
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:১১
বগুড়া শহরের কৈপাড়ায় আফিয়া আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কৈপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বজনদের অভিযোগ, আফিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টিকারী তার স্বামী রিয়াজুল নাফিস (২২) জড়িত। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, তিন মাস আগে গাবতলী উপজেলার নশিপুর গ্রামের রিয়াজুল নাফিসের সঙ্গে কাহালু উপজেলার মুরইল গ্রামের আফিয়ার প্রেমের সম্পর্কের জেরে পরিবারের অমতে বিয়ে হয়। দুই পক্ষের অসম্মতির কারণে বিয়ের পর থেকে তারা বগুড়া শহরের কৈপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
আফিয়ার স্বজনদের অভিযোগ, সম্প্রতি নাফিসের পরিবার বিয়ের সম্পর্ক মেনে নেওয়ার জন্য আফিয়ার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেল যৌতুক হিসেবে দাবি করে। পরিবারকে রাজি করানোর জন্য আফিয়া গত বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে যান এবং রোববার দুপুরে শহরের ভাড়া বাসায় ফেরেন। এরপর সন্ধ্যায় আফিয়া মুঠোফোনে একাধিকবার তার বাবা-মাকে কল করে ‘আমাকে বাঁচাও’ বলে আকুতি জানান।
খবর পেয়ে তার বাবা-মা দ্রুত কৈপাড়ার ভাড়া বাসায় পৌঁছান। সেখানে তারা ঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে আফিয়ার ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার নিথর দেহ দেখতে পান। এই সময়ে স্বামী রিয়াজুল নাফিস পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বজনরা তাকে আটক করে। আফিয়ার স্বজনদের দৃঢ় দাবি—যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় নাফিস আফিয়াকে চরম নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন।
আফিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং সেখানে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১১টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত রিয়াজুল নাফিসকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ সাপেক্ষে আটক নাফিসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বগুড়া শহরের কৈপাড়ায় আফিয়া আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কৈপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বজনদের অভিযোগ, আফিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টিকারী তার স্বামী রিয়াজুল নাফিস (২২) জড়িত। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, তিন মাস আগে গাবতলী উপজেলার নশিপুর গ্রামের রিয়াজুল নাফিসের সঙ্গে কাহালু উপজেলার মুরইল গ্রামের আফিয়ার প্রেমের সম্পর্কের জেরে পরিবারের অমতে বিয়ে হয়। দুই পক্ষের অসম্মতির কারণে বিয়ের পর থেকে তারা বগুড়া শহরের কৈপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
আফিয়ার স্বজনদের অভিযোগ, সম্প্রতি নাফিসের পরিবার বিয়ের সম্পর্ক মেনে নেওয়ার জন্য আফিয়ার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেল যৌতুক হিসেবে দাবি করে। পরিবারকে রাজি করানোর জন্য আফিয়া গত বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে যান এবং রোববার দুপুরে শহরের ভাড়া বাসায় ফেরেন। এরপর সন্ধ্যায় আফিয়া মুঠোফোনে একাধিকবার তার বাবা-মাকে কল করে ‘আমাকে বাঁচাও’ বলে আকুতি জানান।
খবর পেয়ে তার বাবা-মা দ্রুত কৈপাড়ার ভাড়া বাসায় পৌঁছান। সেখানে তারা ঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে আফিয়ার ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার নিথর দেহ দেখতে পান। এই সময়ে স্বামী রিয়াজুল নাফিস পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বজনরা তাকে আটক করে। আফিয়ার স্বজনদের দৃঢ় দাবি—যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় নাফিস আফিয়াকে চরম নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন।
আফিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং সেখানে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১১টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত রিয়াজুল নাফিসকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ সাপেক্ষে আটক নাফিসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.