
১১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৫১
সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদী থেকে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে পিরোজপুরের কাউখালীতে এক জেলেকে ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১১অক্টোবর) সকালে কাউখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ এর নেতৃত্বে উপজেলার কচাঁ নদীতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটকের পর এ সাজা দেওয়া হয়।
সাজা পাওয়া জেলে, কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামের আলতাফ ফকিরের ছেলে বেল্লাল ফকির। কাউখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধারার অপরাধে এক জেলেকে ১৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে চলতি বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদী থেকে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে পিরোজপুরের কাউখালীতে এক জেলেকে ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১১অক্টোবর) সকালে কাউখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ এর নেতৃত্বে উপজেলার কচাঁ নদীতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটকের পর এ সাজা দেওয়া হয়।
সাজা পাওয়া জেলে, কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামের আলতাফ ফকিরের ছেলে বেল্লাল ফকির। কাউখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধারার অপরাধে এক জেলেকে ১৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে চলতি বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৮
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার এক কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি) বিরুদ্ধে স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যহতি নিয়েও স্বপদে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) পদে লড়তে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।
নির্বাচনে হেরে গিয়ে আবারও একই পদেই যোগ দেন। স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যহতি নেওয়ার আবেদন দেওয়ার পরও বহাল তবিয়তে চাকরি করায় বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. আমানুল্লাহ বাহাদুর। তিনি নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীন পদ্ধডুবি কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আমানুল্লাহ বাহাদুর পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৯ মে থেকে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তৎকালীন ও বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান আবেদনটি গ্রহণ ও অনুমোদন করেছিলেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মচারী স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিলে এবং তা গৃহীত হলে তার স্বপদে ফেরার সুযোগ নেই। অথচ আমানুল্লাহ বাহাদুর এখনো ওই পদে চাকরি করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে ৩ নম্বর দেউলবাড়ি দোবড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন আমানুল্লাহ। নির্বাচনে তিনি ২০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপরই তিনি আবার ক্লিনিকে কাজে যোগ দেন।
এ বিষয়ে জানতে আমানুল্লাহ বাহাদুরের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা তো কাউকে বরখাস্ত করতে পারি না।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন। আমি খোঁজখবর নিয়ে জানাব। তবে নিয়ম অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে তার চাকরিতে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার এক কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি) বিরুদ্ধে স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যহতি নিয়েও স্বপদে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) পদে লড়তে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।
নির্বাচনে হেরে গিয়ে আবারও একই পদেই যোগ দেন। স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যহতি নেওয়ার আবেদন দেওয়ার পরও বহাল তবিয়তে চাকরি করায় বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. আমানুল্লাহ বাহাদুর। তিনি নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীন পদ্ধডুবি কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আমানুল্লাহ বাহাদুর পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৯ মে থেকে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তৎকালীন ও বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান আবেদনটি গ্রহণ ও অনুমোদন করেছিলেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মচারী স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিলে এবং তা গৃহীত হলে তার স্বপদে ফেরার সুযোগ নেই। অথচ আমানুল্লাহ বাহাদুর এখনো ওই পদে চাকরি করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে ৩ নম্বর দেউলবাড়ি দোবড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন আমানুল্লাহ। নির্বাচনে তিনি ২০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপরই তিনি আবার ক্লিনিকে কাজে যোগ দেন।
এ বিষয়ে জানতে আমানুল্লাহ বাহাদুরের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা তো কাউকে বরখাস্ত করতে পারি না।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন। আমি খোঁজখবর নিয়ে জানাব। তবে নিয়ম অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে তার চাকরিতে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৭
পিরোজপুরের কাউখালীতে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনে মুখে হাসি ফুটে উঠলো কৃষকদের। অল্প খরচে বেশি লাভ এবং ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্য সামনে রেখে দিন দিন বাড়ছে সরিষার আবাদ।
আবহাওয়া অনুকূল ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষার আবাদ ও উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে-ঘাটে দিগন্ত জোড়া হলুদ ফুলে মাঠ যেন হলুদের চাদরে ঢেকে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬৮ হেক্টর জমি। কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিনা সরিষা ৯ ও বিনা সরিষা ১১ জাতের আবাদ বেশি হয়েছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেউন্দ্রিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ মামুন জানান, ভোজ্য তেলের দাম বেশি থাকায় নিজেদের চাহিদা মেটানো ও বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৩৩ শতাংশ জমিতে বিনা সরিষা ১১ জাতের সরিষা চাষ করা হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় লাভ বেশি হওয়ার আশা করছি। হোগলা গ্রামের কৃষক লাকি হাওলাদার বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর সরিষা গত বছরের তুলনায় বেশি হবে বলে আশা করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস জানান, এ বছর কাউখালী উপজেলায় মোট ৬৬ হেক্টর জমিতে বিনা সরিষা ৯ ও বিনা সরিষা ১১ আবাদ হয়েছে। যার ফলন হয়েছে প্রায় ১২০ মেট্রিক টন। যা থেকে প্রায় ৫০ মেট্রিক টন তেল উৎপাদন হবে।
