ছবি: সংগ্রহীত
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানায়, শনিবার গভীর রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি, দুজন বাংলাদেশি, একজন করে মার্কিন, মিসরীয়, জর্ডানি, সিরীয়, ফিলিস্তিনি ও সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলায় সম্পত্তিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
এর আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জিএসিএ জানায়, হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এ সময় কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা নিশ্চিত করার কাজ করেন।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি হামলাটিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এ সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছেন আল-মালকি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব হামলা নিরীহ বেসামরিক মানুষের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রমাণ। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত।
তবে সর্বশেষ হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি হুথিরা। আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাউরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে। মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে তারা।
এদিকে হামলার পর রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৫৫
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে ধরপাকড়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জারি করে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। Reuters ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বিক্ষোভের ডাক দেয় তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে দলটি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতাকেও আটক করা হয়েছে। সাবেক দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ আরও কয়েকজন বিরোধী নেতার আটকের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, এই প্রক্রিয়া বন্ধ, বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের নাম পুনর্বহাল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তালিকা সংশোধনের উদ্দেশ্য ভোটার তালিকা যাচাই ও অযোগ্য নাম বাদ দেওয়া।
আন্দোলন ঠেকাতে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন বন্ধ, মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবায় বিধিনিষেধ এবং বিক্ষোভস্থলে প্রবেশে বাধা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের অভিযানে শত শত বিক্ষোভকারী আটক হয়েছেন বলেও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বিক্ষোভকারীরা পরিস্থিতিকে গণতান্ত্রিক অধিকার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন, বিরোধী নেতাদের আটক এবং প্রতিবাদে বিধিনিষেধ—সব মিলিয়ে ভারতের নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে ধরপাকড়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জারি করে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। Reuters ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বিক্ষোভের ডাক দেয় তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে দলটি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতাকেও আটক করা হয়েছে। সাবেক দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ আরও কয়েকজন বিরোধী নেতার আটকের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, এই প্রক্রিয়া বন্ধ, বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের নাম পুনর্বহাল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তালিকা সংশোধনের উদ্দেশ্য ভোটার তালিকা যাচাই ও অযোগ্য নাম বাদ দেওয়া।
আন্দোলন ঠেকাতে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন বন্ধ, মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবায় বিধিনিষেধ এবং বিক্ষোভস্থলে প্রবেশে বাধা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের অভিযানে শত শত বিক্ষোভকারী আটক হয়েছেন বলেও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বিক্ষোভকারীরা পরিস্থিতিকে গণতান্ত্রিক অধিকার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন, বিরোধী নেতাদের আটক এবং প্রতিবাদে বিধিনিষেধ—সব মিলিয়ে ভারতের নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
চলতি বছরের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত রূপ নিতে যাওয়া শক্তিশালী ‘এল নিনো’ নিয়ে চরম আশঙ্কার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটির মাসিক জলবায়ু বুলেটিন জানায়, এই মহাবিপদের স্থায়ীত্ব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বজায় থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।
ডব্লিউএমও-এর সেক্রেটারি জেনারেল সেলেস্তে সাউলো জানিয়েছেন, ১৯৫০ সালের পর থেকে এটি অন্যতম শক্তিশালী ‘সুপার-এল নিনো’ হতে পারে। আসন্ন ডিসেম্বর মাসে মধ্য ও পূর্ব ট্রপিকাল প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে রেকর্ড ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৬.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছাতে পারে।
ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা
ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা
এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড ভাঙতে চলেছে এই পরিস্থিতি। মহাসাগরগুলোর ইতিহাসে বর্তমান উষ্ণতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকায় জলবায়ুর এই ভয়ঙ্কর রূপ বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই জলবায়ু চক্র বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে ওলটপালট করে দেয়। এর সরাসরি প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ খরা কিংবা অতিবৃষ্টির মতো চরম দুর্যোগ দেখা দিতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী ইতোমধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রেকর্ড মাত্রা ছুঁয়েছে। এছাড়া গবেষকদের আশঙ্কা, এই ভয়াবহ এল নিনোর কারণে বিশ্বব্যাপী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বড় ধরনের প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত রূপ নিতে যাওয়া শক্তিশালী ‘এল নিনো’ নিয়ে চরম আশঙ্কার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটির মাসিক জলবায়ু বুলেটিন জানায়, এই মহাবিপদের স্থায়ীত্ব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বজায় থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।
