
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
বরগুনায় বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির করায় মো. আবুল বাসার (৪৮) নামে এক ব্যাবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ মার্চ) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকায় ফাহিম স্টোর নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিভিন্ন এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গোপনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি করেন। এ সময় সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকার ব্যবসায়ী আবুল বাসারকে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করতে দেখেন তারা।
এ ছাড়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে না রেখে পেছনে থাকা বাড়িতে পেট্রোল রেখে বিক্রি করছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে ৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক একটি প্রেক্ষাপটে সারা দেশে জ্বালানি তেলের একটি কৃত্রিম সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা সে লক্ষেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আশাকরি বরগুনায় কোনো সংকট তৈরি হবে না। অভিযানে অংশ হিসেবেই ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বরগুনায় কেউ যদি কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বরগুনাবাসীকে স্বস্তি দিতে এবং জ্বালানি তেল সংকট রোধে যা যা করা প্রয়োজন জেলা প্রশাসন তাই করবেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৫
টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁকড়া চাষীদের মাঝে উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত (আরএইচএল) প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) বাস্তবায়নে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী, কাঠালতলী ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ২০ জন কাঁকড়া চাষীদের মাঝে বিভিন্ন উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রতি উপকারভোগী সদস্য ১৮০ হাত সুপারির গড়া,১টি ডিজিটাল মিটার স্কেল,১টি পিএইচ ও এমোনিয়া টেস্ট কিট,২০০ গজ বেষ্টনী জাল, ৬টি কাঁকড়ার খাঁচা, ১টি ফিড ট্রেসহ মোট ৯ আইটেমের উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.হাসিবুল হক, প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু বকর ছিদ্দিক, এরিয়া ম্যানেজার আসাদুজ্জামান শেখ, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমল তালুকদার ও শফিকুল ইসলাম খোকন।
কাঁকড়া চাষি কৃষ্ণা রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকড়া চাষ করি। কিন্তু কোন প্রশিক্ষণ ছিলো না। প্রশিক্ষণসহ উপকরণ পেয়ে আমি কাঁকড়া চাষে আরও উদ্বুদ্ধ হয়েছি।
উপজেলা সমন্বয়কারী আবু বকর বলেন, এই উপকরণগুলো কাঁকড়া চাষীদের টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক কাঁকড়া চাষে সহায়তা করবে। স্থানীয় জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাঁকড়া চাষ একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প জীবিকা হিসেবে কাজ করছে। এই সহায়তা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তুলতে অবদান রাখবে যা আরএইচএল প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, উপকূলে কাঁকড়া চাষ এখন লাভজনক ও টেকসই। প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু সহনশীল কাঁকড়া চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের মাঝে। কাঁকড়া চাষে উপকূলীয় জনগণের জীবন ও জীবিকায় স্থায়িত্ব আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরগুনায় বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির করায় মো. আবুল বাসার (৪৮) নামে এক ব্যাবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ মার্চ) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকায় ফাহিম স্টোর নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিভিন্ন এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গোপনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি করেন। এ সময় সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকার ব্যবসায়ী আবুল বাসারকে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করতে দেখেন তারা।
এ ছাড়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে না রেখে পেছনে থাকা বাড়িতে পেট্রোল রেখে বিক্রি করছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে ৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক একটি প্রেক্ষাপটে সারা দেশে জ্বালানি তেলের একটি কৃত্রিম সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা সে লক্ষেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আশাকরি বরগুনায় কোনো সংকট তৈরি হবে না। অভিযানে অংশ হিসেবেই ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বরগুনায় কেউ যদি কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বরগুনাবাসীকে স্বস্তি দিতে এবং জ্বালানি তেল সংকট রোধে যা যা করা প্রয়োজন জেলা প্রশাসন তাই করবেন।
টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁকড়া চাষীদের মাঝে উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত (আরএইচএল) প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) বাস্তবায়নে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী, কাঠালতলী ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ২০ জন কাঁকড়া চাষীদের মাঝে বিভিন্ন উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রতি উপকারভোগী সদস্য ১৮০ হাত সুপারির গড়া,১টি ডিজিটাল মিটার স্কেল,১টি পিএইচ ও এমোনিয়া টেস্ট কিট,২০০ গজ বেষ্টনী জাল, ৬টি কাঁকড়ার খাঁচা, ১টি ফিড ট্রেসহ মোট ৯ আইটেমের উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.হাসিবুল হক, প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু বকর ছিদ্দিক, এরিয়া ম্যানেজার আসাদুজ্জামান শেখ, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমল তালুকদার ও শফিকুল ইসলাম খোকন।
কাঁকড়া চাষি কৃষ্ণা রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকড়া চাষ করি। কিন্তু কোন প্রশিক্ষণ ছিলো না। প্রশিক্ষণসহ উপকরণ পেয়ে আমি কাঁকড়া চাষে আরও উদ্বুদ্ধ হয়েছি।
উপজেলা সমন্বয়কারী আবু বকর বলেন, এই উপকরণগুলো কাঁকড়া চাষীদের টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক কাঁকড়া চাষে সহায়তা করবে। স্থানীয় জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাঁকড়া চাষ একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প জীবিকা হিসেবে কাজ করছে। এই সহায়তা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তুলতে অবদান রাখবে যা আরএইচএল প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, উপকূলে কাঁকড়া চাষ এখন লাভজনক ও টেকসই। প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু সহনশীল কাঁকড়া চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের মাঝে। কাঁকড়া চাষে উপকূলীয় জনগণের জীবন ও জীবিকায় স্থায়িত্ব আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস