বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ২২:১২
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:০৯

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’