
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০

২২ মে, ২০২৬ ১৪:২৮
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৪০
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৩০
বরগুনার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ছয় সদস্য। এ ঘটনায় মূল আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার জাকিরতবক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানায়, একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জহিরুলকে ধরতে ডিবির একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় আসামির স্বজন ও সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ডিবির এক এএসআই ও পাঁচ কনস্টেবল আহত হন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এএসআই অনিক এবং কনস্টেবল প্রিন্স, মাহমুদ, অমিত, আব্দুল্লাহ ও সবুজ। পরে তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং গুলিবিদ্ধ হন পুলিশ সদস্য লিটন ফরাজী, তার বাবা আব্দুর রশিদ ফরাজী ও ভাই রাব্বি ফরাজী। গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ ফরাজী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর মারা যান। পরে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়।
সেই মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদে মঙ্গলবার রাতে তাকে ধরতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। হামলার ঘটনার পর সদর থানা ও পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, “পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূল আসামিসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।”
বরগুনা ডিবির ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জহিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরগুনার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ছয় সদস্য। এ ঘটনায় মূল আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার জাকিরতবক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানায়, একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জহিরুলকে ধরতে ডিবির একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় আসামির স্বজন ও সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ডিবির এক এএসআই ও পাঁচ কনস্টেবল আহত হন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এএসআই অনিক এবং কনস্টেবল প্রিন্স, মাহমুদ, অমিত, আব্দুল্লাহ ও সবুজ। পরে তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং গুলিবিদ্ধ হন পুলিশ সদস্য লিটন ফরাজী, তার বাবা আব্দুর রশিদ ফরাজী ও ভাই রাব্বি ফরাজী। গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ ফরাজী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর মারা যান। পরে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়।
সেই মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদে মঙ্গলবার রাতে তাকে ধরতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। হামলার ঘটনার পর সদর থানা ও পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, “পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূল আসামিসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।”
বরগুনা ডিবির ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জহিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.