'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন শিল্পের মহারাজ। শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির এমন কোনো অঙ্গন নেই যেখানে তাঁর বিচরণ ছিল না। সেই বিচরণ ছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী এক রাজাধিরাজের মতোই। একই সাথে ইসলামী গজল এবং সনাতনী শ্যামাসঙ্গীত কৃষ্ণসঙ্গীত লেখার মতো গভীর বৈপরীত্যের প্রতিভায় পৃথিবীতে নজরুল ছাড়া দ্বিতীয়জন সৃষ্টি হয়নি। অসাম্প্রদায়িক শব্দটা শুধু তাঁর নামের সাথেই শোভা পায়। কবি হিসেবেও নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মহাকবি।' বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির আয়োজনে নজরুল স্মরণোৎসব-২০২৬'এর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণোৎসবে বক্তারা আরো বলেন, 'বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহ শিখেছিলেন কোনো পাঠশালা কিংবা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে নয়; তিনি বিদ্রোহ শিখেছিলেন নিজের জীবনের কাছ থেকে। অভাব তাঁকে শিখিয়েছে সংগ্রাম করতে। বঞ্চনা তাঁকে শিখিয়েছে প্রতিবাদ করতে। সামাজিক বৈষম্য তাঁকে শিখিয়েছে সাম্যের কথা বলতে। ঔপনিবেশিক শাসন তাঁকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে। কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সৈনিক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীতজ্ঞ, ধর্মীয় পন্ডিত, শিক্ষক, দার্শনিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং মানবতাবাদী একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।'
বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান দেশি-বিদেশি পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি মুস্তাফা হাবীবের সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক অমৃত লাল দে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক আকতার উদদীন চৌধুরী, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক কবি পথিক মোস্তফা ও দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আযাদ আলাউদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সাংবাদিক, কলামিস্ট, সুশাসন ব্যক্তিত্ব ও কবি আরিফ আহমেদ মুন্না।
সভায় অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী জাকির হোসেন সবুজ, আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক স্বপন কুমার বড়াল, জৈনুদ্দিন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি স.ম জসিম উদ্দিন ও লেখক মাহমুদ ইউসুফ। বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তিকার জাহিদ হোসেন হৃদয়ের সঞ্চালনায় স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আগরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবিতা পরিষদের বরিশাল জেলা সম্পাদক কবি মাহবুব রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক রাঙা প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (খন্ডকালীন) শাহিন মাহমুদসহ বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
নজরুল স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভার ফাঁকে ফাঁকে কবিতা আবৃত্তি, গান এবং নাচের পর্ব সমগ্র অনুষ্ঠানে নান্দনিক রূপ দিয়ে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। কবিতা পাঠের আসরে আবৃত্তি করেন উদীয়মান কবি আহমেদ বেলাল, কবি জিয়াউল হক, কবি শোয়েব আহমেদ ও কবি জিল্লুর রহমান। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী জগলুল আহমেদ শামীম এবং শাহরিয়ার হিমুর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সুরের মূর্ছনা আর নৃত্যের তালে উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে লোকসাহিত্য একাডেমির পক্ষ থেকে অতিথি এবং আলোচকদের সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার দেওয়া হয়। #


২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২৭
আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের ৫৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাদিকের পরিবারে সন্তান ৫৮ জন। চার স্ত্রী ও এতগুলো সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। অভাবের কারণে পরিবারের কিছু শিশুকে কখনো কখনো ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যেতে হয়। বিশাল এই পরিবারের খাবার, পোশাক ও শিক্ষার খরচ জোগাতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাকে।
খামা প্রেস এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, নিজের পরিবারের ভরণপোষণের কঠিন বাস্তবতা নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন সাদিক। তিনি জানান, সন্তানদের সবার নাম মনে রাখাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনো পরিবারের সবাইকে নিয়ে খাওয়ার সময় সন্তানদের গুনে দেখতে হয়। তখন দেখা যায়, কেউ একজন অনুপস্থিত—হয়তো সে অন্য কোথাও রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে তার ও স্ত্রীদের ১৪ সন্তান মারা গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাদিক স্থানীয় একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। তার ভাষ্য, একটি গাড়ি বিক্রি হলে তিনি প্রায় এক হাজার আফগানি আয় করেন। এই সামান্য আয়ে পরিবারের এত সদস্যের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। সংসারের খরচ মেটাতে তার কয়েকজন সন্তানকেও কাজ করতে হয়। তাদের কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য কাগজ ও প্লাস্টিক সংগ্রহ করে।
