ছবি:সংগ্রহীত
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চর মোজাম্মেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, ধারালো অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
সোমবার ভোর ৪টা থেকে চর মোজাম্মেলে এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলার একটি দল।
কোস্ট গার্ডের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চর মোজাম্মেলের আলমগীর, আব্বাস মাঝি ও আলমগীর মাঝি।
কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন চর মোজাম্মেলে একদল ডাকাত অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সন্দেহভাজনদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, দুই রাউন্ড খালি কার্তুজ, চারটি দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশাল টাইমসকে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চর মোজাম্মেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, ধারালো অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
সোমবার ভোর ৪টা থেকে চর মোজাম্মেলে এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলার একটি দল।
কোস্ট গার্ডের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চর মোজাম্মেলের আলমগীর, আব্বাস মাঝি ও আলমগীর মাঝি।
কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন চর মোজাম্মেলে একদল ডাকাত অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সন্দেহভাজনদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, দুই রাউন্ড খালি কার্তুজ, চারটি দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশাল টাইমসকে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২০
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মমতাজ বেগম রাসু (৬০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গ্রেফতার দুজন হলেন উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নজির বেপারী বাড়ির বাসিন্দা মামলার এক নম্বর আসামি মো. কাশেম (৫৫) এবং দুই নম্বর আসামি কাশেমের স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৫০)।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত মমতাজ বেগমের বড় মেয়ে রুবিনা বেগম বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরদিন শনিবার সকালে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে ভোলার আদালতে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে জয়নগর ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে মমতাজ বেগমকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে নিজ বসতঘরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার আগে মমতাজ বেগমের দেবর বজলু বেপারীর ছেলে মাইনুদ্দিন জমি-সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী কাশেম, তার ছেলে ইকবাল, স্ত্রী রাজিয়া বেগম ও নিহতের দেবর বজলু বেপারীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিবারের দাবি, সংঘর্ষ থামাতে মমতাজ বেগম এগিয়ে গেলে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার অবস্থার অবনতি হয়ে রাত ২টার দিকে মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর কাশেম ও তার স্ত্রী রাজিয়া বেগমকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, নিহতের বড় মেয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার এক ও দুই নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্ত চলছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মমতাজ বেগমের মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মমতাজ বেগম রাসু (৬০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গ্রেফতার দুজন হলেন উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নজির বেপারী বাড়ির বাসিন্দা মামলার এক নম্বর আসামি মো. কাশেম (৫৫) এবং দুই নম্বর আসামি কাশেমের স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৫০)।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত মমতাজ বেগমের বড় মেয়ে রুবিনা বেগম বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরদিন শনিবার সকালে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে ভোলার আদালতে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে জয়নগর ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে মমতাজ বেগমকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে নিজ বসতঘরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার আগে মমতাজ বেগমের দেবর বজলু বেপারীর ছেলে মাইনুদ্দিন জমি-সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী কাশেম, তার ছেলে ইকবাল, স্ত্রী রাজিয়া বেগম ও নিহতের দেবর বজলু বেপারীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিবারের দাবি, সংঘর্ষ থামাতে মমতাজ বেগম এগিয়ে গেলে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার অবস্থার অবনতি হয়ে রাত ২টার দিকে মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর কাশেম ও তার স্ত্রী রাজিয়া বেগমকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, নিহতের বড় মেয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার এক ও দুই নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্ত চলছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মমতাজ বেগমের মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৩
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