ডব্লিউএমও-এর সেক্রেটারি জেনারেল সেলেস্তে সাউলো জানিয়েছেন, ১৯৫০ সালের পর থেকে এটি অন্যতম শক্তিশালী ‘সুপার-এল নিনো’ হতে পারে। আসন্ন ডিসেম্বর মাসে মধ্য ও পূর্ব ট্রপিকাল প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে রেকর্ড ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৬.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছাতে পারে।
ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা
ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা
এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড ভাঙতে চলেছে এই পরিস্থিতি। মহাসাগরগুলোর ইতিহাসে বর্তমান উষ্ণতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকায় জলবায়ুর এই ভয়ঙ্কর রূপ বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই জলবায়ু চক্র বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে ওলটপালট করে দেয়। এর সরাসরি প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ খরা কিংবা অতিবৃষ্টির মতো চরম দুর্যোগ দেখা দিতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী ইতোমধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রেকর্ড মাত্রা ছুঁয়েছে। এছাড়া গবেষকদের আশঙ্কা, এই ভয়াবহ এল নিনোর কারণে বিশ্বব্যাপী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বড় ধরনের প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২২
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসা বিধায়ক ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেডইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের মধ্যে তাকে আটক করা হয়। ভোটকেন্দ্র ও পরে দলীয় কার্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর তাকে থানায় নেওয়া হয়। পরে ভোটারদের প্রভাবিত করা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সকাল থেকেই রেজিনগরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব ছিলেন হুমায়ুন। ভোট দিতে যাওয়ার সময় এবং ভোট দিয়ে বের হওয়ার পরও পুলিশের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেন তিনি। একপর্যায়ে বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই নেতা।
পরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে গেলে সেখানে পৌঁছায় পুলিশের একটি দল। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে হুমায়ুনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এ সময় পুলিশের উদ্দেশে তাকে ‘দালালি না করার’ কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। পরে তাকে পুলিশের গাড়িতে তুলে থানায় নেওয়া হয়।
হুমায়ুনের অভিযোগ, ভোটের দিন সকাল থেকেই তার বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এ নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই তিনি পুলিশের সমালোচনা করেন।
ভোট দেওয়ার পর তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার সচীন মক্কর বলেন, হুমায়ুন কবীর উপনির্বাচনের প্রার্থী নন, এমনকি কোনো প্রার্থীর এজেন্টও নন। তাই নির্বাচনী এলাকায় তার এভাবে ঘোরাফেরার সুযোগ নেই। এ কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রেজিনগরের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত নন্দীগ্রাম আসনেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত রেজিনগরে ১৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং নন্দীগ্রামে ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসা বিধায়ক ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেডইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের মধ্যে তাকে আটক করা হয়। ভোটকেন্দ্র ও পরে দলীয় কার্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর তাকে থানায় নেওয়া হয়। পরে ভোটারদের প্রভাবিত করা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সকাল থেকেই রেজিনগরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব ছিলেন হুমায়ুন। ভোট দিতে যাওয়ার সময় এবং ভোট দিয়ে বের হওয়ার পরও পুলিশের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেন তিনি। একপর্যায়ে বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই নেতা।
পরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে গেলে সেখানে পৌঁছায় পুলিশের একটি দল। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে হুমায়ুনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এ সময় পুলিশের উদ্দেশে তাকে ‘দালালি না করার’ কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। পরে তাকে পুলিশের গাড়িতে তুলে থানায় নেওয়া হয়।
হুমায়ুনের অভিযোগ, ভোটের দিন সকাল থেকেই তার বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এ নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই তিনি পুলিশের সমালোচনা করেন।
ভোট দেওয়ার পর তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার সচীন মক্কর বলেন, হুমায়ুন কবীর উপনির্বাচনের প্রার্থী নন, এমনকি কোনো প্রার্থীর এজেন্টও নন। তাই নির্বাচনী এলাকায় তার এভাবে ঘোরাফেরার সুযোগ নেই। এ কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রেজিনগরের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত নন্দীগ্রাম আসনেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত রেজিনগরে ১৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং নন্দীগ্রামে ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৩২
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানায়, শনিবার গভীর রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি, দুজন বাংলাদেশি, একজন করে মার্কিন, মিসরীয়, জর্ডানি, সিরীয়, ফিলিস্তিনি ও সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলায় সম্পত্তিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।
এর আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জিএসিএ জানায়, হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এ সময় কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা নিশ্চিত করার কাজ করেন।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি হামলাটিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এ সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছেন আল-মালকি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব হামলা নিরীহ বেসামরিক মানুষের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রমাণ। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত।
তবে সর্বশেষ হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি হুথিরা। আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাউরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে। মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে তারা।
এদিকে হামলার পর রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:২৫
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০২