
১২ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।

০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’

০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
০৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২১