
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৫৩
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনের বিরুদ্ধে জেলেদের চাল আত্মসাৎ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন উপজেলার রণগোপালদি ইউনিয়নে ২ হাজার ২৭০ জন নিবন্ধিত জেলের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। রোববার সকাল ১০টার দিকে রনগোপালদী ইউনিয়নে চাল বিতরণ করেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম রুবেল। তিনি জানান, ইউনিয়নের মোট বরাদ্দ অনুযায়ী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনের কাছে ৩১০ জন জেলের জন্য ১৫৫ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) চাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, মোশারেফ হোসেন ওই চালের মধ্যে ১৪ বস্তা (২৮ জনের বরাদ্দ) নিজে আত্মসাৎ করেন এবং আরও ৬ বস্তা (১২ জনের বরাদ্দ) ‘ক্যারিং খরচ’ দেখিয়ে বিক্রি করে দেন।
স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পারলে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি নানাভাবে চেষ্টা চালান, এমনকি টাকা-পয়সার প্রলোভনও দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের রিকশাচালক জালাল বলেন, আমার রিকশায় ৬ বস্তা চাল মোশারেফ মেম্বার আর বারেক ফকির আমাকে তুলে দিয়েছে, এই চাল বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিতে। এক বস্তা ঢালি বাড়ি দিতে, বাকিটা ফকির বাড়ি রাখতে। আমি ভাড়ার বিনিময়ে চাল টানছিলাম।
৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বারেক মিয়া জানান, অনেকে চাল নিতে আসেনাই মোশারেফ মেম্বার বলছে, এই আট বস্তা চাল রাখতে। আমি পাহারা দিচ্ছি, সে এসে যা করার করবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন বলেন, চাল বিতরণের সময় প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ক্যারিং খরচ সরকারিভাবে দেওয়া হয় তবে সে টাকা পিআইও চেয়ারম্যান আমাদের দেয় না। আমি ৬ বস্তা চাল বিক্রি করেছি ক্যারিং খরচের জন্য।
অভিযোগ অস্বীকার করে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম রুবেল বলেন, আমি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যকে নিয়মমাফিক চাল বুঝিয়ে দিয়েছি এবং ক্যারিং খরচ বাবদ অর্থও প্রদান করেছি। চাল বিক্রির প্রশ্নই আসে না। যদি তিনি চাল বিক্রির কথা স্বীকার করেন, তবে আমি বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাব।
সমাজসেবা কর্মকর্তা (প্রশাসক) মুশফিকুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নই। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনকে নিয়ম অনুযায়ী চাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি বিক্রির ঘটনা সত্য হয়, তবে নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিঠুন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, রনগোপালদী ইউনিয়নে জেলে চাল বিতরণের ক্যারিং খরচের সকল তথ্য ও ডকুমেন্ট সংরক্ষিত আছে। ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে কেউ এই টাকা তোলেনি। মোশারেফ হোসেনের দাবি সম্পূর্ণ মনগড়া। বিষয়টি নিয়ে ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসান বলেন, আজ রনগোপালদী ইউনিয়নে জেলে চাল বিতরণ হয়েছে। ইউপি সদস্যের চাল বিক্রির অভিযোগ আপনার মাধ্যমে জানলাম। সরকারি চাল আত্মসাৎ বা বিক্রি করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনের বিরুদ্ধে জেলেদের চাল আত্মসাৎ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন উপজেলার রণগোপালদি ইউনিয়নে ২ হাজার ২৭০ জন নিবন্ধিত জেলের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। রোববার সকাল ১০টার দিকে রনগোপালদী ইউনিয়নে চাল বিতরণ করেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম রুবেল। তিনি জানান, ইউনিয়নের মোট বরাদ্দ অনুযায়ী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনের কাছে ৩১০ জন জেলের জন্য ১৫৫ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) চাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, মোশারেফ হোসেন ওই চালের মধ্যে ১৪ বস্তা (২৮ জনের বরাদ্দ) নিজে আত্মসাৎ করেন এবং আরও ৬ বস্তা (১২ জনের বরাদ্দ) ‘ক্যারিং খরচ’ দেখিয়ে বিক্রি করে দেন।
স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পারলে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি নানাভাবে চেষ্টা চালান, এমনকি টাকা-পয়সার প্রলোভনও দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের রিকশাচালক জালাল বলেন, আমার রিকশায় ৬ বস্তা চাল মোশারেফ মেম্বার আর বারেক ফকির আমাকে তুলে দিয়েছে, এই চাল বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিতে। এক বস্তা ঢালি বাড়ি দিতে, বাকিটা ফকির বাড়ি রাখতে। আমি ভাড়ার বিনিময়ে চাল টানছিলাম।
৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বারেক মিয়া জানান, অনেকে চাল নিতে আসেনাই মোশারেফ মেম্বার বলছে, এই আট বস্তা চাল রাখতে। আমি পাহারা দিচ্ছি, সে এসে যা করার করবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন বলেন, চাল বিতরণের সময় প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ক্যারিং খরচ সরকারিভাবে দেওয়া হয় তবে সে টাকা পিআইও চেয়ারম্যান আমাদের দেয় না। আমি ৬ বস্তা চাল বিক্রি করেছি ক্যারিং খরচের জন্য।
অভিযোগ অস্বীকার করে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম রুবেল বলেন, আমি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যকে নিয়মমাফিক চাল বুঝিয়ে দিয়েছি এবং ক্যারিং খরচ বাবদ অর্থও প্রদান করেছি। চাল বিক্রির প্রশ্নই আসে না। যদি তিনি চাল বিক্রির কথা স্বীকার করেন, তবে আমি বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাব।
সমাজসেবা কর্মকর্তা (প্রশাসক) মুশফিকুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নই। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনকে নিয়ম অনুযায়ী চাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি বিক্রির ঘটনা সত্য হয়, তবে নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিঠুন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, রনগোপালদী ইউনিয়নে জেলে চাল বিতরণের ক্যারিং খরচের সকল তথ্য ও ডকুমেন্ট সংরক্ষিত আছে। ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে কেউ এই টাকা তোলেনি। মোশারেফ হোসেনের দাবি সম্পূর্ণ মনগড়া। বিষয়টি নিয়ে ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসান বলেন, আজ রনগোপালদী ইউনিয়নে জেলে চাল বিতরণ হয়েছে। ইউপি সদস্যের চাল বিক্রির অভিযোগ আপনার মাধ্যমে জানলাম। সরকারি চাল আত্মসাৎ বা বিক্রি করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।