
২৬ মে, ২০২৫ ২১:৩৪
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.
Jebunessa Afroz
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে অবৈধভাবে বাড়িতে ডিজেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাজার কলতা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি বাড়িতে ২০টিরও বেশি তেলের ড্রাম পাওয়া গেলেও সেখানে ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় রাজার কলতা এলাকার নয়ন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নয়ন জানান, তার শ্বশুর রফিকুল ইসলাম বাল্লা ইউনিয়নের ভাদিয়াখোলা বাজারের একজন তেলের ডিলার। শ্বশুরের দেওয়া তেল তিনি নিজের বাড়িতে রেখে বিক্রি করছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০

১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা দেড় টন চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুস্থদের বরাদ্দের এই চাল চার-পাঁচ মাস গুদামে ফেলে রাখার কারণে চালে বসবাস করছে ইঁদুর-পোকা। অবশেষে ধরেছে পচন। এমন চিত্র দেখা যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়।
দুস্থদের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ চাল অজ্ঞাত কারণে সময়মতো বিতরণ না করায় ইঁদুর ও পোকায় খাওয়ায় পর এখন পচন ধরেছে ১৫০০ কেজি চালে। ফলে খাবার অনুপযোগী হওয়া ওই চাল দেখে কার্ডধারী ও জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের জামতলা বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ওই কার্যালয়ে দুপুরের দিকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় ইঁদুরে কাটা বস্তা বাইরে বের করা হয়।
পচা ও নষ্ট চাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মেঝেতে। বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। গুদামে চালের বস্তা কমপক্ষে ৫০টি (৩০ কেজি বস্তা), যার পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় টন বা ১৫০০ কেজি। এমন খবরে গুদামে দেখা যায় স্থানীয়দের ভিড়। এ সময় পোকায় খাওয়া চাল দেখে আফসোস করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।
চালের বস্তাগুলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের। আগের নাম ভিজিডি। বরাদ্দের চাল নিয়মিত বিতরণ না করায় আগের চার-পাঁচ মাসের বরাদ্দের চাল ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা হয়েছে।
গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল মেঝেতে পড়ে রয়েছে। চালের ওপর বড় বড় পোকা দেখা যাচ্ছে। ইঁদুরের বিষ্ঠা পড়ে রয়েছে। ইঁদুরে খাওয়া চালের বস্তাগুলো গুদামের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চাল পঁচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে গুদামে বেশিক্ষণ থাকা যায় না। চালগুলো খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গ্রাম পুলিশের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে বলা হয়েছে গুদাম পাহারা দেওয়ার জন্য। চাল নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী করার আছে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, এত চাল কীভাবে রয়েছে, তা আমাদের জানা নেই। সচিব বলতে পারবেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, কার্ডধারীদের খোঁজ করে না পাওয়ায় ওইসব বরাদ্দ রয়েছে। ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে কী করার আছে! তা ছাড়া পরিষদ না থাকায় ভালো স্থানের অভাবে অল্প দিনেই চাল নষ্ট হয়ে যায়।
রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, এই চালের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে অবৈধভাবে বাড়িতে ডিজেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাজার কলতা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি বাড়িতে ২০টিরও বেশি তেলের ড্রাম পাওয়া গেলেও সেখানে ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় রাজার কলতা এলাকার নয়ন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নয়ন জানান, তার শ্বশুর রফিকুল ইসলাম বাল্লা ইউনিয়নের ভাদিয়াখোলা বাজারের একজন তেলের ডিলার। শ্বশুরের দেওয়া তেল তিনি নিজের বাড়িতে রেখে বিক্রি করছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা দেড় টন চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুস্থদের বরাদ্দের এই চাল চার-পাঁচ মাস গুদামে ফেলে রাখার কারণে চালে বসবাস করছে ইঁদুর-পোকা। অবশেষে ধরেছে পচন। এমন চিত্র দেখা যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়।
দুস্থদের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ চাল অজ্ঞাত কারণে সময়মতো বিতরণ না করায় ইঁদুর ও পোকায় খাওয়ায় পর এখন পচন ধরেছে ১৫০০ কেজি চালে। ফলে খাবার অনুপযোগী হওয়া ওই চাল দেখে কার্ডধারী ও জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের জামতলা বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ওই কার্যালয়ে দুপুরের দিকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় ইঁদুরে কাটা বস্তা বাইরে বের করা হয়।
পচা ও নষ্ট চাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মেঝেতে। বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। গুদামে চালের বস্তা কমপক্ষে ৫০টি (৩০ কেজি বস্তা), যার পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় টন বা ১৫০০ কেজি। এমন খবরে গুদামে দেখা যায় স্থানীয়দের ভিড়। এ সময় পোকায় খাওয়া চাল দেখে আফসোস করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।
চালের বস্তাগুলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের। আগের নাম ভিজিডি। বরাদ্দের চাল নিয়মিত বিতরণ না করায় আগের চার-পাঁচ মাসের বরাদ্দের চাল ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা হয়েছে।
গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল মেঝেতে পড়ে রয়েছে। চালের ওপর বড় বড় পোকা দেখা যাচ্ছে। ইঁদুরের বিষ্ঠা পড়ে রয়েছে। ইঁদুরে খাওয়া চালের বস্তাগুলো গুদামের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চাল পঁচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে গুদামে বেশিক্ষণ থাকা যায় না। চালগুলো খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গ্রাম পুলিশের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে বলা হয়েছে গুদাম পাহারা দেওয়ার জন্য। চাল নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী করার আছে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, এত চাল কীভাবে রয়েছে, তা আমাদের জানা নেই। সচিব বলতে পারবেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, কার্ডধারীদের খোঁজ করে না পাওয়ায় ওইসব বরাদ্দ রয়েছে। ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে কী করার আছে! তা ছাড়া পরিষদ না থাকায় ভালো স্থানের অভাবে অল্প দিনেই চাল নষ্ট হয়ে যায়।
রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, এই চালের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