মিয়ানমারের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হামলার মুখে পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডে পালিয়ে গেছে ৬২ সেনা সদস্য। গতকাল শনিবার এই হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানায় তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির সদস্যরা শনিবার নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। হামলা থেকে বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে থাইল্যান্ডে গিয়ে আশ্রয় চায় সেনারা। পরে থাই সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের আশ্রয় দেয়।
থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আশ্রয় নেওয়া ১১ জন আহত। তাদের সবাইতে তাক প্রদেশের ফম রা জেলায় আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
সেনারা জানিয়েছে, কারেন ন্যাশনাল আর্মি তাদের ১৮ জন সেনাকে হত্যা করেছে।
মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কেএনএলএ সবচেয়ে পুরোনো গোষ্ঠী। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের সবচেয়ে প্রভাবশালী জান্তাবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও একটি।
২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু টির সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাং সরকারের প্রধানও হন ও সু চিকে গৃহবন্দী করেন।
এর পর থেকে গণতন্ত্রপন্থী জনগণের একটি অংশ সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীতে যোগ দিতে শুরু করেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর ওপর একযোগে হামলা শুরু করে। ইতোমধ্যে দেশটির মোট ভূখণ্ডের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছে বিদ্রোহীরা।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৮
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর পাঠানো একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ড্রোনটি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ভূপাতিত করা হয়।
মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার এটি দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের কাছে ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর আগের দিন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
দীর্ঘ সময় তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত চলছে। পরের বছর, ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৩
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নেপাল ও চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। এখনো নিখোঁজ সাড়ে চার হাজার মানুষ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের দেওয়া সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।
৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।
ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০ জনে। মর্মান্তিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৬০ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নেপালি পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে। এ ছাড়া বহু বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীর সঙ্গে এখনও সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ভাটির জেলা চিতওয়ানে ১৩২টি, পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ৮২টি, ধাডিংয়ে ৩৩টি, গোর্খায় ৩০টি, রাসুয়ায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি তানাহুনে ২২টি এবং পশ্চিম নওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৮২৬ জন সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উদ্ধার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪৪ জন নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্য, ২৮ জন নেপাল পুলিশের সদস্য এবং ১৩ জন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। এ ছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা পর্যটকদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১২৭ জন নেপালি পর্যটক রয়েছেন।
তবে রয়টার্স জানিয়েছে, পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত এক হাজার জনে। তাদের মধ্যে নেপাল ও চীনের তিব্বত অংশ মিলে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজের তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, অন্তত ১৭৭ জন।
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০ জনে। মর্মান্তিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৬০ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নেপালি পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে। এ ছাড়া বহু বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীর সঙ্গে এখনও সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ভাটির জেলা চিতওয়ানে ১৩২টি, পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ৮২টি, ধাডিংয়ে ৩৩টি, গোর্খায় ৩০টি, রাসুয়ায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি তানাহুনে ২২টি এবং পশ্চিম নওয়ালপরাসিতে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৮২৬ জন সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উদ্ধার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪৪ জন নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্য, ২৮ জন নেপাল পুলিশের সদস্য এবং ১৩ জন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। এ ছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা পর্যটকদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১২৭ জন নেপালি পর্যটক রয়েছেন।
তবে রয়টার্স জানিয়েছে, পাহাড়ি নদীর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত এক হাজার জনে। তাদের মধ্যে নেপাল ও চীনের তিব্বত অংশ মিলে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজের তালিকায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, অন্তত ১৭৭ জন।

২৫ মে, ২০২৫ ২১:৩৮
মিয়ানমারের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হামলার মুখে পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডে পালিয়ে গেছে ৬২ সেনা সদস্য। গতকাল শনিবার এই হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানায় তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির সদস্যরা শনিবার নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। হামলা থেকে বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে থাইল্যান্ডে গিয়ে আশ্রয় চায় সেনারা। পরে থাই সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের আশ্রয় দেয়।
থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আশ্রয় নেওয়া ১১ জন আহত। তাদের সবাইতে তাক প্রদেশের ফম রা জেলায় আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
সেনারা জানিয়েছে, কারেন ন্যাশনাল আর্মি তাদের ১৮ জন সেনাকে হত্যা করেছে।
মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কেএনএলএ সবচেয়ে পুরোনো গোষ্ঠী। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের সবচেয়ে প্রভাবশালী জান্তাবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও একটি।
২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু টির সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাং সরকারের প্রধানও হন ও সু চিকে গৃহবন্দী করেন।
এর পর থেকে গণতন্ত্রপন্থী জনগণের একটি অংশ সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীতে যোগ দিতে শুরু করেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর ওপর একযোগে হামলা শুরু করে। ইতোমধ্যে দেশটির মোট ভূখণ্ডের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছে বিদ্রোহীরা।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১