পরিবারে সাধারণত দিনে দুই বেলা খাবার তৈরি হয়—সকালের নাশতা ও রাতের খাবার। দুই স্ত্রী রান্নার দায়িত্ব সামলান। শীতকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন, আর গ্রীষ্মে বসেন উঠানে। ঘুমানোর ব্যবস্থাও অত্যন্ত সীমিত। কখনো ছয়-সাতজনকে একটি পাতলা কম্বল ভাগাভাগি করে রাত কাটাতে হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে পরিবারটির বসবাসের অপ্রতুল পরিবেশের চিত্র উঠে এসেছে। বাড়ির ঘরগুলোতে প্রচলিত দরজা-জানালার পরিবর্তে পাতলা পর্দা ব্যবহার করা হয়। গোসলের স্থানেই কাপড় ও থালাবাসন ধোয়ার কাজ চলে; কখনো সেটি শৌচাগার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
এত প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সাদিক। তবে অর্থের অভাবে তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সাদিক জানান, বড় পরিবার গড়ার পেছনে তার উদ্দেশ্য ছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। কিন্তু এত সন্তানকে নিয়ে দৈনন্দিন জীবনে নানা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখেও পড়তে হয় তাকে।
একবার বিয়ের অনুষ্ঠানে এক ধর্মীয় নেতার কাছে এক মেয়ের পরিবর্তে অন্য মেয়ের নাম বলে ফেলেন তিনি। অনেক সময় সন্তানের নাম মনে করতে না পেরে তাদের ‘আমার ছেলে’ কিংবা ‘আমার সন্তান’ বলে ডাকেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাদিকের চার স্ত্রী যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তাদের বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। প্রথম বিয়ের সময় সাদিকের বয়স ছিল ২০ বছর। প্রতিটি বিয়ের আগে কনের বিয়ের মূল্য বা দেনমোহরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে তাকে দীর্ঘ সময় সঞ্চয় করতে হয়েছে।
সাদিকের পরিবারের ঘটনা অল্প বয়সে বিয়ে এবং কৈশোরে গর্ভধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টিও সামনে এনেছে। অল্প বয়সে গর্ভধারণ মেয়েদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, ঘন ঘন গর্ভধারণ মায়েদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সীমাবদ্ধতা এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সাদিক নিজেও পড়তে বা লিখতে পারেন না। পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে তিনি সরকার, ত্রাণ সংস্থা এবং ব্যবসায়ীদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন।
তার প্রত্যাশা, সন্তানরা যেন শিক্ষার সুযোগ পায় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য অন্তত পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করা যায়। বিশাল পরিবার নিয়ে তার এই সংগ্রাম আফগানিস্তানের দারিদ্র্য, খাদ্যসংকট ও শিক্ষাবঞ্চনার কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
সূত্র: খামা প্রেস এজেন্সি ও বিবিসির প্রতিবেদন।
আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের ৫৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাদিকের পরিবারে সন্তান ৫৮ জন। চার স্ত্রী ও এতগুলো সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। অভাবের কারণে পরিবারের কিছু শিশুকে কখনো কখনো ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যেতে হয়। বিশাল এই পরিবারের খাবার, পোশাক ও শিক্ষার খরচ জোগাতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাকে।
খামা প্রেস এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, নিজের পরিবারের ভরণপোষণের কঠিন বাস্তবতা নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন সাদিক। তিনি জানান, সন্তানদের সবার নাম মনে রাখাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনো পরিবারের সবাইকে নিয়ে খাওয়ার সময় সন্তানদের গুনে দেখতে হয়। তখন দেখা যায়, কেউ একজন অনুপস্থিত—হয়তো সে অন্য কোথাও রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে তার ও স্ত্রীদের ১৪ সন্তান মারা গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাদিক স্থানীয় একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। তার ভাষ্য, একটি গাড়ি বিক্রি হলে তিনি প্রায় এক হাজার আফগানি আয় করেন। এই সামান্য আয়ে পরিবারের এত সদস্যের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। সংসারের খরচ মেটাতে তার কয়েকজন সন্তানকেও কাজ করতে হয়। তাদের কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য কাগজ ও প্লাস্টিক সংগ্রহ করে।
পরিবারে সাধারণত দিনে দুই বেলা খাবার তৈরি হয়—সকালের নাশতা ও রাতের খাবার। দুই স্ত্রী রান্নার দায়িত্ব সামলান। শীতকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন, আর গ্রীষ্মে বসেন উঠানে। ঘুমানোর ব্যবস্থাও অত্যন্ত সীমিত। কখনো ছয়-সাতজনকে একটি পাতলা কম্বল ভাগাভাগি করে রাত কাটাতে হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে পরিবারটির বসবাসের অপ্রতুল পরিবেশের চিত্র উঠে এসেছে। বাড়ির ঘরগুলোতে প্রচলিত দরজা-জানালার পরিবর্তে পাতলা পর্দা ব্যবহার করা হয়। গোসলের স্থানেই কাপড় ও থালাবাসন ধোয়ার কাজ চলে; কখনো সেটি শৌচাগার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
এত প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সাদিক। তবে অর্থের অভাবে তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সাদিক জানান, বড় পরিবার গড়ার পেছনে তার উদ্দেশ্য ছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। কিন্তু এত সন্তানকে নিয়ে দৈনন্দিন জীবনে নানা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখেও পড়তে হয় তাকে।
একবার বিয়ের অনুষ্ঠানে এক ধর্মীয় নেতার কাছে এক মেয়ের পরিবর্তে অন্য মেয়ের নাম বলে ফেলেন তিনি। অনেক সময় সন্তানের নাম মনে করতে না পেরে তাদের ‘আমার ছেলে’ কিংবা ‘আমার সন্তান’ বলে ডাকেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাদিকের চার স্ত্রী যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তাদের বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। প্রথম বিয়ের সময় সাদিকের বয়স ছিল ২০ বছর। প্রতিটি বিয়ের আগে কনের বিয়ের মূল্য বা দেনমোহরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে তাকে দীর্ঘ সময় সঞ্চয় করতে হয়েছে।
