
১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পশ্চিম মিঠাখালী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি। তিনি পিরোজপুর–৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত এমপি প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমির শরীফ মো. আব্দুল জলিলকে পরাজিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাতজন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এতে শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বিজয়ী হয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার ও মঠবাড়িয়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম ভোটগ্রহণ শেষে বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, দুজন শিক্ষক তার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোটগ্রহণ শেষ করেছি। এর আগে সোমবার (১৩ অক্টোবর) মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ভোট দিয়ে সাতজন সদস্য নির্বাচিত করেন, যারা পরে সভাপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন। এ বিষয়ে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) শরীফ মো. আব্দুল জলিল পক্ষে উপজেলা শাখা সেক্রেটারি মো. আবুল কালাম আজাদ মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এতে মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, মো. আব্দুল জলিল বৃহস্পতিবার ঢাকা গিয়েছেন। তাকে মোল্লাবাড়ি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী করা হয়েছে তা জলিল এবং মঠবাড়িয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী অবগত নন। তার অনুমতি ছাড়া যারা এ কাজটি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, বিভিন্ন অনলাইন নিউজে যে নিউজটি ভাইরাল হয়েছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভোট হওয়ার আগে কমিটিতে থাকার বিষয়ে অপারগতা জানিয়েছেন। তারপরও কমিটির পক্ষ থেকে দু-একজন মো. আব্দুল জলিলের নাম প্রস্তাব করেছেন।
তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে একটি মহল। তিনি কোনো কাগজপত্র স্বাক্ষর করেননি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে একটি মহল। যেহেতু তিনি এমপি প্রার্থী তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মহল কাজ করতেছে।
আর ছাত্রদল নেতা শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি বলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমি নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে একটি মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পশ্চিম মিঠাখালী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি। তিনি পিরোজপুর–৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত এমপি প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমির শরীফ মো. আব্দুল জলিলকে পরাজিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাতজন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এতে শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বিজয়ী হয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার ও মঠবাড়িয়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম ভোটগ্রহণ শেষে বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, দুজন শিক্ষক তার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোটগ্রহণ শেষ করেছি। এর আগে সোমবার (১৩ অক্টোবর) মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ভোট দিয়ে সাতজন সদস্য নির্বাচিত করেন, যারা পরে সভাপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন। এ বিষয়ে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) শরীফ মো. আব্দুল জলিল পক্ষে উপজেলা শাখা সেক্রেটারি মো. আবুল কালাম আজাদ মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এতে মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, মো. আব্দুল জলিল বৃহস্পতিবার ঢাকা গিয়েছেন। তাকে মোল্লাবাড়ি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী করা হয়েছে তা জলিল এবং মঠবাড়িয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী অবগত নন। তার অনুমতি ছাড়া যারা এ কাজটি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, বিভিন্ন অনলাইন নিউজে যে নিউজটি ভাইরাল হয়েছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভোট হওয়ার আগে কমিটিতে থাকার বিষয়ে অপারগতা জানিয়েছেন। তারপরও কমিটির পক্ষ থেকে দু-একজন মো. আব্দুল জলিলের নাম প্রস্তাব করেছেন।
তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে একটি মহল। তিনি কোনো কাগজপত্র স্বাক্ষর করেননি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে একটি মহল। যেহেতু তিনি এমপি প্রার্থী তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মহল কাজ করতেছে।
আর ছাত্রদল নেতা শাহাদাৎ হোসেন ফরাজি বলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমি নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে একটি মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:৪৯
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় কচা নদীতে ডুবন্ত জাহাজের ভেতর থেকে মো. আব্দুল্লাহ পশারী (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরসংলগ্ন কচা নদীতে ডুবে থাকা এমভি গ্রীন এসট্রল-১ নামের একটি জাহাজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল্লাহ পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আলাল পশারীর ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তার ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা। পরে তাঁর বড় ভাই রানা পশারী ১৩ জুন জিয়ানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রানা পশারী বলেন, ‘তিন দিন ধরে আমার ভাই নিখোঁজ ছিল। থানায় জিডিও করেছিলাম। সে কীভাবে ওই জাহাজের কাছে গেল, তা বুঝতে পারছি না। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বোঝা যাবে।’
