
০৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৫২
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক যুবদল নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে। ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ২য় আমলী
আদালতে ইতিমধ্যে মামলাও দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল সত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করে বলেন, যুবদলের নেতার পরিবারের সদস্য মোঃ ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার,তার ছেলে ইব্রাহিম সাউগার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি,আরেক ছেলে জাহিদ সাউগার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা, ছোট ছেলে উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ।
স্থানীয় সাউগার পরিবার প্রথমে আমাদের পূর্ব পুরুষের জমিতে ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে পায়রাবন্দর কতৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি টের পাওয়ার পর আমরা সঠিক কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের কাছে।
অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক দ্রুত এলএ শাখার কর্মকর্তাদের কতৃক প্রতারক ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এলএ শাখা কতৃপক্ষ তখন ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারকে এমন প্রতারণার আশ্রয় থেকে সরে যেতে বলেন।
মামলার বাদী ও বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল সত্তার আরও বলেন,ইব্রাহিম সাউগারের দ্যোচুচরা রাজনৈতিক পরিবার এবার বেকায়দায় পড়েছেন, তারা এমনটা বুঝতে পেরে আমাকে খুঁজে বের করেন। পাশাপাশি প্রতারণার কৌশলও খুঁজে বের করেন সাউগার পরিবার।
একপর্যায়ে আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। বিনিময়ে আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তারা।
এরপর,ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি সমাধানের পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হই। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় জনৈক এ্যাডভোকেটের চেম্বারে একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সোলেনামা করি, আমি।
সোলেনামা অনুযায়ী আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকার আপোষ হয়। এসময় ২ লক্ষ টাকা আমাকে নগদ প্রদান করে সাউগার পরিবার। পাশাপাশি বাকী ৩৮ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন প্রতারক ওই পরিবার। প্রদত্ত চেকটির নম্বর ছিলো ৩৭৬২৫০২। যার ক্ষেপুপাড়া উত্তরা ব্যাংক শাখার সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ১২৩০৩১।
এরপর শালিসি মোতাবেক জমির ক্ষতিপূরণের বাকি ৩৮ লক্ষ টাকা সময় মত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে সাউগার পরিবার। ২০২৪ সালের ৯ জুন পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় ওই এ্যাডভোকেটের চেম্বারে ফের শালিসিতে বসেন তারা। পরে টাকা পরিশোধ করার জন্য মৌখিকভাবে ওয়াদা করে চলে যায়।
কিন্তু ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ শালিসিতে বসে পূর্বের চেকে প্রদত্ত ৩৮ লক্ষ টাকা দিতে সাফ অস্বীকার করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। এসব প্রতারণার নাটেরগুরু ছিলেন শান্তি সাউগারের ছেলে যুবদলের নেতা ইব্রাহিম সাউগার।
২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল যুবদলের নেতার পরিবারের প্রতারণার শিকার হয়ে পটুয়াখালী আদালতে আমরা আরেকটি মামলা দায়ের করি। এই মামলার বাদিনী আমার পুত্রবধূ সালেহা হোসেন। কারণ আমার ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিলো না। যেকারণে ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার সালেহার ব্যাংক হিসেবে জমির ক্ষতিপূরণের ৩৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার ওয়াদা করেছিলো।
আদালতে দায়ের করা ৩৮ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়ে কথা হলে পটুয়াখালী সদর নৌ-ফাঁড়ী পুলিশের ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার পরিবারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার তদন্ত চলছে। বাদী ও বিবাদীদের উভয়কেই নোটিশ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে খুব শীঘ্রই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এদিকে চেক জালিয়াতি মামলার আসামি ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার বলেন,যে জমি নিয়ে প্রথমে আব্দুল সত্তার আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার প্রকৃত মালিক আমরা কেউ না। প্রকৃত মালিকের ৯৮ বছর যাবৎ কোনো খোঁজ নেই। তারপর থেকে খরিদ ও রেকর্ড সূত্রে আমরা মালিক।
৯৮ বছর যাবৎ প্রকৃত জমির মালিকের কোনো খোঁজ নেই,আপনি কিভাবে জমির মালিক হলেন? এমন প্রশ্নে চুপসে যান শান্তি সাউগার। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
এদিকে শান্তি সাউগারের ছেলে ও লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম সাউগার বলেন,আমার বাবা যা বলেছেন তা সঠিক নয়। আপনাদের (সংবাদকর্মী) সঙ্গে আমি কাগজপত্র নিয়ে পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি ভবনে সমঝোতা করার জন্য বসতে চাই।
