Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ মে, ২০২৫ ২১:৩৪
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.
Jebunessa Afroz
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৫৭

০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৪০
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুন) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, তার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।
এ লক্ষ্যে উভয়পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন।
এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুন) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, তার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।
এ লক্ষ্যে উভয়পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন।
এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস