‘সংলাপ ও নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে নাগরিক পরিসর পুনরুদ্ধার’ প্রকল্পের আওতায় লাল সবুজ সোসাইটির আয়োজনে আজ শুক্রবার ব্রাউন কম্পাউন্ডের এডিটশালায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দলগত কাজ ও গল্প উন্নয়ন কর্মশালা’। সেশন পরিচালনা করেন চ্যানেল আই বরিশালের ব্যুরো প্রধান সাইদ পান্থ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের পেরি কর্মসূচি এবং অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন অফিস (এফসিডিও)।
সেশনে অংশগ্রহণকারীদের দলভিত্তিকভাবে নাগরিক গল্প তৈরি, মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ছবি–ভিডিও ধারণের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। দলগতভাবে সমন্বিতভাবে একটি প্রতিবেদন তৈরির অনুশীলনও করানো হয়।
প্রায়োগিক কাজ হিসেবে প্রতিটি দলকে এক থেকে দুই মিনিটের ভিডিও প্রতিবেদন অথবা তিনশো থেকে পাঁচশো শব্দের একটি নাগরিক গল্প তৈরি করে জমা দিতে বলা হয়। দিনের শেষে প্রতিটি দলের পক্ষ থেকে একটি করে খসড়া প্রতিবেদন জমা পড়ে।
কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক সাইদ পান্থ বলেন, “নাগরিক সাংবাদিকতা শুধু খবর করার বিষয় নয়; এটি সমাজের সমস্যাকে নিজের চোখে দেখা, শোনা এবং সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মানুষের কথা মন দিয়ে শোনা ও সঠিকভাবে গল্প সাজাতে পারাই একজন প্রতিবেদকের মূল শক্তি।”
তিনি আরও বলেন,
“আজকের অংশগ্রহণকারীরা যে উদ্যম ও আগ্রহ দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের স্থানীয় গল্প বলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।”
কর্মশালায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থী ইতি বলেন,
“আজকে আমরা দলগতভাবে মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছি। আগে কখনো ভাবিনি যে একটি ছোট ঘটনা থেকেও কত শক্তিশালী গল্প তৈরি করা যায়। এই সেশন আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।”
আরেক অংশগ্রহণকারী রুমান বলেন,
“সাক্ষাৎকার নেওয়ার কৌশল ও সঠিক প্রশ্ন করার বিষয়টি খুব কাজে দেবে। আমরা নিজেরাই হাতে–কলমে ভিডিও ধারণ করেছি। বিষয়গুলো এত সহজভাবে শেখানো হয়েছে যে মাঠে কাজে লাগাতে সুবিধা হবে।”
প্রশিক্ষণার্থী জান্নাত জানান, “দলগতভাবে কাজ করাটা সবচেয়ে বড় শেখা। গল্প তৈরির সময় কে কোন অংশে কাজ করবে—তা বুঝে একসঙ্গে কাজ করা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
আয়োজকেরা বলেন, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের মাঠপর্যায়ের কাজ, দলগত সমন্বয় এবং গল্প তৈরির দক্ষতা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও নিয়োগপত্র পাননি বরিশাল জেলার ৭২ প্রার্থী। কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর বরিশাল জেলায় ৩৭১ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭২ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে দাবি করেছেন তারা।
প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কথা বলা হলেও তাদের নিয়োগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল বা স্থগিতের কোনো লিখিত আদেশ, প্রতিবেদন কিংবা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত থাকলে তার অনুলিপি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো কাগজপত্র বা প্রশাসনিক কার্যক্রম অসম্পূর্ণ থাকলে তা সম্পন্ন করার সুযোগ, পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লিখিত নির্দেশনা এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট স্মারক নম্বর ও বর্তমান অবস্থা জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে অনুসন্ধান করে কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সেই কারণ স্পষ্ট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার বয়স শেষ পর্যায়ে। পরে আর সুযোগ পাব কি না জানি না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করব—এই আশায় মেট্রোরেলের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলাম। চাকরি ছাড়ার পর দীর্ঘ আট মাস বেকার সময় পার করছি। এখন আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও জানি না।’
তিনি বলেন, ‘এখনো যদি যোগদান করতে না পারি, তাহলে আমার সবকিছু হারাতে হবে। আমরা যারা বাদ পড়েছি, আমার মনে হয় সবাই যোগ্য প্রার্থী। তাই কোনো কারণ না জানিয়ে বাদ না দিয়ে আমাদের একযোগে নিয়োগ দিয়ে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়া উচিত।’
