
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৪
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
"আমরা নির্বাচনের আগে যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছি ,সেগুলো আমরা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবো, অবশ্যই তা বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা দরকার, আমি আশা করবো আপনারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন" রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান ।
শনিবার হিজলা উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে সরকারি সংহতি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন হিজলা উপজেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মোঃ মনির হোসেন, সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন ।
খাল খননের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিজলা উপজেলার যে খালগুলোতে অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো অবশ্যই দখল মুক্ত করা হবে এবং খাল খনন কর্মসূচি সুন্দর ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনার সকলে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করেছেন এজন্য আপনাদেরকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই । হিজলা উপজেলার জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন এখন দুই মাসব্যাপী জাটকা সংরক্ষণ অভিযান চলছে । এই অভিযানের কারণে প্রত্যেক জেলেকে সরকার থেকে ৮০ কেজি চাল দেওয়া হবে। কেউকে চাল কম দিলে নিবেন না । যার যার চাল সে বুঝে নিবেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলিউদ্দিন সুমন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ,হিজলা উপজেলা বিএনপি'র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
"আমরা নির্বাচনের আগে যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছি ,সেগুলো আমরা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবো, অবশ্যই তা বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা দরকার, আমি আশা করবো আপনারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন" রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান ।
শনিবার হিজলা উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে সরকারি সংহতি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন হিজলা উপজেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মোঃ মনির হোসেন, সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন ।
খাল খননের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিজলা উপজেলার যে খালগুলোতে অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো অবশ্যই দখল মুক্ত করা হবে এবং খাল খনন কর্মসূচি সুন্দর ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনার সকলে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করেছেন এজন্য আপনাদেরকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই । হিজলা উপজেলার জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন এখন দুই মাসব্যাপী জাটকা সংরক্ষণ অভিযান চলছে । এই অভিযানের কারণে প্রত্যেক জেলেকে সরকার থেকে ৮০ কেজি চাল দেওয়া হবে। কেউকে চাল কম দিলে নিবেন না । যার যার চাল সে বুঝে নিবেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলিউদ্দিন সুমন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ,হিজলা উপজেলা বিএনপি'র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৪
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি। বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
তুখোড় নারী শিরিন নেত্রীকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি। কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন।
বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে।
কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে। বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন।
শিরিনের প্রশাসক পদ প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তিশালি করতে ভূমিকা রাখবেন।’
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি। বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
তুখোড় নারী শিরিন নেত্রীকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি। কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন।
বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে।
কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে। বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন।
শিরিনের প্রশাসক পদ প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তিশালি করতে ভূমিকা রাখবেন।’

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৬
বরিশালসহ দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো’।
এর মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটিতে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটিতে মো, রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটিতে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটিতে মো. ইউসুফ মোল্লা।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকগণ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।
বরিশালসহ দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো’।
এর মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটিতে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটিতে মো, রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটিতে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটিতে মো. ইউসুফ মোল্লা।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকগণ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