সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাবেক বিএনপি নেতা লিটন হাওলাদারকে থানার ভেতর খাট, তোষক, সিগারেট, মোবাইলসহ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলমের বিরুদ্ধে।
এমন ঘটনার বেশ কিছু ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতা নিয়ে দেখা দেয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যায়, একটি সিআর মামলায় এক বছর দুই মাস সাজাপ্রাপ্ত আসামি গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি লিটন হাওলাদার (৪৮)। ওই মামলার আসামি হিসেবে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলম।
তবে তাকে অন্যান্য আসামিদের থেকে আলাদাভাবে বিশেষ সুবিধা দিয়ে থানার একটি কক্ষে রাখা হয়। পরের দিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে তাকে হাজতে বিশেষ সুবিধায় রাখা বেশ কিছু ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে গণমাধ্যমের হাতে চলে আসে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, লিটন হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, গ্রেপ্তার হওয়া লিটন হাওলাদারের থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে হাজতের মধ্যেই ব্যারাক থেকে আনা খাট, তোষক ও বালিশের ভিআইপি বিছানা করে দেওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোনে কথা বলারও সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
সেখানে থাকা একটি খাটে তিনি আয়েশী ভঙ্গিতে সিগারেট হাতে নিয়ে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন। এমন অবস্থায় কোনো এক ব্যক্তি গোপনে তার ছবিগুলো মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করেছেন।
গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলম বলেন, অন্য একটি মামলায় জামিন পেয়ে আসামি লিটন হাওলাদার দেখা করার জন্য থানায় আসেন। তবে তিনি অন্য একটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি বলে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় আসামি লিটন হাওলাদার নিজেকে অসুস্থ দাবি করলে আমি তাকে হাজতখানায় থাকার কথা বলি।
হাজতখানায় আসামির জন্য বিছানার ব্যবস্থা ও মোবাইলে কথা বলতে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কে বা কারা করেছে আমার জানা নেই, কেউ এটা করে থাকলে অবশ্যই আমি খতিয়ে দেখব।
তবে মানুষ ভুল ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়, ভুল ত্রুটি আমারও হতে পারে। আর আমাদের হাজতখানার পাশেই প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের একটি কক্ষ রয়েছে। যেখানে অসুস্থ রোগীদের বিশেষ প্রয়োজনে রাখা হয়।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) তানভীর হোসেন বলেন, আসামি যদি অসুস্থ থাকে সেক্ষেত্রে তাকে হাসপাতালে রেখে পুলিশি তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
তাছাড়া ভেতরে মোবাইলে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেওয়া অনুসন্ধান করে দেখা হবে। থানার ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলে কি ঘটনা ঘটেছে তা জানানো যাবে। আর ঘটনার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৩৬
আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে জাপান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য এসব সফর নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, জাপানের আমন্ত্রণে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।
এদিকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে নভেম্বরে সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
অন্যদিকে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তুরস্ক। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর বাইরে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, হাইতি, ভুটান ও থাইল্যান্ডের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে জাপান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য এসব সফর নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, জাপানের আমন্ত্রণে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।
এদিকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে নভেম্বরে সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
অন্যদিকে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তুরস্ক। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর বাইরে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, হাইতি, ভুটান ও থাইল্যান্ডের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৯
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুদিন পর একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বৈদ্যার বাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হলো—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া এবং শিশু ছেলে সামিন।
স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন ট্রলারে করে রওনা দেন। বৈদ্যার বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।
এ সময় ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে রাশিদা নামে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর একই পরিবারের চারজন—হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন—নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে সজিব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল উদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুদিন পর একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বৈদ্যার বাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হলো—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া এবং শিশু ছেলে সামিন।
স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন ট্রলারে করে রওনা দেন। বৈদ্যার বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।
এ সময় ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে রাশিদা নামে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর একই পরিবারের চারজন—হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন—নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে সজিব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল উদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:৫০
সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাবেক বিএনপি নেতা লিটন হাওলাদারকে থানার ভেতর খাট, তোষক, সিগারেট, মোবাইলসহ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলমের বিরুদ্ধে।
এমন ঘটনার বেশ কিছু ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতা নিয়ে দেখা দেয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যায়, একটি সিআর মামলায় এক বছর দুই মাস সাজাপ্রাপ্ত আসামি গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি লিটন হাওলাদার (৪৮)। ওই মামলার আসামি হিসেবে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলম।
তবে তাকে অন্যান্য আসামিদের থেকে আলাদাভাবে বিশেষ সুবিধা দিয়ে থানার একটি কক্ষে রাখা হয়। পরের দিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে তাকে হাজতে বিশেষ সুবিধায় রাখা বেশ কিছু ছবি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে গণমাধ্যমের হাতে চলে আসে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, লিটন হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, গ্রেপ্তার হওয়া লিটন হাওলাদারের থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে হাজতের মধ্যেই ব্যারাক থেকে আনা খাট, তোষক ও বালিশের ভিআইপি বিছানা করে দেওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোনে কথা বলারও সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
সেখানে থাকা একটি খাটে তিনি আয়েশী ভঙ্গিতে সিগারেট হাতে নিয়ে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন। এমন অবস্থায় কোনো এক ব্যক্তি গোপনে তার ছবিগুলো মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করেছেন।
গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলম বলেন, অন্য একটি মামলায় জামিন পেয়ে আসামি লিটন হাওলাদার দেখা করার জন্য থানায় আসেন। তবে তিনি অন্য একটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি বলে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় আসামি লিটন হাওলাদার নিজেকে অসুস্থ দাবি করলে আমি তাকে হাজতখানায় থাকার কথা বলি।
হাজতখানায় আসামির জন্য বিছানার ব্যবস্থা ও মোবাইলে কথা বলতে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কে বা কারা করেছে আমার জানা নেই, কেউ এটা করে থাকলে অবশ্যই আমি খতিয়ে দেখব।
তবে মানুষ ভুল ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়, ভুল ত্রুটি আমারও হতে পারে। আর আমাদের হাজতখানার পাশেই প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের একটি কক্ষ রয়েছে। যেখানে অসুস্থ রোগীদের বিশেষ প্রয়োজনে রাখা হয়।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) তানভীর হোসেন বলেন, আসামি যদি অসুস্থ থাকে সেক্ষেত্রে তাকে হাসপাতালে রেখে পুলিশি তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
তাছাড়া ভেতরে মোবাইলে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেওয়া অনুসন্ধান করে দেখা হবে। থানার ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলে কি ঘটনা ঘটেছে তা জানানো যাবে। আর ঘটনার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৬
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২৪
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৫০