Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ জুন, ২০২৫ ১৩:০৭
আওয়ামী লীগ নেতাকে বিশেষ সুবিধা দিতে ১০০ কোটি টাকার বেশি দামের পাথর, নিলামের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৭ কোটি টাকাতে। সিলেটের কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ‘লোভা নদী’র জব্দকৃত এক কোটি ৫ হাজার ঘনফুট পাথর নিলামে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, প্রায় ৫৬ লাখ ঘনফুট পাথর গোপন রেখে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কাছে নিলাম সম্পন্ন করেছে খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)। স্থানীয় বাজারমূল্যে এ পাথরের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা হলেও, বিএমডির একাধিক কর্মকর্তার যোগসাজশে ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর মাত্র ২১ কোটি টাকায় নিলাম করা হয়। পাথর জব্দের পাঁচ বছর পর আওয়ামী লীগ নেতা পলাশের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটের কাছে এগুলো পানির দরে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে উচ্চ আদালত নিলাম কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএমডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাঁচ বছর আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহমদ পলাশ অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পাথর মজুত করেন। এই পাথর নিলামের বিরুদ্ধে ‘প্রকৃত তথ্য গোপনের’ অভিযোগ এনে সামী এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে আবেদন করে। আদালত তখন নিলাম কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন।
তিনি বলেন, তবে বিএমডির কিছু কর্মকর্তা নিলাম কার্যকর করতে কাগজে-কলমে নানা কৌশল অবলম্বন করেন। তারা আদালতের আদেশ এড়াতে নথিপত্রে ‘রিট বহির্ভূত ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর’ নিলাম হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, নিলামকারীকে বিশেষ সুবিধা দিতে বিএমডির পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ছরোয়ার হোসেন সরাসরি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এমনকি, নিলামের কার্যাদেশ বাস্তবায়নের সময় তিনি কানাইঘাট সীমান্ত এলাকায় জয়ী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া গরুর ভোজেও অংশ নেন।
তিনি আরও জানান, নিলাম কার্যকর করতে বিএমডির কর্মকর্তারা পরিকল্পিতভাবে ‘মামলার আওতাবহির্ভূত’ শব্দটি নথিতে যুক্ত করেন। কিন্তু বাস্তবে যেসব গ্রামের নাম দেখিয়ে ওই এলাকাগুলোকে মামলাবহির্ভূত দাবি করা হয়েছে, সেখানে উল্লেখযোগ্য কোনো পাথর মজুত নেই- মাত্র অল্প পরিমাণই রয়েছে। মূলত গোপন করা ৫৬ লাখ ঘনফুট পাথর অন্যত্র মজুত ছিল।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএমডির পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ছরোয়ার হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, তিনি এক ঘণ্টা পর কথা বলবেন। এরপর তিনি কলটি কেটে দেন এবং পরবর্তীতে আর যোগাযোগে সাড়া দেননি।
কানাইঘাট এলাকার পাথর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৯ সালে জব্দ করা লোভাছড়া এলাকার পাথরের দাম ছিল প্রতি ঘনফুট ৯০ টাকা। অথচ বিএমডির কর্মকর্তারা রহস্যজনকভাবে পাঁচ বছর আগের সেই দরেই নিলাম সম্পন্ন করেন। বর্তমানে বাজারে প্রতি ঘনফুট পাথরের দাম ১২৫ টাকা। সে হিসেবে এক কোটি ঘনফুট পাথরের প্রকৃত মূল্য দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকা।
সর্বশেষ নিলামের তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথরের বাজারমূল্য প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু নথিপত্রে মাত্র ৩৬ কোটি টাকার হিসেব দেখিয়ে নিলাম ডাকা হয় এবং মাত্র ১৭ কোটি টাকায় সেটি কার্যকর করা হয়। এতে করে নিলাম জয়ী প্রতিষ্ঠানকে বিপুল আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারিগুলোর সর্বশেষ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ৪ মে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