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক যুবদল নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে। ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ২য় আমলী
আদালতে ইতিমধ্যে মামলাও দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল সত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করে বলেন, যুবদলের নেতার পরিবারের সদস্য মোঃ ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার,তার ছেলে ইব্রাহিম সাউগার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি,আরেক ছেলে জাহিদ সাউগার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা, ছোট ছেলে উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ।
স্থানীয় সাউগার পরিবার প্রথমে আমাদের পূর্ব পুরুষের জমিতে ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে পায়রাবন্দর কতৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি টের পাওয়ার পর আমরা সঠিক কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের কাছে।
অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক দ্রুত এলএ শাখার কর্মকর্তাদের কতৃক প্রতারক ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এলএ শাখা কতৃপক্ষ তখন ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারকে এমন প্রতারণার আশ্রয় থেকে সরে যেতে বলেন।
মামলার বাদী ও বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল সত্তার আরও বলেন,ইব্রাহিম সাউগারের দ্যোচুচরা রাজনৈতিক পরিবার এবার বেকায়দায় পড়েছেন, তারা এমনটা বুঝতে পেরে আমাকে খুঁজে বের করেন। পাশাপাশি প্রতারণার কৌশলও খুঁজে বের করেন সাউগার পরিবার।
একপর্যায়ে আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। বিনিময়ে আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তারা।
এরপর,ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি সমাধানের পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হই। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় জনৈক এ্যাডভোকেটের চেম্বারে একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সোলেনামা করি, আমি।
সোলেনামা অনুযায়ী আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকার আপোষ হয়। এসময় ২ লক্ষ টাকা আমাকে নগদ প্রদান করে সাউগার পরিবার। পাশাপাশি বাকী ৩৮ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন প্রতারক ওই পরিবার। প্রদত্ত চেকটির নম্বর ছিলো ৩৭৬২৫০২। যার ক্ষেপুপাড়া উত্তরা ব্যাংক শাখার সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ১২৩০৩১।
এরপর শালিসি মোতাবেক জমির ক্ষতিপূরণের বাকি ৩৮ লক্ষ টাকা সময় মত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে সাউগার পরিবার। ২০২৪ সালের ৯ জুন পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় ওই এ্যাডভোকেটের চেম্বারে ফের শালিসিতে বসেন তারা। পরে টাকা পরিশোধ করার জন্য মৌখিকভাবে ওয়াদা করে চলে যায়।
কিন্তু ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ শালিসিতে বসে পূর্বের চেকে প্রদত্ত ৩৮ লক্ষ টাকা দিতে সাফ অস্বীকার করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। এসব প্রতারণার নাটেরগুরু ছিলেন শান্তি সাউগারের ছেলে যুবদলের নেতা ইব্রাহিম সাউগার।
২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল যুবদলের নেতার পরিবারের প্রতারণার শিকার হয়ে পটুয়াখালী আদালতে আমরা আরেকটি মামলা দায়ের করি। এই মামলার বাদিনী আমার পুত্রবধূ সালেহা হোসেন। কারণ আমার ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিলো না। যেকারণে ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার সালেহার ব্যাংক হিসেবে জমির ক্ষতিপূরণের ৩৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার ওয়াদা করেছিলো।
আদালতে দায়ের করা ৩৮ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়ে কথা হলে পটুয়াখালী সদর নৌ-ফাঁড়ী পুলিশের ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার পরিবারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার তদন্ত চলছে। বাদী ও বিবাদীদের উভয়কেই নোটিশ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে খুব শীঘ্রই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এদিকে চেক জালিয়াতি মামলার আসামি ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার বলেন,যে জমি নিয়ে প্রথমে আব্দুল সত্তার আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার প্রকৃত মালিক আমরা কেউ না। প্রকৃত মালিকের ৯৮ বছর যাবৎ কোনো খোঁজ নেই। তারপর থেকে খরিদ ও রেকর্ড সূত্রে আমরা মালিক।
৯৮ বছর যাবৎ প্রকৃত জমির মালিকের কোনো খোঁজ নেই,আপনি কিভাবে জমির মালিক হলেন? এমন প্রশ্নে চুপসে যান শান্তি সাউগার। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
এদিকে শান্তি সাউগারের ছেলে ও লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম সাউগার বলেন,আমার বাবা যা বলেছেন তা সঠিক নয়। আপনাদের (সংবাদকর্মী) সঙ্গে আমি কাগজপত্র নিয়ে পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি ভবনে সমঝোতা করার জন্য বসতে চাই।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.