Jebunessa Afroz
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

০৭ আগস্ট, ২০২৬ ০০:২৬
বরিশাল সরকারি (বিএম) কলেজে ছাত্রশিবিরের ৯ জন কর্মীকে ছাত্রাবাস থেকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নালিশ দিতে অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে শিবির সভাপতিসহ অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করে ক্যাম্পাস থেকে বের দেয় ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) দুপুরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে এসব ঘটনা হয়।
কলেজ শাখা শিবির সভাপতি মো. নাহিদ আল হাসান সাংবাদিকদের জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে দুটি ছাত্রাবাসে শিবির কর্মীদের ওপর ছাত্রদল হামলা করেছে। এরপর থেকে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। বিষয়টি আলোচনার জন্য তিনি অন্যান্য কর্মীদের নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অধ্যক্ষের কক্ষে যান। এ খবর জেনে কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়েরসহ সহযোগীরা গিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়। পরে অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাস থেকে ৯ কর্মীকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছে ছাত্রদল।
কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. সাহেদ খান অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের কর্মীরা অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে তাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মীকে ধাক্কা, কলার ধরে টেনে বের করে দেওয়া এবং মারধর করা হয়। ঘটনার সময় অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
তবে বিএম কলেজ শাখার সভাপতি রাকিবুল দাবি করেন, শিবির বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তারা কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। ছাত্রাবাস থেকে শিবির কর্মীদের বের করে দেওয়ার বিষয়ে বলেন, এ বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি শুনেছেন আগে শিবিরের কিছু নেতাকর্মী দুটি ছাত্রাবাস জোর করে কক্ষ দখল করে রেখেছিল। হয়তো সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ওই কক্ষে উঠেছেন।
অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান জানান, ছাত্রাবাস থেকে কয়েকজন ছাত্রকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ছাত্রশিবির। বিষয়টি তদন্ত করে সমাধান করার চেষ্টা চলছে।
কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, শিবির নেতাকর্মীরা এসেছিল ক্যাম্পাসের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হলে দুইপক্ষ মুখোমুখি এবং উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। একপর্যায়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন।’
বরিশাল সরকারি (বিএম) কলেজে ছাত্রশিবিরের ৯ জন কর্মীকে ছাত্রাবাস থেকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নালিশ দিতে অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে শিবির সভাপতিসহ অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করে ক্যাম্পাস থেকে বের দেয় ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) দুপুরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে এসব ঘটনা হয়।
কলেজ শাখা শিবির সভাপতি মো. নাহিদ আল হাসান সাংবাদিকদের জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে দুটি ছাত্রাবাসে শিবির কর্মীদের ওপর ছাত্রদল হামলা করেছে। এরপর থেকে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। বিষয়টি আলোচনার জন্য তিনি অন্যান্য কর্মীদের নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অধ্যক্ষের কক্ষে যান। এ খবর জেনে কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়েরসহ সহযোগীরা গিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়। পরে অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাস থেকে ৯ কর্মীকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছে ছাত্রদল।
কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. সাহেদ খান অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের কর্মীরা অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে তাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মীকে ধাক্কা, কলার ধরে টেনে বের করে দেওয়া এবং মারধর করা হয়। ঘটনার সময় অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
তবে বিএম কলেজ শাখার সভাপতি রাকিবুল দাবি করেন, শিবির বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তারা কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। ছাত্রাবাস থেকে শিবির কর্মীদের বের করে দেওয়ার বিষয়ে বলেন, এ বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি শুনেছেন আগে শিবিরের কিছু নেতাকর্মী দুটি ছাত্রাবাস জোর করে কক্ষ দখল করে রেখেছিল। হয়তো সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ওই কক্ষে উঠেছেন।
অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান জানান, ছাত্রাবাস থেকে কয়েকজন ছাত্রকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ছাত্রশিবির। বিষয়টি তদন্ত করে সমাধান করার চেষ্টা চলছে।
কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, শিবির নেতাকর্মীরা এসেছিল ক্যাম্পাসের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হলে দুইপক্ষ মুখোমুখি এবং উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। একপর্যায়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন।’

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৬ মে, ২০২৫ ২১:৩৪
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ০০:২৬
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৪