সভায় উপস্থিত বিএমডির প্রতিনিধি জানান, সিলেট জেলার লোভাছড়া পাথর কোয়ারি থেকে জব্দ করা এক কোটি ঘনফুট পাথরের মধ্যে মামলাবহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ১১৩ ঘনফুট পাথর উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। এ বিক্রয় থেকে আনুমানিক ২১ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সংক্রান্ত নথিপত্রে প্রকৃত তথ্য গোপন করে সরকারের অন্তত শত কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করা হয়েছে, আর এর বিপরীতে কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, নিলাম কার্যক্রমকে ঘিরে বিপুল অঙ্কের অর্থের ভাগবাঁটোয়ারা হয়েছে বিভিন্ন মহলের মধ্যে।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ‘মামলাবহির্ভূত’ হিসেবে উল্লেখ করে ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ১১৩ ঘনফুট পাথরের মজুত দেখিয়ে নিলাম আহ্বান করা হয়। প্রতি ঘনফুট ৭৫ টাকা দরে মোট ৩৩ কোটি ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৫ টাকার ভিত্তিমূল্যে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এই নিলামপ্রক্রিয়ার নেপথ্যে ছিলেন কানাইঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহমদ পলাশ, যিনি এলাকায় ‘পাথরখেকো’ হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৯ সালে তিনি বিএমডির দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সহায়তায় অবৈধভাবে পাথরগুলো মজুত করেন। পাঁচ বছর পর, আবারও তাদের সহায়তায় তিনি এই বিপুল পরিমাণ পাথর পানির দরে নিলামের মাধ্যমে নিজ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিলাম কার্যক্রমটি একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যাতে অন্য কোনো পক্ষ পাথরের অংশ না পায়। নিলাম কার্যকর হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দ্রুতগতিতে পাথর অপসারণ শুরু করে।
খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) মহাপরিচালক মো. আনোয়ার হাবীব বলেন, লোভাছড়ার পাথর নিলামের বিষয়ে আমার জানা আছে। তবে কী পরিমাণ পাথর বা কত দামে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে, তা না দেখে এখনই সঠিকভাবে বলতে পারছি না।
তথ্যসূত্র : যুগান্তর
আওয়ামী লীগ নেতাকে বিশেষ সুবিধা দিতে ১০০ কোটি টাকার বেশি দামের পাথর, নিলামের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৭ কোটি টাকাতে। সিলেটের কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ‘লোভা নদী’র জব্দকৃত এক কোটি ৫ হাজার ঘনফুট পাথর নিলামে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, প্রায় ৫৬ লাখ ঘনফুট পাথর গোপন রেখে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কাছে নিলাম সম্পন্ন করেছে খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)। স্থানীয় বাজারমূল্যে এ পাথরের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা হলেও, বিএমডির একাধিক কর্মকর্তার যোগসাজশে ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর মাত্র ২১ কোটি টাকায় নিলাম করা হয়। পাথর জব্দের পাঁচ বছর পর আওয়ামী লীগ নেতা পলাশের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটের কাছে এগুলো পানির দরে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে উচ্চ আদালত নিলাম কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএমডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাঁচ বছর আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহমদ পলাশ অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পাথর মজুত করেন। এই পাথর নিলামের বিরুদ্ধে ‘প্রকৃত তথ্য গোপনের’ অভিযোগ এনে সামী এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে আবেদন করে। আদালত তখন নিলাম কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন।
তিনি বলেন, তবে বিএমডির কিছু কর্মকর্তা নিলাম কার্যকর করতে কাগজে-কলমে নানা কৌশল অবলম্বন করেন। তারা আদালতের আদেশ এড়াতে নথিপত্রে ‘রিট বহির্ভূত ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর’ নিলাম হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, নিলামকারীকে বিশেষ সুবিধা দিতে বিএমডির পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ছরোয়ার হোসেন সরাসরি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এমনকি, নিলামের কার্যাদেশ বাস্তবায়নের সময় তিনি কানাইঘাট সীমান্ত এলাকায় জয়ী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া গরুর ভোজেও অংশ নেন।
