Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ মে, ২০২৫ ২১:৩৪
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.
Jebunessa Afroz
Former member of parliament for Barishal-5 constituency Jebunnesa Afroz, who was earlier arrested in a murder case in Dhaka, has now been shown arrested in a explosives case filed in Barishal and sent to jail following a court order.
Barishal Additional Metropolitan Magistrate Court Judge Habibur Rahman passed the order this afternoon (26 May), after rejecting her bail petition.
Confirming the matter, Barishal's Kotwali Model Police Station Officer-in-Charge Mizanur Rahman said the explosives case was filed by Marjuk Abdullah, a suspended district leader of the Students Against Discrimination.
The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel
On 17 May, Jebunnesa Afroz was arrested from Keraniganj in Dhaka in connection with a killing during the 2024 July mass uprising.
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না প্যাচিয়ে এক বিধবা নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় ইজিবাইকের চাকা ও গলার সাথে ওড়না প্যাচিয়ে এক বিধবা নারী গুরুত্বর আহত হন।
এরপর তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাঃ তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায় ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ওলান কাঠী গ্রামের মৃত রব হাওলাদার স্ত্রী জাহানারা বেগম(৬৫) বাড়ি থেকে চাচাতো দেবর কামাল হাওলাদার (৫০)ও তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা (৪০)কে সাথে নিয়ে রহমতপুর থেকে ইজিবাইক যোগে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর সুইস হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে দুপর ১২ টার দিকে ইজিবাইকের চাকা ও গলার সাথে ওড়না প্যাচিয়ে মাটিতে লুটে পরে।
পরে হাসপাতালে নেয়া হলেও প্রান রক্ষা হলোনা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ উজিরপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তবে পরিবারকে খোঁজ মিলেছে এবং তাদেরকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পরিবারকে জানানো হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৯

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৮
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না প্যাচিয়ে এক বিধবা নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় ইজিবাইকের চাকা ও গলার সাথে ওড়না প্যাচিয়ে এক বিধবা নারী গুরুত্বর আহত হন।
এরপর তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাঃ তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায় ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ওলান কাঠী গ্রামের মৃত রব হাওলাদার স্ত্রী জাহানারা বেগম(৬৫) বাড়ি থেকে চাচাতো দেবর কামাল হাওলাদার (৫০)ও তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা (৪০)কে সাথে নিয়ে রহমতপুর থেকে ইজিবাইক যোগে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর সুইস হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে দুপর ১২ টার দিকে ইজিবাইকের চাকা ও গলার সাথে ওড়না প্যাচিয়ে মাটিতে লুটে পরে।
পরে হাসপাতালে নেয়া হলেও প্রান রক্ষা হলোনা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ উজিরপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তবে পরিবারকে খোঁজ মিলেছে এবং তাদেরকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পরিবারকে জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বিএপি নেতার অফিসে হামলা চালিয়ে চেয়ার ও তথ্যমন্ত্রীর ব্যানার ভাঙচুরসহ মারধরের অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টুর অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমি মাদক বিক্রির বিষয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, এতে স্থানীয় কয়েকজন মাদক বিক্রেতা আমার ওপর ক্ষুব্ধ। এরই জেরে সোমবার সন্ধ্যার পর ঢাকা কোতয়ালি থানা ছাত্রদলের সদস্য রাকিব হাসান আলভী, বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা জুয়েল হাওলাদার, মনির ফকির, শহিদুল ফকির, বার্থী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি অভি কাজীসহ আরও ১০/১২ জন আমার অফিসে হামলা চালায়। এসময় তারা অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করে পানিতে ফেলে দেয় এবং তথ্যমন্ত্রীর ব্যানার ভেঙে ফেলে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওইদিন রাত ৯টার দিকে তথ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বার্থী বাজারে আসি। এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীদের সামনেই আমাকে মারধর করে তারা।
