুষ কাজে ব্যস্ত। তাই রাত নামলেই গ্রামের দৃশ্য বদলায়। বাজারে, বাড়ির ভেতরে ছোট ছোট বৈঠক বসে। পর্দা টানা বারান্দায় গোল হয়ে বসেন দশ-বারোজন। আলো কম, কথা বেশি। রাজনীতি, বঞ্চনা আর জীবনের হিসাব একে অন্যের সঙ্গে মিশে যায়।
এসব বৈঠকেই মনীষা হয়ে ওঠেন গল্পের অংশ। তাঁর কথায়, ‘এগুলোই আসল প্রচার। বহর নিয়ে দিনের বেলায় যে প্রচার হয়, তার অনেকটাই লোক দেখানো।’ দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার প্রচারণার মধ্যে অন্তত পাঁচ ঘণ্টাই হাঁটেন মনীষা। ক্লান্তি লুকোনোর চেষ্টা নেই। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে আগে তাদের জীবন বুঝতে হবে।
বরিশাল জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, হেঁটে হেঁটে মানুষের পাশে থাকার এমন রাজনীতি মনীষা ছাড়া আর কারো মধ্যে চোখে পড়ে না। বড় ব্যানার বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারে এই জনসম্পৃক্ততার রাজনীতি ধরা পড়ে না। কিন্তু অনেক উঠান বৈঠক, অনেক চায়ের দোকানে তাঁর নীরব ছাপ থেকে যায়। কারণ মনীষা খেটে খাওয়া মানুষের বিপদে-আপদে ৩৬৫ দিনই পাশে থাকেন।
সাত সকালের রোদ তখনও উত্তাপ ছড়ায়নি। সেই কাঁচা রোদ মেখেই ঘর থেকে নেমে পড়েন মনীষা চক্রবর্ত্তী। বরিশাল শহরের এক প্রান্তে হাঁটা শুরু করেন। সঙ্গে নেই গাড়ি; নেই দলীয় বহর কিংবা হ্যান্ড মাইকের চিৎকার। পাঁচ-সাতজন মানুষ পাশে থাকলেও নেই স্লোগান, এমনকি শোরগোলও নেই।
মনীষা পেশায় চিকিৎসক। পরিচিত ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাই তাঁর পরিচয়ের বড় অংশ। ৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুযোগ পেয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। বেছে নিয়েছেন রাজনীতিকেই। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)’র বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বাসদ মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী।
পথে হাঁটার সময় একজনের হাতে থাকে শুধু একটি ব্যাগ। ভেতরে কিছু লিফলেট। তাও নিজে বাড়িয়ে দেন না মনীষা। কেউ চাইলে দেন, না চাইলে নয়। তাঁর রাজনীতি কেবল বক্তৃতা আর পোস্টারে আটকে নেই।
আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে প্রায়ই দেখা যায় সামনের সারিতে। মাসের এক তৃতীয়াংশ সময় তাঁর সকাল শুরু হয় শহরের প্রাণকেন্দ্র অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে কোনো না কোনো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে জেলেও যেতে হয়েছে। তবু রাজপথ ছাড়েননি।
নির্বাচনী প্রচারণায়ও মনীষার কৌশল আলাদা। সকালে টানা তিন ঘণ্টা হাঁটা। দোকানে ঢোকেন, বেঞ্চিতে বসেন, চা খান। ভোট চান না। বরং প্রশ্ন করেন-গত কয়েক বছরে কী বদলেছে, কী বদলায়নি। মানুষের সমস্যা কী, তারা দিন কাটাচ্ছে কীভাবে, সেটাই জানতে চান।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে গিয়েছিলেন পূজো দেখতে। সেখানেও প্রচারণার কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ভিড় ছিল। কারণ তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে পাশে পেয়েছেন তারা।
এই কথোপকথনের ছবি তোলা হয় না। ভিডিও হয় না। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয় না। মনীষার যুক্তি, প্রচার যত কম, সম্পর্ক তত গভীর। তাঁর কথায়, ‘ভোট চাইতে সবাই আসে। কথা শুনতে আসে কয়জন?’
