ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের ঠিকাদারের বিলের তদ্বির করতে এসে জনতার হাতে আটক হয়েছে বরিশালের দুই সমন্বয়ক। বৃহস্পতিবার বিকালে ঝালকাঠি এলজিইডিতে এ ঘটনা ঘটে।
এলজিইডি অফিস সূত্র ও উপস্থিত ঠিকাদাররা জানান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর কম্পিউটার অপারেট শাওন খানের ৩ কোটির টাকার ব্রিজ ও সড়কে কাজের চূড়ান্ত বিল তুলতে গত দুই মাস ধরে বরিশালের দুই সমন্বয়ক নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলীকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা প্রকৌশলীকে বিল ছাড়ানোর জন্য ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভন্ন জায়গায় দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ দেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় তারা ঝালকাঠি এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে বিল না দেয়ার কৈফিয়ত চান। এসময় সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত বিএনপি পন্থি ঠিকাদাররা ২ সমন্বয়ককে আমির হোসেন আমুর স্টাফ শাওনের বিল ছাড়াতে আসার অপরাধে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা দুই সমন্বক সাংবাদিকদের জানান, নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবীরের ঘুষ ও দুর্নীতির বিষয়ে আমরা নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু এসময় উপস্থিত ঠিকাদাররা মব সৃষ্টি করে আমাদের পুলিশে ধরিয়ে দেয়।
আটককৃতরা হলেন, সদ্য বিলুপ্ত হওয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব ও আইন বিভাগের তৃত্বীয় বর্ষের ছাত্র সিরাজুল ইসলাম (২৪) এবং বরিশাল গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র মো. মেহেদী(২৫)। সিরাজুল ইসলাম ঝালকাঠি সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দোগলচিড়া গ্রামের নুরুল বাশারের ছেলে এবং মেহেদী বরিশাল শহরের কাকলীর মোড়ের মো. কালামের ছেলে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এলজিইডিতে দুই বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ককে চাঁদাবাজির ঘটনায় আটক হয়েছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে দুজনকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসি। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ জানিয়ে এক সমন্বয়করা তাদের অনৈতিকভাবে হয়রানি করে আসছে। আজ একটি কাজের বিল তুলে নিতে নির্বাহী প্রকৌশলী অফিসে গিয়েছিল। এ নিয়ে ঠিকাদারদের সাথে জামেলা হলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসলে আমি মামলা নিব।
নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবীর জানান, বরিশালের দুই সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর স্টাফ শাওনের পক্ষে ৩ কোটি টাকার একটি কাজের চূড়ান্ত বিল ছাড়িয়ে নিতে আসে। কাজ শেষ না হওয়ায় এবং যথাযথ প্রক্রিয়া বিল না করায় প্রকৃত ঠিকদারকে নিয়ে আসতে বলি। প্রকৃত ঠিকাদারকে না নিয়ে তারা কিছু ছেলেপেলে নিয়ে এসে বারবার চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নলছিটি উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের, স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্র সম্বয়কদের জানিয়েছি। ঠিকাদার ছাড়া বিল কিভাবে দিব? এক পর্যায়ে তারা এ বিল ছাড়ানোর জন্য ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আমি রাজি না হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে হয়রানি করে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩৯
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

৩১ জুলাই, ২০২৫ ২২:২৬
ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের ঠিকাদারের বিলের তদ্বির করতে এসে জনতার হাতে আটক হয়েছে বরিশালের দুই সমন্বয়ক। বৃহস্পতিবার বিকালে ঝালকাঠি এলজিইডিতে এ ঘটনা ঘটে।
এলজিইডি অফিস সূত্র ও উপস্থিত ঠিকাদাররা জানান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর কম্পিউটার অপারেট শাওন খানের ৩ কোটির টাকার ব্রিজ ও সড়কে কাজের চূড়ান্ত বিল তুলতে গত দুই মাস ধরে বরিশালের দুই সমন্বয়ক নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলীকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা প্রকৌশলীকে বিল ছাড়ানোর জন্য ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভন্ন জায়গায় দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ দেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় তারা ঝালকাঠি এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে বিল না দেয়ার কৈফিয়ত চান। এসময় সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত বিএনপি পন্থি ঠিকাদাররা ২ সমন্বয়ককে আমির হোসেন আমুর স্টাফ শাওনের বিল ছাড়াতে আসার অপরাধে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা দুই সমন্বক সাংবাদিকদের জানান, নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবীরের ঘুষ ও দুর্নীতির বিষয়ে আমরা নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু এসময় উপস্থিত ঠিকাদাররা মব সৃষ্টি করে আমাদের পুলিশে ধরিয়ে দেয়।
আটককৃতরা হলেন, সদ্য বিলুপ্ত হওয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব ও আইন বিভাগের তৃত্বীয় বর্ষের ছাত্র সিরাজুল ইসলাম (২৪) এবং বরিশাল গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র মো. মেহেদী(২৫)। সিরাজুল ইসলাম ঝালকাঠি সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দোগলচিড়া গ্রামের নুরুল বাশারের ছেলে এবং মেহেদী বরিশাল শহরের কাকলীর মোড়ের মো. কালামের ছেলে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এলজিইডিতে দুই বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ককে চাঁদাবাজির ঘটনায় আটক হয়েছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে দুজনকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসি। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ জানিয়ে এক সমন্বয়করা তাদের অনৈতিকভাবে হয়রানি করে আসছে। আজ একটি কাজের বিল তুলে নিতে নির্বাহী প্রকৌশলী অফিসে গিয়েছিল। এ নিয়ে ঠিকাদারদের সাথে জামেলা হলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসলে আমি মামলা নিব।
নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবীর জানান, বরিশালের দুই সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর স্টাফ শাওনের পক্ষে ৩ কোটি টাকার একটি কাজের চূড়ান্ত বিল ছাড়িয়ে নিতে আসে। কাজ শেষ না হওয়ায় এবং যথাযথ প্রক্রিয়া বিল না করায় প্রকৃত ঠিকদারকে নিয়ে আসতে বলি। প্রকৃত ঠিকাদারকে না নিয়ে তারা কিছু ছেলেপেলে নিয়ে এসে বারবার চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নলছিটি উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের, স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্র সম্বয়কদের জানিয়েছি। ঠিকাদার ছাড়া বিল কিভাবে দিব? এক পর্যায়ে তারা এ বিল ছাড়ানোর জন্য ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আমি রাজি না হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে হয়রানি করে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২১