
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সমর্থনে মির্জাগঞ্জে দিনব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টায় উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বাজার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। প্রচারণা চলাকালীন নেতৃবৃন্দ ইউনিয়নের কলাগাছিয়া, বৈদ্যপাশা ও গাজীপুরা এলাকার প্রতিটি বাড়ি-ঘরে গিয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সালাম পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগ শেষে বিকেল ৪টায় ৬নং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসন্ডা বিশ্বাস বাড়িতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন টুকুর সভাপতিত্বে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গুদিঘাটায় ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল লতিফ মৃধার সভাপতিত্বে পৃথক দুটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর অন্তর্বর্তী সময় একই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের হাশেম মার্কেটে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
বৈঠকে আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু প্রধান বক্তা হিসেবে তারেক রহমান ঘোষিত 'ফ্যামিলি কার্ড'-এর বৈপ্লবিক ধারণার ব্যাখ্যা দেন এবং একে জনকল্যাণের এক অনন্য উদ্ভাবন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে রাজপথে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। এ সময় তিনি একটি মহলের সমালোচনা করে বলেন, একটি মহল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। আপনারা জানেন,জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ, কোনো ব্যক্তি নয়। তাই যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রির কথা বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, সেইসব মিথ্যাবাদী ও মোনাফেকদের থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান উল্লাহ পিন্টু,সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার মনজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম দুলাল মাস্টার, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ,সদস্য জনি মুন্সি,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন হাওলাদার ও বাবুল মুন্সি, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নান্নু প্রমুখ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সমর্থনে মির্জাগঞ্জে দিনব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টায় উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বাজার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। প্রচারণা চলাকালীন নেতৃবৃন্দ ইউনিয়নের কলাগাছিয়া, বৈদ্যপাশা ও গাজীপুরা এলাকার প্রতিটি বাড়ি-ঘরে গিয়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সালাম পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগ শেষে বিকেল ৪টায় ৬নং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসন্ডা বিশ্বাস বাড়িতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন টুকুর সভাপতিত্বে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গুদিঘাটায় ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল লতিফ মৃধার সভাপতিত্বে পৃথক দুটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর অন্তর্বর্তী সময় একই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের হাশেম মার্কেটে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
বৈঠকে আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিন নান্নু প্রধান বক্তা হিসেবে তারেক রহমান ঘোষিত 'ফ্যামিলি কার্ড'-এর বৈপ্লবিক ধারণার ব্যাখ্যা দেন এবং একে জনকল্যাণের এক অনন্য উদ্ভাবন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে রাজপথে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। এ সময় তিনি একটি মহলের সমালোচনা করে বলেন, একটি মহল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। আপনারা জানেন,জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ, কোনো ব্যক্তি নয়। তাই যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রির কথা বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, সেইসব মিথ্যাবাদী ও মোনাফেকদের থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান উল্লাহ পিন্টু,সহ-সভাপতি গোলাম ফারুক মুন্সি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার মনজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম দুলাল মাস্টার, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ,সদস্য জনি মুন্সি,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন হাওলাদার ও বাবুল মুন্সি, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নান্নু প্রমুখ।

২৩ জুন, ২০২৬ ১৮:০৩
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি লুঙ্গি চুরির অভিযোগে আরিফ হোসনে খান নামের এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরিফ হোসেন কালাইয়ার কর্পূরকাঠি গ্রামের আব্দূর রশিদ খানের ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামের রুস্তুম আলীর বাড়িতে সোমবার ভোর রাতে হানা দেয় একদল চোর। চোর ঘরে ঢোকার সময় আরিফ হোসেন নামের একজনকে ঝাপটে ধরে রুস্তুম আলীর লোকজন। এসময় আরিফের সাথে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে রুস্তুমের লোকজন আরিফকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেয়। পরে মৌষাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে পটুয়াখালী জেলহাজতে পাঠায়।
এ বিষয়ে মৌষাদির সাবেক মেম্বর হারুন এবং রুস্তুম আলী জানান, দুদিন আগে তার ঘর থেকে লুঙ্গি চুরি হয়। আরিফকে ধরার পরে পরনে রুস্তুমের চুরি হওয়া লুঙ্গি তার বলে জানান।
বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌষাদি এলাকার রুস্তুম আলীর বাড়িতে চরি করতে গেলে স্থানীয় লোকজন আটক করে মারধর করে। থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে কোর্টে চালান দেয়া হয়।
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি লুঙ্গি চুরির অভিযোগে আরিফ হোসনে খান নামের এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরিফ হোসেন কালাইয়ার কর্পূরকাঠি গ্রামের আব্দূর রশিদ খানের ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের মৌষাদি গ্রামের রুস্তুম আলীর বাড়িতে সোমবার ভোর রাতে হানা দেয় একদল চোর। চোর ঘরে ঢোকার সময় আরিফ হোসেন নামের একজনকে ঝাপটে ধরে রুস্তুম আলীর লোকজন। এসময় আরিফের সাথে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে রুস্তুমের লোকজন আরিফকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেয়। পরে মৌষাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে পটুয়াখালী জেলহাজতে পাঠায়।
এ বিষয়ে মৌষাদির সাবেক মেম্বর হারুন এবং রুস্তুম আলী জানান, দুদিন আগে তার ঘর থেকে লুঙ্গি চুরি হয়। আরিফকে ধরার পরে পরনে রুস্তুমের চুরি হওয়া লুঙ্গি তার বলে জানান।
বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌষাদি এলাকার রুস্তুম আলীর বাড়িতে চরি করতে গেলে স্থানীয় লোকজন আটক করে মারধর করে। থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে কোর্টে চালান দেয়া হয়।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.