নিয়োগবঞ্চিত ৭২ প্রার্থীর দাবি, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা দ্রুত স্পষ্ট করে যোগদানের সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও নিয়োগপত্র পাননি বরিশাল জেলার ৭২ প্রার্থী। কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর বরিশাল জেলায় ৩৭১ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭২ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে দাবি করেছেন তারা।
প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কথা বলা হলেও তাদের নিয়োগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল বা স্থগিতের কোনো লিখিত আদেশ, প্রতিবেদন কিংবা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত থাকলে তার অনুলিপি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো কাগজপত্র বা প্রশাসনিক কার্যক্রম অসম্পূর্ণ থাকলে তা সম্পন্ন করার সুযোগ, পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লিখিত নির্দেশনা এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট স্মারক নম্বর ও বর্তমান অবস্থা জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে অনুসন্ধান করে কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সেই কারণ স্পষ্ট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার বয়স শেষ পর্যায়ে। পরে আর সুযোগ পাব কি না জানি না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করব—এই আশায় মেট্রোরেলের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলাম। চাকরি ছাড়ার পর দীর্ঘ আট মাস বেকার সময় পার করছি। এখন আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও জানি না।’
তিনি বলেন, ‘এখনো যদি যোগদান করতে না পারি, তাহলে আমার সবকিছু হারাতে হবে। আমরা যারা বাদ পড়েছি, আমার মনে হয় সবাই যোগ্য প্রার্থী। তাই কোনো কারণ না জানিয়ে বাদ না দিয়ে আমাদের একযোগে নিয়োগ দিয়ে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়া উচিত।’
নিয়োগবঞ্চিত ৭২ প্রার্থীর দাবি, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা দ্রুত স্পষ্ট করে যোগদানের সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৩
‘সংলাপ ও নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে নাগরিক পরিসর পুনরুদ্ধার’ প্রকল্পের আওতায় লাল সবুজ সোসাইটির আয়োজনে আজ শুক্রবার ব্রাউন কম্পাউন্ডের এডিটশালায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দলগত কাজ ও গল্প উন্নয়ন কর্মশালা’। সেশন পরিচালনা করেন চ্যানেল আই বরিশালের ব্যুরো প্রধান সাইদ পান্থ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের পেরি কর্মসূচি এবং অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন অফিস (এফসিডিও)।
সেশনে অংশগ্রহণকারীদের দলভিত্তিকভাবে নাগরিক গল্প তৈরি, মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ছবি–ভিডিও ধারণের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। দলগতভাবে সমন্বিতভাবে একটি প্রতিবেদন তৈরির অনুশীলনও করানো হয়।
প্রায়োগিক কাজ হিসেবে প্রতিটি দলকে এক থেকে দুই মিনিটের ভিডিও প্রতিবেদন অথবা তিনশো থেকে পাঁচশো শব্দের একটি নাগরিক গল্প তৈরি করে জমা দিতে বলা হয়। দিনের শেষে প্রতিটি দলের পক্ষ থেকে একটি করে খসড়া প্রতিবেদন জমা পড়ে।
কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক সাইদ পান্থ বলেন, “নাগরিক সাংবাদিকতা শুধু খবর করার বিষয় নয়; এটি সমাজের সমস্যাকে নিজের চোখে দেখা, শোনা এবং সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মানুষের কথা মন দিয়ে শোনা ও সঠিকভাবে গল্প সাজাতে পারাই একজন প্রতিবেদকের মূল শক্তি।”
তিনি আরও বলেন,
“আজকের অংশগ্রহণকারীরা যে উদ্যম ও আগ্রহ দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের স্থানীয় গল্প বলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।”
কর্মশালায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থী ইতি বলেন,
“আজকে আমরা দলগতভাবে মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছি। আগে কখনো ভাবিনি যে একটি ছোট ঘটনা থেকেও কত শক্তিশালী গল্প তৈরি করা যায়। এই সেশন আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।”
আরেক অংশগ্রহণকারী রুমান বলেন,
“সাক্ষাৎকার নেওয়ার কৌশল ও সঠিক প্রশ্ন করার বিষয়টি খুব কাজে দেবে। আমরা নিজেরাই হাতে–কলমে ভিডিও ধারণ করেছি। বিষয়গুলো এত সহজভাবে শেখানো হয়েছে যে মাঠে কাজে লাগাতে সুবিধা হবে।”
প্রশিক্ষণার্থী জান্নাত জানান, “দলগতভাবে কাজ করাটা সবচেয়ে বড় শেখা। গল্প তৈরির সময় কে কোন অংশে কাজ করবে—তা বুঝে একসঙ্গে কাজ করা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
আয়োজকেরা বলেন, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের মাঠপর্যায়ের কাজ, দলগত সমন্বয় এবং গল্প তৈরির দক্ষতা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২