
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.