
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫২
ঝালকাঠির রাজাপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত পরিবারের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নাজেম আলী মুন্সির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মৃত আব্দুল বয়াতী ও সুফিন কাজীর ছেলে-মেয়েদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পর নাজেম আলী মুন্সির স্ত্রী সুফিয়া বেগম, তার মেয়ে মরিয়ম বেগম ও তাছলিমা বেগমকে জামায়াতের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় নেতা মনির কাজী ও জাকির কাজীর নেতৃত্বে সুমনা, ফাহিমা ও হাসিনাসহ আরও কয়েকজন ওই তিন নারীকে মারধর করে আহত করেন এবং ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।পরে ভুক্তভোগী পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুফিয়া বেগম ও তাছলিমা বেগমকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তবে মরিয়ম বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মনির কাজীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পূর্বের জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিলে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঝালকাঠির রাজাপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত পরিবারের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নাজেম আলী মুন্সির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মৃত আব্দুল বয়াতী ও সুফিন কাজীর ছেলে-মেয়েদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পর নাজেম আলী মুন্সির স্ত্রী সুফিয়া বেগম, তার মেয়ে মরিয়ম বেগম ও তাছলিমা বেগমকে জামায়াতের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় নেতা মনির কাজী ও জাকির কাজীর নেতৃত্বে সুমনা, ফাহিমা ও হাসিনাসহ আরও কয়েকজন ওই তিন নারীকে মারধর করে আহত করেন এবং ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।পরে ভুক্তভোগী পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুফিয়া বেগম ও তাছলিমা বেগমকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তবে মরিয়ম বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মনির কাজীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পূর্বের জমিজমা বিরোধের জের ধরে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিলে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ইয়াবা উদ্ধারের অভিযানে মাদক কারবারি চেঁচিরামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সুজন হাওলাদারের (৩০) কামড়ে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাঁঠালিয়া থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার চেঁচরী ইউনিয়নের সোহরাব মাস্টারের বাড়ির সামনের সড়কে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৮ পিস ইয়াবাসহ সুজন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কাঁঠালিয়া থানার এসআই রতন চন্দ্র হালদার। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের সময় সুজন হাওলাদার হঠাৎ এসআই রতন চন্দ্র হালদারের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে এসআই রতন চন্দ্র আহত হন। তবে ঘটনাস্থলেই তাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
আটক সুজন হাওলাদার উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও মো. সোবাহান হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু নাছের রায়হান জানান, দক্ষিণ চেঁচরী এলাকা থেকে ৮ পিস ইয়াবাসহ সুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ইয়াবা উদ্ধারের অভিযানে মাদক কারবারি চেঁচিরামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সুজন হাওলাদারের (৩০) কামড়ে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাঁঠালিয়া থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার চেঁচরী ইউনিয়নের সোহরাব মাস্টারের বাড়ির সামনের সড়কে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৮ পিস ইয়াবাসহ সুজন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কাঁঠালিয়া থানার এসআই রতন চন্দ্র হালদার। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের সময় সুজন হাওলাদার হঠাৎ এসআই রতন চন্দ্র হালদারের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে এসআই রতন চন্দ্র আহত হন। তবে ঘটনাস্থলেই তাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
আটক সুজন হাওলাদার উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও মো. সোবাহান হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু নাছের রায়হান জানান, দক্ষিণ চেঁচরী এলাকা থেকে ৮ পিস ইয়াবাসহ সুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ভূমি জরিপ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের চৌমাথা এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত ভূমি জরিপ কার্যক্রমের আওতায় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ১২৯ নং চর দপদপিয়া মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, জরিপের কাজে সংশ্লিষ্টরা প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমির মাপজোখ ও রেকর্ড সংক্রান্ত কাজে হয়রানি করা হচ্ছে।
দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, “জরিপকাজে নিয়োজিত সার্ভেয়ার জনি মোল্লা আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।”
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন বখতিয়ার বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য চলেছে। নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অভিযুক্ত সার্ভেয়ারদের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।”
মানববন্ধন থেকে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার জনি মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ভূমি জরিপ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের চৌমাথা এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত ভূমি জরিপ কার্যক্রমের আওতায় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ১২৯ নং চর দপদপিয়া মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, জরিপের কাজে সংশ্লিষ্টরা প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমির মাপজোখ ও রেকর্ড সংক্রান্ত কাজে হয়রানি করা হচ্ছে।
দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, “জরিপকাজে নিয়োজিত সার্ভেয়ার জনি মোল্লা আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।”
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন বখতিয়ার বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য চলেছে। নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অভিযুক্ত সার্ভেয়ারদের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।”
মানববন্ধন থেকে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার জনি মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৮
ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান চপলকে (৫৬) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।
দুপুরের পর ঝালকাঠি সদর থানা থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন না করায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কর্ণফুলি গার্ডেন ও নাভানা টাওয়ার মার্কেটের স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের চাদকাঠি তিনঘাটলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তাকে থানায় নেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট মামলা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, আনিসুজ্জামান চপল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলের ভেতরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাকে হয়রানির শিকার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও চপলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সময়মতো ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদন না পাওয়ায় আদালতে জামিন আবেদন করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ঝালকাঠি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় জানান, আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫৪ ধারায় দাখিল করা ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান চপলকে (৫৬) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।
দুপুরের পর ঝালকাঠি সদর থানা থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন না করায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কর্ণফুলি গার্ডেন ও নাভানা টাওয়ার মার্কেটের স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের চাদকাঠি তিনঘাটলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তাকে থানায় নেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট মামলা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, আনিসুজ্জামান চপল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলের ভেতরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাকে হয়রানির শিকার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও চপলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সময়মতো ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদন না পাওয়ায় আদালতে জামিন আবেদন করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ঝালকাঠি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় জানান, আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫৪ ধারায় দাখিল করা ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.