অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি কার্যক্রম মূল্যায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘বিভাগীয় কমিশনার’ ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সাবেক বিভাগীয় কমিশনার এবং বর্তমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রায়হান কাওছার।
সম্প্রতি তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সনদপত্রে তার দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ভূমি খাত উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে দায়িত্ব পালনের সময় মো. রায়হান কাওছার ভূমি সেবা সহজীকরণে বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেন। নাগরিকদের ‘এক ঠিকানায় ভূমিসেবা’, অনলাইন নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, মাঠপর্যায়ের টিমকে গতিশীল করা এবং দুর্নীতিবিরোধী মনিটরিং জোরদার করার কারণে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
এছাড়া বরিশাল জেলায় অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সময়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে নজর কাড়ে। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত সেবা কাঠামো নিশ্চিত করেছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, ভূমি প্রশাসনকে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার ক্ষেত্রে রায়হান কাওছারের অবদান দেশের অন্যান্য বিভাগেও রোল মডেল হিসেবে কাজ করছে।
তার এই অর্জনকে সরকারের ভূমি সংস্কার উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মাননা পাওয়ার সময় জানতে চাইলে মো. রায়হান কাওছার বলেন, এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি সহকর্মী, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং জনগণের সহযোগিতারই ফল। ভূমি সেবা আধুনিক ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা যে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ করেছি, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া এটাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য এবং এই পথচলায় কোনোদিনই আমি আপস করিনি।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্ববান হতে উৎসাহিত করবে। দেশের উন্নয়ন ও ভূমি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমি আগের মতোই নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১৪
অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি কার্যক্রম মূল্যায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘বিভাগীয় কমিশনার’ ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সাবেক বিভাগীয় কমিশনার এবং বর্তমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রায়হান কাওছার।
সম্প্রতি তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সনদপত্রে তার দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ভূমি খাত উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে দায়িত্ব পালনের সময় মো. রায়হান কাওছার ভূমি সেবা সহজীকরণে বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেন। নাগরিকদের ‘এক ঠিকানায় ভূমিসেবা’, অনলাইন নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, মাঠপর্যায়ের টিমকে গতিশীল করা এবং দুর্নীতিবিরোধী মনিটরিং জোরদার করার কারণে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
এছাড়া বরিশাল জেলায় অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সময়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে নজর কাড়ে। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত সেবা কাঠামো নিশ্চিত করেছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, ভূমি প্রশাসনকে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার ক্ষেত্রে রায়হান কাওছারের অবদান দেশের অন্যান্য বিভাগেও রোল মডেল হিসেবে কাজ করছে।
তার এই অর্জনকে সরকারের ভূমি সংস্কার উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মাননা পাওয়ার সময় জানতে চাইলে মো. রায়হান কাওছার বলেন, এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি সহকর্মী, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং জনগণের সহযোগিতারই ফল। ভূমি সেবা আধুনিক ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা যে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ করেছি, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া এটাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য এবং এই পথচলায় কোনোদিনই আমি আপস করিনি।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্ববান হতে উৎসাহিত করবে। দেশের উন্নয়ন ও ভূমি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমি আগের মতোই নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:২৫