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা চাওয়া হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা জাহাজের ভেতর থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় কচা নদীতে ডুবন্ত জাহাজের ভেতর থেকে মো. আব্দুল্লাহ পশারী (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরসংলগ্ন কচা নদীতে ডুবে থাকা এমভি গ্রীন এসট্রল-১ নামের একটি জাহাজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল্লাহ পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আলাল পশারীর ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তার ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা। পরে তাঁর বড় ভাই রানা পশারী ১৩ জুন জিয়ানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রানা পশারী বলেন, ‘তিন দিন ধরে আমার ভাই নিখোঁজ ছিল। থানায় জিডিও করেছিলাম। সে কীভাবে ওই জাহাজের কাছে গেল, তা বুঝতে পারছি না। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বোঝা যাবে।’
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা চাওয়া হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা জাহাজের ভেতর থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:৪০
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা ঝালকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বেড়া নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগনিগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. তৈয়ব হোসেনের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে গাছ কাটার কাজ চলতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের নামে দুটি দলিলে মোট ৫৪ শতাংশ জমি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ভোগদখলে থাকা মাঠের একটি অংশ দখল করে সেখানে বেড়া দিয়েছেন তৈয়ব হোসেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের রোপণ করা সাতটি বড় মেহগনিগাছ কেটে নিচ্ছেন তিনি।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সামনে থাকা মাঠের প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে বেড়া দেওয়া হয়েছে। গাছও কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। যদি তাঁর (তৈয়ব হোসেন) জমির দাবি থাকে, তাহলে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমি মেপে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান বলেন, জমিটি বিদ্যালয়ের নামে। তিনি (তৈয়ব হোসেন) দাবি করছেন মামলার মাধ্যমে জমি পেয়েছেন। যদি সত্যিই রায় পেয়ে থাকেন, তাহলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাঁটিয়ে গাছ কেটে নিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘আমি আদালতের মাধ্যমে এই জমি পেয়েছি। তাই আমার জমির গাছ আমি কাটছি।’ বিদ্যালয়ের পাশের বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, ‘একসময় তৈয়ব হোসেন বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে চেয়েছিলেন। পরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রতিবাদ করায় স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছিলেন। এখন তিনি বিদ্যালয়ের জমি দখল করে গাছ কাটছেন।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা ঝালকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বেড়া নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগনিগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. তৈয়ব হোসেনের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে গাছ কাটার কাজ চলতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের নামে দুটি দলিলে মোট ৫৪ শতাংশ জমি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ভোগদখলে থাকা মাঠের একটি অংশ দখল করে সেখানে বেড়া দিয়েছেন তৈয়ব হোসেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের রোপণ করা সাতটি বড় মেহগনিগাছ কেটে নিচ্ছেন তিনি।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সামনে থাকা মাঠের প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে বেড়া দেওয়া হয়েছে। গাছও কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। যদি তাঁর (তৈয়ব হোসেন) জমির দাবি থাকে, তাহলে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমি মেপে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান বলেন, জমিটি বিদ্যালয়ের নামে। তিনি (তৈয়ব হোসেন) দাবি করছেন মামলার মাধ্যমে জমি পেয়েছেন। যদি সত্যিই রায় পেয়ে থাকেন, তাহলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাঁটিয়ে গাছ কেটে নিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘আমি আদালতের মাধ্যমে এই জমি পেয়েছি। তাই আমার জমির গাছ আমি কাটছি।’ বিদ্যালয়ের পাশের বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, ‘একসময় তৈয়ব হোসেন বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে চেয়েছিলেন। পরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রতিবাদ করায় স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছিলেন। এখন তিনি বিদ্যালয়ের জমি দখল করে গাছ কাটছেন।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.