Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ মে, ২০২৫ ২১:৩৪
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.
Jebunessa Afroz
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
পটুয়াখালীর বাউফলে ফিরোজ নামে এক তরমুজ চাষির কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতে গিয়ে জনতার গণপিটুনিতে উজ্জল কর্মকার (৩০) নামের যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান (৪৫) এবং শামীম (৩৫) নামে আরও দুই যুবক। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে ৫ টার দিকে উপজেলার মূল ভুখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের কাশেম গাজীর ছেলে তরমুজ চাষি ফিরোজের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ওরফে সেরাজ ডাক্তারের ছেলে মিজানুর রহমান। ঘটনার দিন মঙ্গলবার বিকালে ফিরোজ ফিরোজ তাঁর চাষাবাদ করা তরমুজ ক্ষেত থেকে তরমুজ কেটে ট্রলারে উঠাচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ব থেকে চাঁদা দাবি করা মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফিরোজের তরমুজ কাটায় বাঁধা দেয় এবং ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের দাবিকৃত টাকা দিতে ফিরোজ অস্বীকৃতি জানালে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় ফিরোজের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরেও হামলা করে। সংবাদ পুরো এলাকা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘটনাস্থলে পৌছে ফিরোজের ওপর হামলাকারীদের মধ্যে মিজানুর রহমান , উজ্জল কর্মকার এবং শামীমকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হলে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উজ্জল কর্মকার মৃত্যুবরণ করেন।
আহত তরমুজ চাষি ফিরোজ এবং তাঁর ওপর হামলাকারী আহত শামীমকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান চন্দ্রদ্বীপে তরমুজ খেতে যাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত তরমুজ কাটতে নিষেধ করা হয়। এতে ফিরোজ ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন নিয়ে হামলা চালিয়েছে, এতে উজ্জলের মৃত্যু হয়েছে। এই খুনের দায় এড়াতে চাঁদাবাজি এবং গণপিটুনির নাটক সাজানো হয়।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
পটুয়াখালীর বাউফলে ফিরোজ নামে এক তরমুজ চাষির কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতে গিয়ে জনতার গণপিটুনিতে উজ্জল কর্মকার (৩০) নামের যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান (৪৫) এবং শামীম (৩৫) নামে আরও দুই যুবক। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে ৫ টার দিকে উপজেলার মূল ভুখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের কাশেম গাজীর ছেলে তরমুজ চাষি ফিরোজের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ওরফে সেরাজ ডাক্তারের ছেলে মিজানুর রহমান। ঘটনার দিন মঙ্গলবার বিকালে ফিরোজ ফিরোজ তাঁর চাষাবাদ করা তরমুজ ক্ষেত থেকে তরমুজ কেটে ট্রলারে উঠাচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ব থেকে চাঁদা দাবি করা মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফিরোজের তরমুজ কাটায় বাঁধা দেয় এবং ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের দাবিকৃত টাকা দিতে ফিরোজ অস্বীকৃতি জানালে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় ফিরোজের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরেও হামলা করে। সংবাদ পুরো এলাকা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘটনাস্থলে পৌছে ফিরোজের ওপর হামলাকারীদের মধ্যে মিজানুর রহমান , উজ্জল কর্মকার এবং শামীমকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হলে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উজ্জল কর্মকার মৃত্যুবরণ করেন।
আহত তরমুজ চাষি ফিরোজ এবং তাঁর ওপর হামলাকারী আহত শামীমকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান চন্দ্রদ্বীপে তরমুজ খেতে যাওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত তরমুজ কাটতে নিষেধ করা হয়। এতে ফিরোজ ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন নিয়ে হামলা চালিয়েছে, এতে উজ্জলের মৃত্যু হয়েছে। এই খুনের দায় এড়াতে চাঁদাবাজি এবং গণপিটুনির নাটক সাজানো হয়।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