দুপুরের পর আবার হাঁটা। পথে পথে ছোট ছোট উঠান বৈঠক। বক্তৃতা দীর্ঘ হয় না। দুই-তিনজন মানুষ থাকলেও তিনি কম বলেন, বেশি শোনেন। ভোটারদের প্রশ্ন করেন, তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানতে চান।
সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তাঁর অজানা নয়। তবু নিজেকে তিনি শ্রোতার জায়গায় রাখেন। তাঁর ধারণা, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতির পাহাড় গড়া হয়, ভোটের পর সেই পাহাড়ে আর কেউ ওঠে না। পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোয় প্রার্থীদের দেখা মেলে শুধু নির্বাচন এলেই।
অন্য প্রার্থীরা যখন মিছিল আর শোডাউনে ব্যস্ত, এলাকায় ঢোকার আগেই বহরের শব্দে জানান দেন কোনো মান্যগণ্য ব্যক্তি এসেছেন, মনীষাদের পথ সেখানে আলাদা। সাধারণ মানুষের সংকট নিয়ে আন্দোলনই তাঁদের রাজনীতির কেন্দ্র। প্রচারণায় সেই কথাই সামনে আসে।
মানুষের কথা শোনা, সেই কথাকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া- এটাই তাঁদের কৌশল। ভোটারদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা হয়, নির্বাচিত হলেও আন্দোলনে থাকবেন। নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন। কারণ তাঁরা অতিথি পাখির মতো শোডাউন দিয়ে এলাকায় ঢোকেন না। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে শিকড় গড়ে উঠেছে, সেটাকেই ভরসা করেন। তাই হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়েই মানুষের কাছে যান, যেন কেউ বিরক্ত না হন।
দিনের বেলায় গ্রামের মানুষ কাজে ব্যস্ত। তাই রাত নামলেই গ্রামের দৃশ্য বদলায়। বাজারে, বাড়ির ভেতরে ছোট ছোট বৈঠক বসে। পর্দা টানা বারান্দায় গোল হয়ে বসেন দশ-বারোজন। আলো কম, কথা বেশি। রাজনীতি, বঞ্চনা আর জীবনের হিসাব একে অন্যের সঙ্গে মিশে যায়।
এসব বৈঠকেই মনীষা হয়ে ওঠেন গল্পের অংশ। তাঁর কথায়, ‘এগুলোই আসল প্রচার। বহর নিয়ে দিনের বেলায় যে প্রচার হয়, তার অনেকটাই লোক দেখানো।’ দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার প্রচারণার মধ্যে অন্তত পাঁচ ঘণ্টাই হাঁটেন মনীষা। ক্লান্তি লুকোনোর চেষ্টা নেই। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে আগে তাদের জীবন বুঝতে হবে।
বরিশাল জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, হেঁটে হেঁটে মানুষের পাশে থাকার এমন রাজনীতি মনীষা ছাড়া আর কারো মধ্যে চোখে পড়ে না। বড় ব্যানার বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারে এই জনসম্পৃক্ততার রাজনীতি ধরা পড়ে না। কিন্তু অনেক উঠান বৈঠক, অনেক চায়ের দোকানে তাঁর নীরব ছাপ থেকে যায়। কারণ মনীষা খেটে খাওয়া মানুষের বিপদে-আপদে ৩৬৫ দিনই পাশে থাকেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পরিত্যাক্ত জমিতে অল্প পূজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গৌরনদী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের হরিসেনা গ্রামের বাসিন্দা যুবক শ্যামল খলিফা জানিয়েছেন, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পরিত্যাক্ত জমিতে তিনি হলুদ চাষ শুরু করেন।
৩০ শতক জমিতে প্রায় ১০০ মন হলুদের ফলন হয়েছে। জমি চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত সর্বমোট তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন।
শ্যামল খলিফা বলেন, যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকে তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষীদের মধ্যে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ওই এলাকার একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে যে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায় তা কৃষক শ্যামল খলিফা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চাই।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার শেখ জানিয়েছেন, আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ সহায়তা করে আসছেন।
যে কারনে নতুন নতুন চাষের প্রতি কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হলুদ চাষী শ্যামল খলিফাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি অন্য কেউ হলুদ চাষ করতে চায় তাদেরকেও সহায়তা প্রদান করা হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১০
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের গৌরনদীতে পরিত্যাক্ত জমিতে অল্প পূজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গৌরনদী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের হরিসেনা গ্রামের বাসিন্দা যুবক শ্যামল খলিফা জানিয়েছেন, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পরিত্যাক্ত জমিতে তিনি হলুদ চাষ শুরু করেন।
৩০ শতক জমিতে প্রায় ১০০ মন হলুদের ফলন হয়েছে। জমি চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত সর্বমোট তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন।
শ্যামল খলিফা বলেন, যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকে তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষীদের মধ্যে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ওই এলাকার একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে যে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায় তা কৃষক শ্যামল খলিফা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চাই।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার শেখ জানিয়েছেন, আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ সহায়তা করে আসছেন।