তিনি আরও জানান, নিলাম কার্যকর করতে বিএমডির কর্মকর্তারা পরিকল্পিতভাবে ‘মামলার আওতাবহির্ভূত’ শব্দটি নথিতে যুক্ত করেন। কিন্তু বাস্তবে যেসব গ্রামের নাম দেখিয়ে ওই এলাকাগুলোকে মামলাবহির্ভূত দাবি করা হয়েছে, সেখানে উল্লেখযোগ্য কোনো পাথর মজুত নেই- মাত্র অল্প পরিমাণই রয়েছে। মূলত গোপন করা ৫৬ লাখ ঘনফুট পাথর অন্যত্র মজুত ছিল।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএমডির পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ছরোয়ার হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, তিনি এক ঘণ্টা পর কথা বলবেন। এরপর তিনি কলটি কেটে দেন এবং পরবর্তীতে আর যোগাযোগে সাড়া দেননি।
কানাইঘাট এলাকার পাথর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৯ সালে জব্দ করা লোভাছড়া এলাকার পাথরের দাম ছিল প্রতি ঘনফুট ৯০ টাকা। অথচ বিএমডির কর্মকর্তারা রহস্যজনকভাবে পাঁচ বছর আগের সেই দরেই নিলাম সম্পন্ন করেন। বর্তমানে বাজারে প্রতি ঘনফুট পাথরের দাম ১২৫ টাকা। সে হিসেবে এক কোটি ঘনফুট পাথরের প্রকৃত মূল্য দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকা।
সর্বশেষ নিলামের তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথরের বাজারমূল্য প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু নথিপত্রে মাত্র ৩৬ কোটি টাকার হিসেব দেখিয়ে নিলাম ডাকা হয় এবং মাত্র ১৭ কোটি টাকায় সেটি কার্যকর করা হয়। এতে করে নিলাম জয়ী প্রতিষ্ঠানকে বিপুল আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারিগুলোর সর্বশেষ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ৪ মে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
সভায় উপস্থিত বিএমডির প্রতিনিধি জানান, সিলেট জেলার লোভাছড়া পাথর কোয়ারি থেকে জব্দ করা এক কোটি ঘনফুট পাথরের মধ্যে মামলাবহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ১১৩ ঘনফুট পাথর উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। এ বিক্রয় থেকে আনুমানিক ২১ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সংক্রান্ত নথিপত্রে প্রকৃত তথ্য গোপন করে সরকারের অন্তত শত কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করা হয়েছে, আর এর বিপরীতে কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, নিলাম কার্যক্রমকে ঘিরে বিপুল অঙ্কের অর্থের ভাগবাঁটোয়ারা হয়েছে বিভিন্ন মহলের মধ্যে।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ‘মামলাবহির্ভূত’ হিসেবে উল্লেখ করে ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ১১৩ ঘনফুট পাথরের মজুত দেখিয়ে নিলাম আহ্বান করা হয়। প্রতি ঘনফুট ৭৫ টাকা দরে মোট ৩৩ কোটি ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৫ টাকার ভিত্তিমূল্যে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এই নিলামপ্রক্রিয়ার নেপথ্যে ছিলেন কানাইঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহমদ পলাশ, যিনি এলাকায় ‘পাথরখেকো’ হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৯ সালে তিনি বিএমডির দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সহায়তায় অবৈধভাবে পাথরগুলো মজুত করেন। পাঁচ বছর পর, আবারও তাদের সহায়তায় তিনি এই বিপুল পরিমাণ পাথর পানির দরে নিলামের মাধ্যমে নিজ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিলাম কার্যক্রমটি একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যাতে অন্য কোনো পক্ষ পাথরের অংশ না পায়। নিলাম কার্যকর হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দ্রুতগতিতে পাথর অপসারণ শুরু করে।
খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) মহাপরিচালক মো. আনোয়ার হাবীব বলেন, লোভাছড়ার পাথর নিলামের বিষয়ে আমার জানা আছে। তবে কী পরিমাণ পাথর বা কত দামে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে, তা না দেখে এখনই সঠিকভাবে বলতে পারছি না।
তথ্যসূত্র : যুগান্তর

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