পিরোজপুরের কাউখালীতে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনে মুখে হাসি ফুটে উঠলো কৃষকদের। অল্প খরচে বেশি লাভ এবং ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্য সামনে রেখে দিন দিন বাড়ছে সরিষার আবাদ।
আবহাওয়া অনুকূল ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষার আবাদ ও উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে-ঘাটে দিগন্ত জোড়া হলুদ ফুলে মাঠ যেন হলুদের চাদরে ঢেকে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬৮ হেক্টর জমি। কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিনা সরিষা ৯ ও বিনা সরিষা ১১ জাতের আবাদ বেশি হয়েছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেউন্দ্রিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ মামুন জানান, ভোজ্য তেলের দাম বেশি থাকায় নিজেদের চাহিদা মেটানো ও বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৩৩ শতাংশ জমিতে বিনা সরিষা ১১ জাতের সরিষা চাষ করা হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় লাভ বেশি হওয়ার আশা করছি। হোগলা গ্রামের কৃষক লাকি হাওলাদার বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর সরিষা গত বছরের তুলনায় বেশি হবে বলে আশা করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস জানান, এ বছর কাউখালী উপজেলায় মোট ৬৬ হেক্টর জমিতে বিনা সরিষা ৯ ও বিনা সরিষা ১১ আবাদ হয়েছে। যার ফলন হয়েছে প্রায় ১২০ মেট্রিক টন। যা থেকে প্রায় ৫০ মেট্রিক টন তেল উৎপাদন হবে।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৬
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে ইন্দুরকানী বাজারে ঘুরে ঘুরে ময়লায় ভরা ও অকেজো অবস্থায় থাকা ড্রেনগুলো পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করে ব্যবহারযোগ্য করে তুলেছেন। এখন অচল থাকা ড্রেনগুলো সচল হচ্ছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ইন্দুরকানী বাজারের সোনালী ব্যাংক রোড, এমইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় রোড এবং সদর রোডে অবস্থিত ড্রেনগুলো ইন্দুরকানী বাজার কমিটির মাধ্যমে চলমান পরিষ্কার-পরিছন্নতা অভিযানের আওতায় পরিষ্কার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইন্দুরকানী বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোঃ হাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে পরিদর্শনে আসেন। পরে ব্যবসায়ীদের দাবিতে এবং ক্রেতাদের সুবিধার্থে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ড্রেনেজ পরিষ্কার।
বাজারের ড্রেনগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ায় মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। আটকে থাকা ময়লার কারণে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় দোকানপাট তলিয়ে যায়। রাস্তার উপর পানি উঠলে গাড়ি চলাচল ও পথচারীরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। বাজারের দোকানিরাও এডিস মশার আতঙ্কে থাকেন।
ড্রেন পরিষ্কার অভিযানের বিষয়ে বাজার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাসার সামনের ড্রেনটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো ছিল। আজ পরিষ্কার হওয়ায় খুব ভালো লাগছে। এখন মশার সংখ্যা কমবে এবং ড্রেন উফলে দোকান ও রাস্তার উপর পানি উঠবে না। এই মহৎ কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
জিয়ানগর উপজেলার ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ। দোকানিকে নিজ উদ্যোগে তার দোকানের সামনের এলাকাসহ ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করতে হবে এবং বাজার কমিটিকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর রাখতে হবে।’
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে ইন্দুরকানী বাজারে ঘুরে ঘুরে ময়লায় ভরা ও অকেজো অবস্থায় থাকা ড্রেনগুলো পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করে ব্যবহারযোগ্য করে তুলেছেন। এখন অচল থাকা ড্রেনগুলো সচল হচ্ছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ইন্দুরকানী বাজারের সোনালী ব্যাংক রোড, এমইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় রোড এবং সদর রোডে অবস্থিত ড্রেনগুলো ইন্দুরকানী বাজার কমিটির মাধ্যমে চলমান পরিষ্কার-পরিছন্নতা অভিযানের আওতায় পরিষ্কার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইন্দুরকানী বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোঃ হাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে পরিদর্শনে আসেন। পরে ব্যবসায়ীদের দাবিতে এবং ক্রেতাদের সুবিধার্থে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ড্রেনেজ পরিষ্কার।
বাজারের ড্রেনগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ায় মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। আটকে থাকা ময়লার কারণে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় দোকানপাট তলিয়ে যায়। রাস্তার উপর পানি উঠলে গাড়ি চলাচল ও পথচারীরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। বাজারের দোকানিরাও এডিস মশার আতঙ্কে থাকেন।
ড্রেন পরিষ্কার অভিযানের বিষয়ে বাজার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাসার সামনের ড্রেনটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো ছিল। আজ পরিষ্কার হওয়ায় খুব ভালো লাগছে। এখন মশার সংখ্যা কমবে এবং ড্রেন উফলে দোকান ও রাস্তার উপর পানি উঠবে না। এই মহৎ কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
জিয়ানগর উপজেলার ইউএনও হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ। দোকানিকে নিজ উদ্যোগে তার দোকানের সামনের এলাকাসহ ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করতে হবে এবং বাজার কমিটিকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর রাখতে হবে।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.