যে কারনে নতুন নতুন চাষের প্রতি কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হলুদ চাষী শ্যামল খলিফাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি অন্য কেউ হলুদ চাষ করতে চায় তাদেরকেও সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভাইয়ের কাছে টাকা পাওয়ার দাবি করে কৌশলে পুস্প রানী (৬০) নামের বৃদ্ধা বোনকে তুলে নিয়ে দুইদিন ধরে এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তিনজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন-বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতী গ্রামের কালু তফাদার, মো. মিন্টু ও অপু রায়। এরমধ্যে অভিযুক্ত মো. মিন্টু গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বলে জানা গেছে। তার আসল নাম মিজানুর রহমান মিন্টু।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ( ৫ এপ্রিল) গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সালতা গ্রামের প্রতাপ রায়ের স্ত্রী পুষ্প রানীকে বিএনপি নেতা মিন্টুর কথা বলে বাড়ী থেকে বার্থী বাসষ্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে যায় কালু তফাদার।
এসময় মিন্টু তাকে (পুষ্প রানী) বলে যে, তোমার ভাইয়ের কাছে ১ লাখ টাকা পাওনা আছে। ওই টাকা না দিলে আমরা তোমাকে ছাড়বো না। পরবর্তীতে এই বিষয়ে সে (পুষ্প) কিছুই জানেনা বললেও বিবাদীরা তাকে ছেড়ে দেয়নি।
অভিযোগে আরো জানা গেছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একাধিকবার বাড়ি যেতে চাইলে বিএনপি নেতা মিন্টু তাকে বাড়ি ফিরে যেতে দেয়নি। পরে তার (মিন্টু) নির্দেশে ওই নারীকে বাউরগাতি গ্রামের কালুর বাড়িতে দুইদিন আটকে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, পুষ্প রানীর ভাই সুশীলের কাছে স্থানীয় খায়রুল ইসলাম নামের একজন টাকা পাবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তির জন্য থানা থেকে আমাকে বলা হয়। পরবর্তীতে আমরা সুশীলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার বোন পুষ্প রানীর কাছে বিষয়টি জানাই।
এ সময় পুষ্প রানী আমাদের বলেন যে, সুশীলের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই। পরবর্তীতে জানতে পারি সুশীলের সঙ্গে তার বোন পুষ্প রানীর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি সুশীলের মেয়ে পুষ্প রানীর বাড়িতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পুষ্প রানীকে জানিয়েছি যে, সুশীল বাড়িতে আসলে আমাদেরকে যেন জানায়। কিন্তু সুশীলের যাতে টাকা দেওয়া না লাগে সেজন্য পুস্প রানীর কাছে থাকা সুশীলের মেয়েকে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। যাতে আমরা তাদের কাউকে খুঁজে না পাই।
বিষয়টি জানতে পেরে সুশীলের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ওই নারীকে তার এক আত্মীয় বাড়িতে রাখা হয়। এখানে আটকে রাখার মত কোন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এব্যাপারে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ভাইয়ের কাছে টাকা পাওয়ার দাবি করে কৌশলে পুস্প রানী (৬০) নামের বৃদ্ধা বোনকে তুলে নিয়ে দুইদিন ধরে এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তিনজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন-বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতী গ্রামের কালু তফাদার, মো. মিন্টু ও অপু রায়। এরমধ্যে অভিযুক্ত মো. মিন্টু গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বলে জানা গেছে। তার আসল নাম মিজানুর রহমান মিন্টু।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ( ৫ এপ্রিল) গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সালতা গ্রামের প্রতাপ রায়ের স্ত্রী পুষ্প রানীকে বিএনপি নেতা মিন্টুর কথা বলে বাড়ী থেকে বার্থী বাসষ্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে যায় কালু তফাদার।
এসময় মিন্টু তাকে (পুষ্প রানী) বলে যে, তোমার ভাইয়ের কাছে ১ লাখ টাকা পাওনা আছে। ওই টাকা না দিলে আমরা তোমাকে ছাড়বো না। পরবর্তীতে এই বিষয়ে সে (পুষ্প) কিছুই জানেনা বললেও বিবাদীরা তাকে ছেড়ে দেয়নি।
অভিযোগে আরো জানা গেছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একাধিকবার বাড়ি যেতে চাইলে বিএনপি নেতা মিন্টু তাকে বাড়ি ফিরে যেতে দেয়নি। পরে তার (মিন্টু) নির্দেশে ওই নারীকে বাউরগাতি গ্রামের কালুর বাড়িতে দুইদিন আটকে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, পুষ্প রানীর ভাই সুশীলের কাছে স্থানীয় খায়রুল ইসলাম নামের একজন টাকা পাবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তির জন্য থানা থেকে আমাকে বলা হয়। পরবর্তীতে আমরা সুশীলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার বোন পুষ্প রানীর কাছে বিষয়টি জানাই।
এ সময় পুষ্প রানী আমাদের বলেন যে, সুশীলের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই। পরবর্তীতে জানতে পারি সুশীলের সঙ্গে তার বোন পুষ্প রানীর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি সুশীলের মেয়ে পুষ্প রানীর বাড়িতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পুষ্প রানীকে জানিয়েছি যে, সুশীল বাড়িতে আসলে আমাদেরকে যেন জানায়। কিন্তু সুশীলের যাতে টাকা দেওয়া না লাগে সেজন্য পুস্প রানীর কাছে থাকা সুশীলের মেয়েকে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। যাতে আমরা তাদের কাউকে খুঁজে না পাই।
বিষয়টি জানতে পেরে সুশীলের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ওই নারীকে তার এক আত্মীয় বাড়িতে রাখা হয়। এখানে আটকে রাখার মত কোন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এব্যাপারে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।