Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৪
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২