সাদিকের পরিবারের ঘটনা অল্প বয়সে বিয়ে এবং কৈশোরে গর্ভধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টিও সামনে এনেছে। অল্প বয়সে গর্ভধারণ মেয়েদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, ঘন ঘন গর্ভধারণ মায়েদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সীমাবদ্ধতা এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সাদিক নিজেও পড়তে বা লিখতে পারেন না। পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে তিনি সরকার, ত্রাণ সংস্থা এবং ব্যবসায়ীদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন।
তার প্রত্যাশা, সন্তানরা যেন শিক্ষার সুযোগ পায় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য অন্তত পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করা যায়। বিশাল পরিবার নিয়ে তার এই সংগ্রাম আফগানিস্তানের দারিদ্র্য, খাদ্যসংকট ও শিক্ষাবঞ্চনার কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
সূত্র: খামা প্রেস এজেন্সি ও বিবিসির প্রতিবেদন।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৫
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’ এবং মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার। সৌদিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আজেল নিউজের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজে’ জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। পরে তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়।
বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপরাধের গুরুত্ব এবং সময় ও স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সাজা দেওয়া হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রায় বহাল রাখে এবং সাজা কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।
তবে ঠিক কী ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামি আইন বাস্তবায়নে সৌদি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও আজেল নিউজ।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’ এবং মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার। সৌদিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আজেল নিউজের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজে’ জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। পরে তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়।
বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপরাধের গুরুত্ব এবং সময় ও স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সাজা দেওয়া হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রায় বহাল রাখে এবং সাজা কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।
তবে ঠিক কী ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামি আইন বাস্তবায়নে সৌদি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও আজেল নিউজ।

১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৩৭
স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন—এমন দাবি করে ভারতের হরিদ্বারে একটি মোবাইল টাওয়ারে উঠে বসেন এক যুবক। স্ত্রীকে ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত নিচে নামবেন না বলে জানান তিনি। তাঁকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সন্ধ্যা গড়িয়ে রাতে নিজেই টাওয়ার থেকে নেমে আসেন ওই যুবক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার জেলার শিবালিক নগরে এ ঘটনা ঘটে। স্ত্রী অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে হরিদ্বারে চলে গেছেন বলে জানতে পেরে সেখানে ছুটে যান ওই যুবক। একপর্যায়ে তিনি উঠে পড়েন এলাকার একটি মোবাইল টাওয়ারে।
বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা যুবককে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। তবে নানা অনুরোধেও তিনি রাজি হননি। টাওয়ারের ওপর থেকে যুবক দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে হবে। স্ত্রীকে ফিরিয়ে না দিলে তিনি নিচে নামবেন না বলেও জানান।
পরিস্থিতি সামাল দিতে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে নিরাপদে নিচে নামানোর উদ্যোগ নেয়। তবে পুলিশের প্রাথমিক চেষ্টাও সফল হয়নি। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে স্ত্রী না আসা পর্যন্ত টাওয়ার থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান ওই যুবক।
এ অবস্থায় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাঁকে শান্ত করার পাশাপাশি নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও টাওয়ারের ওপর অবস্থান করছিলেন তিনি। পরে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামার সময় পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। দীর্ঘ সময় পর ওই যুবক নিজেই টাওয়ার থেকে নেমে আসেন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘ভূপি পাওয়ার’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভিডিওটি বহু মানুষের নজরে এসেছে।
স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন—এমন দাবি করে ভারতের হরিদ্বারে একটি মোবাইল টাওয়ারে উঠে বসেন এক যুবক। স্ত্রীকে ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত নিচে নামবেন না বলে জানান তিনি। তাঁকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সন্ধ্যা গড়িয়ে রাতে নিজেই টাওয়ার থেকে নেমে আসেন ওই যুবক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার জেলার শিবালিক নগরে এ ঘটনা ঘটে। স্ত্রী অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে হরিদ্বারে চলে গেছেন বলে জানতে পেরে সেখানে ছুটে যান ওই যুবক। একপর্যায়ে তিনি উঠে পড়েন এলাকার একটি মোবাইল টাওয়ারে।
বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা যুবককে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। তবে নানা অনুরোধেও তিনি রাজি হননি। টাওয়ারের ওপর থেকে যুবক দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে হবে। স্ত্রীকে ফিরিয়ে না দিলে তিনি নিচে নামবেন না বলেও জানান।
পরিস্থিতি সামাল দিতে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে নিরাপদে নিচে নামানোর উদ্যোগ নেয়। তবে পুলিশের প্রাথমিক চেষ্টাও সফল হয়নি। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে স্ত্রী না আসা পর্যন্ত টাওয়ার থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান ওই যুবক।
এ অবস্থায় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাঁকে শান্ত করার পাশাপাশি নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও টাওয়ারের ওপর অবস্থান করছিলেন তিনি। পরে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামার সময় পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। দীর্ঘ সময় পর ওই যুবক নিজেই টাওয়ার থেকে নেমে আসেন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘ভূপি পাওয়ার’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। এরই মধ্যে ভিডিওটি বহু মানুষের নজরে এসেছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩০
'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন শিল্পের মহারাজ। শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির এমন কোনো অঙ্গন নেই যেখানে তাঁর বিচরণ ছিল না। সেই বিচরণ ছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী এক রাজাধিরাজের মতোই। একই সাথে ইসলামী গজল এবং সনাতনী শ্যামাসঙ্গীত কৃষ্ণসঙ্গীত লেখার মতো গভীর বৈপরীত্যের প্রতিভায় পৃথিবীতে নজরুল ছাড়া দ্বিতীয়জন সৃষ্টি হয়নি। অসাম্প্রদায়িক শব্দটা শুধু তাঁর নামের সাথেই শোভা পায়। কবি হিসেবেও নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মহাকবি।' বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির আয়োজনে নজরুল স্মরণোৎসব-২০২৬'এর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণোৎসবে বক্তারা আরো বলেন, 'বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহ শিখেছিলেন কোনো পাঠশালা কিংবা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে নয়; তিনি বিদ্রোহ শিখেছিলেন নিজের জীবনের কাছ থেকে। অভাব তাঁকে শিখিয়েছে সংগ্রাম করতে। বঞ্চনা তাঁকে শিখিয়েছে প্রতিবাদ করতে। সামাজিক বৈষম্য তাঁকে শিখিয়েছে সাম্যের কথা বলতে। ঔপনিবেশিক শাসন তাঁকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে। কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সৈনিক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীতজ্ঞ, ধর্মীয় পন্ডিত, শিক্ষক, দার্শনিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং মানবতাবাদী একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।'
বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান দেশি-বিদেশি পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি মুস্তাফা হাবীবের সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক অমৃত লাল দে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক আকতার উদদীন চৌধুরী, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক কবি পথিক মোস্তফা ও দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আযাদ আলাউদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সাংবাদিক, কলামিস্ট, সুশাসন ব্যক্তিত্ব ও কবি আরিফ আহমেদ মুন্না।
সভায় অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী জাকির হোসেন সবুজ, আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক স্বপন কুমার বড়াল, জৈনুদ্দিন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি স.ম জসিম উদ্দিন ও লেখক মাহমুদ ইউসুফ। বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তিকার জাহিদ হোসেন হৃদয়ের সঞ্চালনায় স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আগরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবিতা পরিষদের বরিশাল জেলা সম্পাদক কবি মাহবুব রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক রাঙা প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (খন্ডকালীন) শাহিন মাহমুদসহ বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
নজরুল স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভার ফাঁকে ফাঁকে কবিতা আবৃত্তি, গান এবং নাচের পর্ব সমগ্র অনুষ্ঠানে নান্দনিক রূপ দিয়ে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। কবিতা পাঠের আসরে আবৃত্তি করেন উদীয়মান কবি আহমেদ বেলাল, কবি জিয়াউল হক, কবি শোয়েব আহমেদ ও কবি জিল্লুর রহমান। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী জগলুল আহমেদ শামীম এবং শাহরিয়ার হিমুর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সুরের মূর্ছনা আর নৃত্যের তালে উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে লোকসাহিত্য একাডেমির পক্ষ থেকে অতিথি এবং আলোচকদের সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার দেওয়া হয়। #

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২৪
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১