তবে বিক্ষুব্ধ যুব ও ছাত্রদলের ওই নেতাকর্মীরা মিজানুরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা জানান, ফ্যাসিস্ট আ.লীগ সরকারের আমলে মিজানুর রহমান ঢাকায় থেকে একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করতেন। আওয়ামী লীগের পতনের পর মিন্টু এলাকায় ফিরে বিএনপির বড় নেতা সেজেছেন। হামলা-মামলার শিকার বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে বার্থী ইউনিয়নে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন।
যুব ও ছাত্রদলের ওই নেতাকর্মীরা বলেন, তিনি (মিজানুর) পক্ষপাতিত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতি করে ভিজিএফর স্লিপ বিতরণ, টাকার বিনিময়ে জেলে কার্ডের চাল বিতরণ করেন। এছাড়া গ্রাম্য সালিশ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ইরি-বোরো ব্লকের নেতৃত্ব দখল, যাত্রী ছাউনি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। তার চাঁদাবাজি ও দখলবাজির প্রতিবাদে ইউনিয়ন যুবদল ও ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী বার্থী বাজার ও বার্থী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
তারা বলেন, বার্থীতে মিজানুর রহমানের কোনো অফিস নেই। সে যাত্রী ছাউনি দখল করে অফিস বানিয়েছে। এখানে কোনো ভাঙচুর কিংবা হামলার ঘটনা ঘটেনি।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
গৌরনদী থানা পুলিশের ওসি তারিক হাসান রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বিএপি নেতার অফিসে হামলা চালিয়ে চেয়ার ও তথ্যমন্ত্রীর ব্যানার ভাঙচুরসহ মারধরের অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টুর অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমি মাদক বিক্রির বিষয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, এতে স্থানীয় কয়েকজন মাদক বিক্রেতা আমার ওপর ক্ষুব্ধ। এরই জেরে সোমবার সন্ধ্যার পর ঢাকা কোতয়ালি থানা ছাত্রদলের সদস্য রাকিব হাসান আলভী, বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা জুয়েল হাওলাদার, মনির ফকির, শহিদুল ফকির, বার্থী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি অভি কাজীসহ আরও ১০/১২ জন আমার অফিসে হামলা চালায়। এসময় তারা অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করে পানিতে ফেলে দেয় এবং তথ্যমন্ত্রীর ব্যানার ভেঙে ফেলে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওইদিন রাত ৯টার দিকে তথ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বার্থী বাজারে আসি। এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীদের সামনেই আমাকে মারধর করে তারা।
তবে বিক্ষুব্ধ যুব ও ছাত্রদলের ওই নেতাকর্মীরা মিজানুরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা জানান, ফ্যাসিস্ট আ.লীগ সরকারের আমলে মিজানুর রহমান ঢাকায় থেকে একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করতেন। আওয়ামী লীগের পতনের পর মিন্টু এলাকায় ফিরে বিএনপির বড় নেতা সেজেছেন। হামলা-মামলার শিকার বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে বার্থী ইউনিয়নে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন।
যুব ও ছাত্রদলের ওই নেতাকর্মীরা বলেন, তিনি (মিজানুর) পক্ষপাতিত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতি করে ভিজিএফর স্লিপ বিতরণ, টাকার বিনিময়ে জেলে কার্ডের চাল বিতরণ করেন। এছাড়া গ্রাম্য সালিশ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ইরি-বোরো ব্লকের নেতৃত্ব দখল, যাত্রী ছাউনি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। তার চাঁদাবাজি ও দখলবাজির প্রতিবাদে ইউনিয়ন যুবদল ও ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী বার্থী বাজার ও বার্থী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
তারা বলেন, বার্থীতে মিজানুর রহমানের কোনো অফিস নেই। সে যাত্রী ছাউনি দখল করে অফিস বানিয়েছে। এখানে কোনো ভাঙচুর কিংবা হামলার ঘটনা ঘটেনি।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
গৌরনদী থানা পুলিশের ওসি তারিক হাসান রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’